Home » চাকরির নামে প্রতারণার দুর্নীতি ঢাকতে আবার দুর্নীতি, কি সেই দুর্নীতি?

চাকরির নামে প্রতারণার দুর্নীতি ঢাকতে আবার দুর্নীতি, কি সেই দুর্নীতি?

সময় কলকাতা ডেস্ক:চাকরির নামে প্রতারণা দুর্নীতি ঢাকতে গিয়ে আবার দুর্নীতি। এই দুর্নীতি নিয়ে সরব প্রতারিত চাকরি প্রার্থীরা।

চাকরির নামে প্রতারণা করে লক্ষ লক্ষ টাকা নিয়ে ফেরার পার্থ ঘনিষ্ঠ কোলাঘাটের তৃণমূল নেতা অতনু গুছাইত। টাকা ফেরত এর দাবিতে একাধিকবার চাকরিপ্রার্থীরা অতনু গুছাইতের বাড়ির সামনে বিক্ষোভ দেখিয়েছে।

প্রতারিত হয়েছেন মাছ ব্যবসায়ীরাও

ক্ষিপ্ত কোলাঘাটের বাজারের মাছ ব্যবসায়ীরাও।প্রতিদিন মাছ ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ৮ থেকে ১০ হাজার টাকার মাছ কিনতেন অতনু গুছাইত। আর সেই মাছ পাঠাতেন কলকাতায় নেতাদের বাড়ি। যদিও সব মাছটাই প্রায় ধারে কিনতেন অতনু গুছাইত। ধারের টাকা ফেরত চেয়ে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন কিছুদিন আগেই মাছ ব্যবসায়ীরা।

এবার বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন চাকরি প্রার্থীরা। সেই বিক্ষোভ থামানোর জন্য চাকরিপ্রার্থীদের টাকা ফেরতের দায়িত্ব নেন কোলাঘাট ১নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান।স্বত:প্রণোদিতভাবে এগিয়ে আসা এই উপপ্রধান নিজে দায়িত্ব নিয়ে চাকরিপ্রার্থীদের ৬৫ লক্ষ টাকার চেক প্রদান করেছিলেন। কিন্তু কোলাঘাট ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান মুজিবর তরফদারের এই উদ্যোগেও দুর্নীতি।

টাকা ফেরতের চেক পেয়ে উচ্ছ্বসিত চাকরি প্রার্থীরা ব্যাংকে ভাঙাতে গেলে দেখা যায়  চেক বাউন্স হয়েছে। ক্ষিপ্ত চাকরি প্রার্থীরা তমলুকের এসডিপিও-র কাছে উপপ্রধানের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে।

ঘটনা কি ঘটেছে?

চাকরিপ্রার্থীদের অভিযোগ পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নাম করে লক্ষ লক্ষ টাকা চাকরি প্রার্থীদের থেকে আত্মসাৎ করেছে পার্থ ঘনিষ্ঠ নেতা অতনু গুছাইত। টাকা ফেরতের দাবিতে তার বাড়িতে একাধিকবার যাওয়া হলেও দেখা মেলেনি অতনু গুছাইতের।

কোলাঘাট ১ নম্বর পঞ্চায়েত এলাকায় অতনু গুছাইতের একটি সুবিশাল বাড়িও রয়েছে। যদিও সে বাড়ি এখন তালা বন্দী। দীর্ঘদিন ধরেই অতনু গুছাইত পলাতক।

পলাতক অতনু গুছাইতের হয়ে কেন চাকরিপ্রার্থীদের টাকা ফেরত এর দায়িত্ব নিলেন কোলাঘাট ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান মুজিবর তরফদার? সে প্রশ্নই ঘুরে বেড়াচ্ছে কোলাঘাট অঞ্চলে।

উপপ্রধান কে নিয়ে প্রশ্ন

প্রশ্ন উঠছে তাহলে কি অতনু গুছাইতে অদৃশ্য পার্টনার ছিল মুজিবর তরফদার? ইতিমধ্যে কোলাঘাটের এসডিপিও চাকরিপ্রার্থীদের এই অভিযোগ নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে।।

বিজেপির অভিযোগ

বিজেপির তমলুক সাংগঠনিক জেলা সম্পাদক দেবব্রত পট্টনায়ক অভিযোগ করেছেন অতনু গুছাইতের সই করা চেক কিভাবে এলো উপপ্রধান এর কাছে তার তদন্ত আগে হওয়া উচিত। যেখানে অতনু গুছাইত দীর্ঘদিন ধরে ফেরার।

উপপ্রধান কি বলেছেন?

উপপ্রধান মুজিবর তরফদারের বক্তব্য বিষয়টি এক বছর আগের ঘটনা। তখন খবর পেয়ে আমি বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলি, তৎকালীন সময়ে অতনু গুছাইত এলাকায় ছিল ।তিনি তখন টাকা ফেরত এর জন্য চেক প্রদান করেছিলেন আমি শুধু মধ্যস্থতা করে দিয়েছিলাম।

উপপ্রধান মুজিবর তরফদার

উপপ্রধান দায় ভার নিজের কাঁধ থেকে ঝেড়ে ফেলতে চাইলেও কিছুটা হলেও দায়ভার তার উপর থেকে যায়। যেহেতু তিনি মধ্যস্থতা করেছিলেন। পুলিশ অতনু গুছাইতে সন্ধানে তল্লাশি চালাচ্ছে।

About Post Author