Home » নিজের জিভ কেটে দেবীকে নিবেদন করলেন ভক্ত

নিজের জিভ কেটে দেবীকে নিবেদন করলেন ভক্ত

সময় কলকাতা ডেস্ক : চড়কপুজোর অঙ্গ হিসেবে জ্বলন্ত অঙ্গারের ওপর দিয়ে হাঁটা তো আছেই আচার হিসেবে ভক্তের পিঠে, হাতে-পায়ে,জিভে(জিহ্বায়) বান শলাকা বিদ্ধ করা হয়। লোহার শলাকাও গায়ে ফুঁড়ে দেওয়া হয়।তাই বলে জিভ শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করে কখনও উৎসর্গ করা হয় না।
পশ্চিমবঙ্গে চড়ক পুজোর ঘটনা নয়।এবার এক মন্দিরে নিজের জিভ কেটে দেবীকে উৎসর্গ করলেন এক ভক্ত। অবিশ্বাস্য মনে হতে পারে কিন্তু এমনই নৃশংস মনস্কামনা পূর্ণ করার আচার ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের কৌশাম্বির মা শীতলার মন্দিরে।শনিবার মন্দির পরিক্রমা সেরে নিজের জিভ কেটে দেবীর সামনে সাজিয়ে রাখেন ওই যুবক। জিভ নিবেদন করেছেন যে ভক্ত সেই ৩৮ বছর বয়সী যুবক সম্পত কৌশাম্বির বাসিন্দা। পুলিশ জানিয়েছে, তাকে জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।

কারহাধাম থানার আধিকারিক অবিনাশ তিওয়ারি জানিয়েছেন,” সম্পত ও তার স্ত্রী বান্নো দেবী শনিবার
মন্দিরে এসেছিল যেখানে তারা স্নান সেরে পুজো করে।অতঃপর মন্দির পরিক্রমা করে সে ব্লেড দিয়ে নিজের জিভ কেটে মন্দিরের চৌকাঠে সাজিয়ে রাখে। ”

সম্পতের স্ত্রী বান্নো দেবী পুলিশকে জানিয়েছে, তার স্বামী শুক্রবার রাতেই মন্দির দর্শনের ইচ্ছে প্রকাশ করেছিল। যাই হোক না কেন, পুলিশ এখনও পর্যন্ত জিভ কেটে দেবীকে নিবেদনের মনোস্কামনার পেছনে পরিষ্কার কী কারণ আছে তা জানায় নি।

এরকম জিভ কাটার ঘটনা খবরের শিরোনামে অসার এটাই প্রথম নিদর্শন নয়। গত বছর অক্টোবর মাসে উত্তরপ্রদেশেই বাবেরু এলাকার ভাটি গ্রামে আত্মারাম নামে এক বাইশ বছরের যুবক প্রায় একইরকম ঘটনা ঘটিয়েছিল।নবরাত্রি উৎসব উপলক্ষ্যে এরকমভাবেই দেবতাকে জিভ কেটে নিবেদন করার পরে আত্মারামের বাবা বলেছিলেন তার পুত্র মানসিক ভাবে অসুস্থ।তবে শনিবারের ঘটনায় আহত সম্পতকে মানসিক ভারসাম্যহীন বলে কোনও তরফ থেকেই আখ্যা দেওয়া হয় নি।।

About Post Author