Home » নবান্নে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং নিয়ে বৈঠক

নবান্নে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং নিয়ে বৈঠক

সময় কলকাতা ডেস্কঃ ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং নিয়ে শুক্রবার নবান্নে সমস্ত দপ্তরের সচিবদের সঙ্গে বৈঠকে করলেন মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিদেবী। এদিনের এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণের জেলাগুলির জেলা শাসক ও পুলিশ সুপাররাও। যদিও ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের গতিবেগ কত হতে পারে এবং ঠিক কোথায় আছড়ে পড়বে,তা এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি। তবে পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশ উপকূলে আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এদিনের বৈঠকে গোটা পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য ২০ টি এসডিআরএফ ও ১৫ টি এনডিআরএফ দলকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছে মুখ্যসচিব।
২০ অক্টোবরের মধ্যে ভারতের একাধিক উপকুলবর্তী রাজ্যে সুপার সাইক্লোন সিত্রাং আঘাত হানতে পারে বলে মনে করছে হাওয়া অফিস। যদিও এই নিয়ে এখনও পর্যন্ত দিল্লির মৌসম ভবন কিংবা আলিপুর আবহাওয়া দফতর স্পষ্টভাবে কিছু জানায়নি। ঘণ্টায় ৭০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের সম্ভাবনা রয়েছে।


বৃহস্পতিবার এই নিম্নচাপ ক্রমশ পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিকে এগোবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। যা শুক্রবার সুস্পষ্ট নিম্নচাপ এবং শনিবার গভীর নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে বলে আশঙ্কা। পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগরে যা ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে বলে অনুমান আবহাওয়াবিদদের। ঘূর্ণিঝড়ের গতিপ্রকৃতি কোন দিকে হবে তা নজর রাখছেন আবহাওয়াবিদরা। ঘূর্ণিঝড়ের অভিমুখের উপরই নির্ভর করবে, বাংলায় তার প্রভাব কতটা পড়বে। প্রশাসনের তরফে সমস্তরকমের সতর্কতামূলক ব্য বস্থা নেওয়া হয়েছে। বুধবার এবিষয়ে নবান্নে একটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের তরফে দক্ষিণবঙ্গের সমস্ত জেলাশাসককে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

এই ঘূর্ণাবর্তের জেরে উপকূলের জেলাগুলিতে মেঘলা আকাশ ও হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, কলকাতা পূর্ব মেদিনীপুর ও পশ্চিম মেদিনীপুর এই জেলাগুলিতে হালকা বৃষ্টি হতে পারে বলে অনুমান হাওয়া অফিসের। অপরদিকে, উত্তরবঙ্গ থেকে বর্ষা বিদায় নিয়েছে। দক্ষিণবঙ্গেও বর্ষা বিদায় নেবে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে। আগামী কয়েকদিন রাজ্যে শুষ্ক আবহাওয়া বজায় থাকবে ।

About Post Author