Home » চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণার অভিযোগে মারধর ও পুলিশে খবর

চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণার অভিযোগে মারধর ও পুলিশে খবর

সময় কলকাতা ডেস্ক : নেতাদের থেকে শুরু করে কর্মসংস্থানক্ষেত্রে নিচুতলা পর্যন্ত লোকজনের চাকরির ক্ষেত্রে দুর্নীতির অভিযোগের সুস্পষ্ট ইঙ্গিতে মানুষ ক্ষেপেই আছে।ঘুম ভেঙেছে বেশ কিছু মানুষের। তাঁরা যে প্রতারিত হচ্ছেন একাধিক জায়গায়  দেরিতে হলেও বুঝছেন মানুষ। কিছু জায়গায় নিজেরাও ঘুষের টাকায় চাকরি পেতে গিয়ে বঞ্চিত হয়ে আইন আংশিকভাবে হাতে তুলে নিচ্ছেন প্রতারিতরা।

এবার বাঁকুড়ার সোনামুখীতে চাকরী দেওয়ার নাম করে টাকা নেওয়ার অভিযোগ, প্রাথমিক শিক্ষককে ধরে মারধর করে পুলিশের হাতে তুলে দিলেন প্রতারিত চাকরী প্রার্থী ও তার বাবা। বুধবার দুপুরে  বাঁকুড়ার সোনামুখী থানার রাধামোহনপুর পঞ্চায়েতের টাকবাজার সংলগ্ন এলাকায় ইসবপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে ওঠে অভিযোগ। তিনি প্রহৃত হন। অভিযুক্ত শিক্ষক জ্যোতির্ময় বাউরীকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে গেছে পুলিশ। তবে উল্লেখ্য, আইন নিজের হাতে নিয়ে অভিযুক্তকে মারধর করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েও লিখিত অভিযোগ করা হয় নি।

সোনামুখী থানার ইসবপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গত কয়েক মাস ধরে শিক্ষকতা করে আসছেন দুর্গাপুরের বাসিন্দা জ্যোতির্ময় বাউরী। অভিযোগ স্থানীয় সোনামুখী থানার মনুই গ্রামের বাসিন্দা সুনীল কুমার মন্ডলের ছেলেকে স্বাস্থ্য দফতরে চাকরী পাইয়ে দেওয়ার টোপ দেন ওই শিক্ষক। বিনিময়ে প্রায় ৯ লক্ষ টাকা দাবী করেন ওই শিক্ষক তেমনই অভিযোগ। প্রথমে সুনীল কুমার মন্ডল রাজি না হলেও অভিযোগ ক্রমাগত লোভ দেখাতে থাকেন ওই শিক্ষক। শেষ পর্যন্ত নিজের জমি বিক্রি করে মোট চার দফায় সুনীল কুমার মন্ডল ৮ লক্ষ ৮৩ হাজার ৫০০ টাকা ওই শিক্ষককে দেন বলে দাবী। সুনীল বাবুর দাবী এরপর কখনো তাঁর ছেলেকে কল্যানী মেডিক্যাল কলেজের ভুয়ো নিয়োগপত্র দেওয়া হয়।অভিযোগ,ভুয়ো জয়েনিং লেটার দেওয়া হয়। ছেলেকে কাজে যোগদান করাতে গিয়ে সুনীল বাবু জানতে পারেন সবই ভুয়ো। এরপর আজ জ্যোতির্ময় বাউরী নামের অভিযুক্ত শিক্ষক যখন স্কুল যাচ্ছিলেন তখন টাকবাজার সংলগ্ন এলাকায় তাঁর পথ আটকান সুনীল বাবু ও তাঁর ছেলে। হালকা মারধর করা হয় তাঁকে। পরে খবর পেয়ে সোনামুখী থানার পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে অভিযুক্ত শিক্ষককে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। অভিযোগকারী সুনীল কুমার মন্ডলের দাবী এখন তাঁরা টাকা ফেরত চান। অভিযুক্ত শিক্ষক চাকরীর টোপ দিয়ে টাকা নেওয়ার কথা অস্বীকার করেছেন। অভিযুক্তর তরফে সোনামুখী থানায় এখনও কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। পুলিশ স্বাভাবিকভাবেই বিষয়টি নিয়ে বড় কোনও পদক্ষেপ নিতে পারছে না ।।

 

About Post Author