Home » ফের টেন্ডার দূর্নীতির অভিযোগ বরুই পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে

ফের টেন্ডার দূর্নীতির অভিযোগ বরুই পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে

সময় কলকাতা ডেস্কঃ মালদায় ভারপ্রাপ্ত প্রধানের বিরুদ্ধে দূর্নীতির অভিযোগ আনলেন দূর্নীতিতে অভিযুক্ত প্রাক্তন প্রধান। শাসক দলের বর্তমান ও প্রাক্তন প্রধানের মধ্যে কাদা ছোড়াছুড়িতে সরগরম মালদার রাজনীতি।

২০১৭ সালের বন্যা ত্রাণে কোটি টাকার কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত হয়েছিল মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুরের বরুই গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান ও অন্যান্যরা। আবার দূর্নীতির অভিযোগে বিদ্ধ হরিশ্চন্দ্রপুর ১ নম্বর ব্লক এলাকার বরুই গ্রাম পঞ্চায়েত। এবার তৃণমূলের ভারপ্রাপ্ত প্রধানের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুললেন তৃণমূলেরই ওই গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রাক্তন প্রধান। অভিযোগ ৫০ লক্ষ টাকার টেন্ডার দুর্নীতি করা হয়েছে ওই গ্রাম পঞ্চায়েতে। অভিযোগকারী বরুই গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রাক্তন প্রধান তথা ২০১৭ সালের বন্যা ত্রাণ কেলেঙ্কারিতে জামিনে মুক্তি পাওয়া সোনামনি সাহা। চলতি মাসে বরুই গ্রাম পঞ্চায়েতে বেশ কয়েকটি কাজের টেন্ডারের নোটিশ হয়।প্রাক্তন প্রধান সোনামনি সাহার অভিযোগ, এই টেন্ডার প্রক্রিয়াতে আনুমানিক ৫০ লক্ষ টাকার দুর্নীতি করা হয়েছে। বরুই পঞ্চায়েতের টেন্ডারের অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে ইতিমধ্যে হরিশচন্দ্রপুরের বিডিও এর দ্বারস্থ হয়েছেন তৃণমূলের সোনমনি সাহা ও সিপিএম সদস্য ফিরোজ আলম।

শাসক দল মালদায় লাগাম ছাড়া দূর্নীতির সঙ্গে যুক্ত বলে অভিযোগ বিজেপি নেতা রুপেশ আগরওয়ালের। বরুই গ্রাম পঞ্চায়েতের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শেখ মোস্তাক হোসেনের দাবি, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ মত ই –টেন্ডার করা হয়েছে। টেন্ডারে কোন রকম দুর্নীতি হয়নি।  কিছু কিছু জন-প্রতিনিধির অভিজ্ঞতার অভাব থাকায়, টেন্ডার নিয়ে অভিযোগ আসছে, দাবি মালদা জেলা তৃণমূল প্রাক্তন সভাপতি দুলাল সরকারের। পঞ্চায়েতের টেন্ডারের দূর্নীতির অভিযোগে নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে মালদা জেলা প্রশাসন।

About Post Author