Home » ভক্ত সমাগমের মধ্যে বেলুড় মঠে কুমারী পুজো

ভক্ত সমাগমের মধ্যে বেলুড় মঠে কুমারী পুজো

সময় কলকাতা ডেস্কঃ বেলুড় মঠে বিশুদ্ধ পঞ্জিকা মতে চিরাচরিত প্রথায় শুরু হল কুমারী পুজো ও মহাঅষ্টমীর সন্ধি পূজার অনুষ্ঠান। অতিমারির জন্য টানা দুবছর বেলুড় মঠে সাড়ম্বরে দুর্গাপুজো পালিত হয়নি। কার্যত ভক্তশুন্য মঠেই হয়েছিল দেবীর আরাধনা। তবে, এবার আর সেসব বিধিনিষেধ থাকছে না। কেননা করোনা আতঙ্ক কাটিয়ে ফের চেনা ছন্দে ফিরছে বেলুড় মঠের দুর্গাপুজো। পূর্ণার্থী ও ভক্ত সমাগমের মধ্যেই অনুষ্ঠিত হচ্ছে বেলুড় মঠে কুমারী পুজো। ইতিমধ্যেই বেলুড় মঠের দেবী দর্শনের জন্য দূরদূরান্ত থেকে অগণিত ভক্ত এবং দর্শকের আসা শুরু হয়ে গিয়েছে।
আজ অর্থাৎ সোমবার মহাঅষ্টমীতে মণ্ডপে মণ্ডপে চলছে অঞ্জলি দেওয়ার উপাচার। আর অষ্ঠমীর দিন সকাল থেকেই নিষ্ঠা ও ভক্তি সহকারে বৈদিক প্রথা মেনেই বেলুড় মঠে কুমারী পুজোর আয়োজন করা হয়েছে। ১৬ আশ্বিন ৩ অক্টোবর সোমবার মহাষ্টমী পুজো অনুষ্ঠিত হয় ভোর ৫:৩০ মিনিটে। এরপর সকাল ৯ টায় অনুষ্ঠিত হয় কুমারী পূজা। বিকাল ৪:১৪ মিনিট থেকে ৫:০২ মিনিট পর্যন্ত চলবে সন্ধিপুজা।
প্রথা মেনে জন্মাষ্টমীর পুণ্য তিথিতে কাঠামো পুজোর মধ্য দিয়ে বেলুড় মঠে দুর্গাপুজোর সূচনা হয়ে গিয়েছে। প্রতিবছর দুর্গা প্রতিমার বিসর্জনের পরই কাঠামো তুলে এনে রাখা হয়। তারপর জন্মাষ্টমীর দিন থেকেই পুজো করা হয় সেই কাঠামো। এ বছর দুর্গাপুজোর মণ্ডপ আগের মতো বাইরেই তৈরি করা হয়েছে।
১৯০১ সালে বেলুড় মঠে কুমারী পুজোর সূচনা করেছিলেন স্বামী বিবেকানন্দ। মা সারদার উপস্থিতিতে শঙ্খ, বাদ্য, অর্ঘ, বলয় ও বস্ত্রাদি সহযোগে নয় জন কুমারীকে পুজো করেছিলেন তিনি। আর সেই রীতি মেনে আজও সেখানে প্রতি বছর অষ্টমীতে কুমারী পুজোর আয়োজন করা হয়ে থাকে। বেলুড় মঠে কুমারী পুজো বিখ্যাত। এখানকার কুমারী পুজোর সঙ্গে অনেক ইতিহাস এবং মাহাত্ম্য জড়িয়ে রয়েছে। শ্রীরামকৃষ্ণের ভাবনা থেকেই বেলুড় মঠে কুমারী পুজোর সূচনা হয়েছিল।

About Post Author