সময় কলকাতা ডেস্কঃ ফের শহরে ডেঙ্গিতে মৃত্যু। এবার বরাহনগর পুর এলাকায় ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল ৬৪ বছরের এক বৃদ্ধার। বরাহনগর পুরসভার ১৬ নং ওয়ার্ডের এ কে মুখার্জি রোডের বাসিন্দা ডোরা মুখার্জি কয়েকদিন ধরেই জ্বরে আক্রান্ত ছিলেন। গতকাল রাতে তার মৃত্যু হয়। এলাকাবাসীর দাবি, এলাকা ঠিকমতো পরিষ্কার হয় না মাঝে মাঝে পরিষ্কার হয় এলাকায় অনেকেই ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়ে আছে। জঞ্জাল আছে সেটাও পরিষ্কার হয় না বলেও অভিযোগ স্থানীয়দের।

গত এক সপ্তাহ ধরে রাজ্যে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক ডেঙ্গি আক্রান্তের হদিশ পাওয়া গিয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা জেলায়। তার মধ্যে বিধাননগর পুর এলাকাতেই ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা সর্বাধিক। অন্যদিকে দক্ষিণ দমদমে এই মুহূর্তে ডেঙ্গিতে আক্রান্তের সংখ্যা ১৩৭। দৈনিক গড়ে ১২-১৫ জন ডেঙ্গি আক্রান্ত হচ্ছেন বলেই পুরসভা সূত্রের খবর। এই পরিস্থিতিতে ডেঙ্গি মোকাবিলায় বিধাননগর ও দক্ষিণ দমদম পুরনিগমকে ইতিমধ্যেই একগুচ্ছ নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য ভবন। গত ৩১ আগস্ট পর্যন্ত বিধাননগর পুরনিগম এলাকায় ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১৯৩। যা এখন বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১২২০। যদিও বিধাননগরের বাসিন্দাদের একাংশের অভিযোগ, বিধাননগরের অধিকাংশ ব্লকের পার্কেরই বেহাল অবস্থা। পার্কের মধ্যে জল জমে রয়েছে। শুধু তাই নয়, বেশ কয়েকটি পার্কের ফোয়ারাগুলি দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহার না হওয়ায় কারণে সেখানে মশার লার্ভা জন্মাচ্ছে।
স্বাস্থ্য ভবনের তরফে ইতিমধ্যেই ফাঁকা জমি ও দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ অবস্থায় থাকা বাড়িগুলিতে নজরদারি বাড়াতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি বিধাননগর পুরনিগমের তিনটি হাসপাতালে বেডের সংখ্যাও বাড়াতে বলা হয়েছে। অন্যদিকে ফের একবার স্বাস্থ্য ভবনের কর্তারা ড্রোন উড়িয়ে খালগুলিতে জীবাণুনাশক স্প্রে করার কথাও মনে করিয়ে দিয়েছেন। এছাড়াও কালীপুজো প্যান্ডেলগুলির উপরেও বিশেষ নজর দিতে বলা হয়েছে স্বাস্থ্য ভবনের তরফে। সূত্রের খবর,কলকাতায় এখনও পর্যন্ত বন্ধ অবস্থায় থাকা ১৮০টি বাড়িতে পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে তালা ভেঙে ঢুকে পুরকর্মীরা সাফাই করেছেন।


More Stories
ঋতব্রত সন্দীপনের বহিষ্কারের চিঠিতে কী কী লেখা হয়েছে?
বঙ্গে পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভার গঠন
অভিষেক নিগ্রহ পর্ব : আদতে হয়েছিল কী? বিভিন্ন রাজনৈতিক মহল, নেতা-নেত্রীরা কী বলছেন!