সময় কলকাতা ডেস্কঃ ‘আমার তিনটে ছেলে তিনটেই রত্ন। এলাকার কেউ বলতে পারবে না আমার ছেলে জঙ্গি’, ছেলে সম্পর্কে এমনই ধারনা এসটিএফের জালে গ্রেফতার আব্দুল রাকিবের মায়ের। তার মায়ের কথায় তার ছেলে মাদ্রাসা স্কুলের শিক্ষক। আব্দুলের উত্তর ২৪ পরগনার বারাসাত শাসনের খড়িবাড়ি এলাকা থেকে রাজ্য পুলিশের এসটিএফের জালে বৃহস্পতিবার গ্রেফতার করা হয় দুই আল কায়েদা জঙ্গিকে। পুলিশ সূত্রে খবর, আল কায়দার ভারতের শাখা সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিল তারা। নিষিদ্ধ জঙ্গিগোষ্ঠীর হয়ে তারা বহুদিন ধরে কাজ করত বলেই খবর। দুই অভিযুক্তের মধ্যে একজনের বাড়ি দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর থানার উদয় অঞ্চলের পঞ্চগ্রাম আউশা এলাকায়।

জানা গিয়েছে, ধৃত ব্যক্তির নাম আব্দুর রাকিব। বৃহস্পতিবার এই ঘটনা জানাজানি হতেই ব্যাপক শোরগোল পড়ে যায় এলাকা সহ গোটা দক্ষিণ দিনাজপুর জেলাজুড়ে। যদিও ছেলের জঙ্গি যোগের বিষয়টি অস্বীকার করেছে পরিবার সহ এলাকার মানুষজন। তাদের দাবি ষড়যন্ত্র করে ফাঁসানো হয়েছে তাদের ছেলেকে। আব্দুল রাকিবের বাবার অভিযোগ,‘আমার ছেলেকে কেউ ষড়যন্ত্র করে ফাঁসিয়ে দিয়েছে। ছোট থেকেই ও খুব ভাল ছেলে। ধৃত আব্দুর রাকিবের পরিবারে বাবা মা ও দুই ভাই, স্ত্রী ও তিন সন্তান রয়েছে। গত ২ অগাস্ট স্ত্রীর তৃতীয় সন্তান প্রসবের পর কলকাতায় চলে গিয়েছিল রাকিব। আব্দুরের বাবা রফিউদ্দিন সরকার। পেশায় একজন কৃষক। তবে গঙ্গারামপুরের পাশাপাশি এর আগে অসম, কোচবিহারে সহ একাধিক জায়গায় থাকত রাকিব ।

পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে,অতিমারির জেরে লকডাউনের সময় বাড়িতেই ছিল রাকিব। যদিও সেই সময় বাড়িতে থাকলেও কোন কিছু টেরই পাননি তার বাবা-মা থেকে শুরু করে পরিবারে অন্য সদস্যরা। লকডাউন উঠে যাওয়ার পর প্রায় প্রত্যেক মাসেই বাড়িতে যেত রাকিব। এলাকায় শান্ত ও পরোপকারী ছেলে হিসেবেই পরিচিত ছিল সে। তাই ছেলে জঙ্গী কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত তা মেনে নিতেই চাইছে না বৃদ্ধ বাবা-মা। তাঁদের দাবি, ছেলেকে চক্রান্ত করে ফাঁসানো হয়েছে।


More Stories
ঋতব্রত সন্দীপনের বহিষ্কারের চিঠিতে কী কী লেখা হয়েছে?
বঙ্গে পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভার গঠন
অভিষেক নিগ্রহ পর্ব : আদতে হয়েছিল কী? বিভিন্ন রাজনৈতিক মহল, নেতা-নেত্রীরা কী বলছেন!