সময় কলকাতা ডেস্ক : ৮ বছরের নাবালিকা মেয়েটির দোষ ছিল যে সে মাকে বিশেষ ঘনিষ্ঠ মুহূর্তে মায়ের প্রেমিকের সঙ্গে দেখে ফেলেছিল। আর গোপন মুহূর্তের সাক্ষী রাখতে রাজি ছিল না মায়ের প্রেমিক রিজওয়ান ওরফে বাদশা। রাতে ঘুমন্ত নাবালিকাকে অপহরণ করে নিয়ে যায় রিজওয়ান।অতঃপর পাশবিক অত্যাচার ও ধর্ষণ করে গলা কেটে নির্মমভাবে খুন করে তাকে । প্রমাণ লোপাট করতে নাবালিকার মুখও বিকৃত করে দেয় রিজওয়ান। দিল্লির যমুনা খাদারের জঙ্গল থেকে মৃতার দেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।এই বর্বরোচিত ঘটনায় স্তম্ভিত পুলিশও।
পুলিশ রিজওয়ানকে আটক করে অপরাধে ব্যবহৃত ছুরি উদ্ধার করেছে।অভিযুক্ত স্বীকার করেছে যে সে নাবালিকার মুখ বিকৃত করেছে এবং ধর্ষণ ও হত্যার পরে তার দেহ জঙ্গলে লুকিয়ে রেখেছিল।তুর্কমান গেট এলাকায় কসাই হিসেবে কাজ করা রিজওয়ান মাদকাসক্ত বলেও জানা গেছে। রিজওয়ান পুলিশকে জানায়, নাবালিকার মায়ের সঙ্গে তার যৌন সঙ্গমের দৃশ্য নাবালিকা দেখে ফেলায় তাকে খতম করার পরিকল্পনা নেয় সে।
অপরাধ সম্পর্কে বলতে গিয়ে, কেন্দ্রীয় জেলা ডিসিপি শ্বেতা চৌহান সংবাদ সংস্থা এএনআইকে বলেছেন, “রিজওয়ান ওরফে বাদশা বাড়িতে যেতেন এবং মৃতের মায়ের সাথে সম্পর্ক ছিল।ধৃত পেশায় একজন কসাই।
সে অপরাধের কথা স্বীকার করেছে – নাবালিকা তাকে তার মায়ের সাথে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় দেখেছিল এবং সে চায়নি এটা প্রকাশ্যে আসুক।”

জানা গিয়েছে,আগস্ট মাসের ৪ তারিখ অন্য তিন ভাই-বোন ও মা-বাবার সঙ্গে ঘুমোতে যায় নাবালিকা।৫ তারিখ ভোরে মেয়েটির বাবা দেখতে পায় এক কন্যা নিখোঁজ। নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগ দায়ের হওয়ার প্রায় ১৩ তিন পরে যমুনা খাদারের জঙ্গল থেকে পুলিশ তার বিকৃত দেহ উদ্ধার করে। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে ও যমুনা খাদরের বহু মানুষের সঙ্গে কথা বলে তদন্তের জাল গুটিয়ে এনে পুলিশ রিজওয়ানকে গ্রেফতার করে।।


More Stories
আক্রান্ত হলেন ককরোচ পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে
ভারতে তেলের দাম কি কমছে?
কলকাতা-হিমাচল সরাসরি ট্রেন চালু, বাংলা পর্যটকদের জন্য নতুন সুবিধা