Home » গরু পাচারের পর এবার কয়লা, যত কাণ্ড বীরভূমে

গরু পাচারের পর এবার কয়লা, যত কাণ্ড বীরভূমে

সময় কলকাতা, বীরভূম: গরু পাচার ,কয়লা পাচার ও নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে রাজ্যজুড়ে আলোড়ন পড়ে গিয়েছে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই ও ইডির জোড়া ফলার তদন্তের মুখে পড়ে রাজ্যের শাসক দলের দুই হেভি ওয়েট নেতা এখন শ্রীঘরে। পাশাপাশি শ্রীঘরে রয়েছে গরু পাচার কাণ্ডের অন্যান্য অভিযুক্তরাও। কয়লা পাচার কাণ্ডের অন্যতম অভিযুক্ত বিনয় মিশ্র এখনো অধরা থাকলেও কয়লা পাচার কাণ্ডের তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে সিবিআই ও ইডি। গরু পাচার কাণ্ডে বীরভূম জেলা যেন দুর্নীতির আঁতুড় ঘর। এমনটাই সামাজিক প্রচার মাধ্যমের ট্রেন্ড । যদিও সৌজন্যে অবশ্যই অনুব্রত মণ্ডল।

অনুব্রত মণ্ডলের গ্রেপ্তারির পর একের পর এক উঠে এসেছে একাধিক তথ্য। সিবিআই সূত্রের খবর অনুব্রত মণ্ডলের নামে পাওয়া গিয়েছে ২৪ টি সম্পত্তি। অনুব্রত মণ্ডলের প্রয়াত স্ত্রীর নামে রয়েছে ১২টি সম্পত্তি। অনুব্রত কন্যা সুকন্যা মন্ডলের নামে রয়েছে ২৬ টি সম্পত্তি। অনুব্রত ঘনিষ্ঠ বিদ্যুৎ গায়েনের নামে রয়েছে ৩৬ টি সম্পত্তি। অনুব্রত মন্ডলের একাউন্টে রয়েছে অগাধ টাকা। কি করে এত সম্পত্তি হল একজন রাজনৈতিক দলের জেলা সভাপতির। সম্পত্তির উৎস খুঁজতে এখন ব্যস্ত সিবিআই।

ঠিক সেই সময় কয়লার আঁচ এসে পরল বীরভূমে। অবৈধভাবে মজুদ করা কয়লা উদ্ধার করলো বীরভূম জেলার খয়রাশোল থানার পুলিশ। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে মঙ্গলবার রাতে খয়রাশোল থানার ওসি সায়ন্তন ব্যানার্জি থানার পুলিশ বাহিনী নিয়ে হাজির হয় খয়রাশোল থানার দহল গ্রামে। ফরিদ খাঁ নামে ওই গ্রামেরই বাসিন্দার বাড়িতে অবৈধভাবে মজুদ করা ছিল প্রায় ৮০ মেট্রিক টন কয়লা। উদ্ধার হওয়া কয়লার আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ১২ লক্ষ টাকা। ফরিদ খাঁ খয়রাশোল থানারই এক সিভিক ভলেন্টিয়ারের পিতা।

চলতি মাসের ২৬ শে আগস্ট একটি ডাম্পার বোঝাই বিপুল পরিমাণ কয়লা উদ্ধার করেছিল খয়রাশোল থানা পুলিশ। এই বিপুল পরিমাণ কয়লা কোথা থেকে এনে মজুদ করেছিল ফরিদ খাঁ। সে বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে খয়রাশোল থানার পুলিশ।

বীরভূমের বহু জায়গাতেই অবৈধ কয়লা খনি থেকে আনা বেআইনি কয়লা মজুত রয়েছে এমন খবর প্রশাসনের কাছে আগেই ছিল। তারই পরিপ্রেক্ষিতে এই অভিযান। খয়রাশোল থানার ওসি সায়ন্তান ব্যানার্জি জানিয়েছেন অবৈধ কয়লা মজুত এবং পাচারের বিরুদ্ধে খয়রাশোল থানার অভিযান জারি থাকবে।

About Post Author