Home » মাঙ্কিপক্সের নাম পরিবর্তন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা-র

মাঙ্কিপক্সের নাম পরিবর্তন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা-র

সময় কলকাতা ডেস্কঃ এবার নাম পরিবর্তন হতে চলেছে মাঙ্কিপক্সের। চলতি সপ্তাহেই মাঙ্কিপক্সের নতুন নাম ‘এমপক্স’ ঘোষণা করতে পারে ‘হু’। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা-র তরফে জানা গিয়েছে,মার্কিন প্রশাসনের ক্রমাগত চাপের ফলেই এই নাম পরিবর্তন করা হচ্ছে। মাঙ্কিপক্সের নাম পরিবর্তনের জন্য ব্যক্তিগতভাবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা-কে একাধিকবার অনুরোধ করেছিলেন বাইডেন প্রশাসন। যদিও এর আগে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা ভাইরাসটির নাম পরিবর্তনের আহ্বান জানিয়েছিলেন। তারা যুক্তি দিয়েছিলেন যে মাঙ্কিপক্স নামের সঙ্গে বর্ণবিদ্বেষমূলক সম্পর্ক জড়িত রয়েছে, তাই এই ভাইরাসটিকে মাঙ্কিপক্স বলা ঠিক নয়।
চলতি বছরেই অতিমারী করোনার রেশ কাটতে না কাটতেই থাবা বসিয়েছিল মাঙ্কি পক্স। আর এই মাঙ্কি পক্সকে ঘিরেই আতঙ্ক ক্রমশ ছড়াচ্ছিল সারা বিশ্বে। ব্রিটেন,পর্তুগাল,স্পেন,বেলজিয়ামের মতো ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়িয়েছিল এই ভাইরাস। এই তালিকা থেকে বাদ যায়নি ভারতও। ব্রিটেনের স্বাস্থ্য দপ্তরের পক্ষ থেকে সমকামী ও উভকামীদের মাঙ্কি পক্সকে ঘিরে সতর্ক করা হয়েছিল।


উল্লেখ্য,সমকামী ও উভকামী পুরুষদের যৌন চক্র থেকেই এই ভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়েছে বলেই ব্রিটেনের স্বাস্থ্য বিভাগের আশঙ্কা। সমকামী বা উভকামীদের অধিকাংশই এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে সমকামী পুরুষদের খুব সতর্ক থাকার পরামর্শও দিয়েছিলেন বিশেষজ্ঞরা। নাক, মুখ ও চোখের পাশাপাশি আক্রান্তের পোশাক থেকেও এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে পারে বলেই অনুমান করছেন বিশেষজ্ঞরা। এই ভাইরাসটি গুটিবসন্তের মতো হলেও এই রোগের চিকিৎসা পদ্ধতি বিশেষজ্ঞদের অজানা। তবে এই বিরল ভাইরাসের সংক্রমণে মৃত্যু না হলেও তিনসপ্তাহ ধরে জ্বর, গলা ব্যথা প্রভৃতি উপসর্গ দেখা যাচ্ছিল। তবে এই নয়া ভাইরাসের হাত থেকে ঠিক কিভাবে রক্ষা পাওয়া সম্ভব তা নিয়ে জরুরী বৈঠকও ডেকেছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। মাঙ্কিপক্স, সাধারণত বেশিরভাগ পশ্চিম এবং মধ্য আফ্রিকায় দেখা যায়। এটি প্রথম ১৯৭০-এর দশকে কঙ্গোতে দেখা গিয়েছিল। এই মাঙ্কি পক্স ভাইরাসের দুটি প্রধান ভ্যারিয়ান্ট আছে। কঙ্গো স্ট্রেনের মৃত্যুহার ১০% এবং পশ্চিম আফ্রিকান স্ট্রেনের মৃত্যুহার ১%।

About Post Author