সময় কলকাতা ডেস্কঃ বৃহস্পতিবার গুজরাট এবং হিমাচল প্রদেশ বিধানসভা ভোটের ফলপ্রকাশ। সকাল আটটা থেকে সর্বত্র ভোট গণনা শুরু হয়েছে।৬৮ বিশিষ্ট হিমাচল প্রদেশের ভোট হয়েছে নভেম্বর মাসে। এদিকে, ১৮২ আসন বিশিষ্ট গুজরাট বিধানসভার ভোট হয় দুই দফায়, ১ এবং ৫ ডিসেম্বর। হিমাচল প্রদেশ এবং গুজরাট, দুই রাজ্যেই বিজেপিই ক্ষমতায় ছিল। হিমাচল প্রদেশে একবার বিজেপি, একবার কংগ্রেস ক্ষমতায় আসে। সেই ট্র্যাডিশনই এবারও বজায় থাকবে কি না, তা নিয়ে চর্চা রয়েছে।
এদিকে, গুজরাটে গত ২৭ বছর ধরে একটানা ক্ষমতায় বিজেপি। বিভিন্ন বুথ ফেরত সমীক্ষায় হিমাচল প্রদেশে বিজেপি এবং কংগ্রেসকে কাছাকাছি আসন দেওয়া হয়েছে। সেই সমীক্ষা অনুযায়ী যে দলই জিতবে, খুব কম আসনের ব্যবধান থাকবে। এদিকে, আম আদমি পার্টি অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছে বলে সমীক্ষার পূর্বাভাস। যদিও গুজরাটে বুথ ফেরত সমীক্ষায় বিজেপিকে অনেকটাই এগিয়ে রাখা হয়েছে। সেখানে কংগ্রেস দ্বিতীয় এবং আপ তৃতীয় স্থানে থাকবে বলে সমীক্ষাগুলির ইঙ্গিত। গুজরাটে ২০১৭ সালের বিধানসভা ভোটের তুলনায় প্রায় ৫ শতাংশ কম ভোট পড়েছে এবারের নির্বাচনে। চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনের আগে এই দুই রাজ্যে প্রেস্টিজ ফাইট সব দলেরই।

উল্লেখ্য,২৪ এর লোকসভা নির্বাচনের আগে গুজরাটের নির্বাচন স্বাভাবিকভাবেই মোদি-শাহের অগ্নিপরীক্ষা। গুজরাটে বিজেপি টানা ২৭ বছর ক্ষমতায় রয়েছে। এরমধ্যে ১৪ বছর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন মোদি। তিনি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর এই আট বছরে দল ও সরকারের কাজ বার বার প্রশ্নের মুখে পড়েছে। যদিও, প্রতিবারই পরিস্থিতি সামলে দিয়েছেন মোদি-শাহ। মূলত, বিজেপি-কংগ্রেস দ্বিমুখী লড়াই হলেও এবার ভোট প্রচারে বেশ চমক দেখিয়েছে আম আদমি পার্টিও। যদিও ২০১৮-র নির্বাচনে ভাল ফল করেছিল কংগ্রেস। মোট ৭৭টি আসনে জিতেছিল তাঁরা। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল এবারের ভোটে গুজরাটে প্রচার করেননি ওয়ানাডের কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী।


More Stories
নীতিশ জমানা শেষ, বিহারের সম্রাট নতুন মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর বুলডোজার মডেল
আশা ভোঁসলের হার্ট অ্যাটাক
মোদি ও বিজেপিকে খোঁচা : আগাম জামিন পেলেন নিয়ে নেহা সিং রাঠোর