সময় কলকাতা ডেস্ক,১৯ জানুয়ারিঃ ভারতে জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবার বিস্ফোরক চেহারা নিতে চলেছে। এই কথা বলছে নানান সমীক্ষা। অন্যদিকে ডুয়ার্সে বন্য প্রানীও বেড়ে চলেছে।আর তার জেরে প্রতিনিয়ত বাড়ছে মানুষ ও বন্যপ্রানীর সংঘাত। তার মধ্যে হাতির উৎপাতে নাজেহাল ডুয়ার্সের বাসিন্দারা।

জঙ্গল কেটে সভ্যতার অগ্রগতি হয়েছে। পৃথিবীতে মানুষের রাজত্ব বাঁচাতে জঙ্গল ও তার বাস্তুতন্ত্র বাঁচিয়ে রাখা আরও বেশী জরুরি। কিন্তু বন্য প্রানী ও মানুষের সংঘাত ক্রমশ বাড়ছে পশ্চিমবঙ্গের তরাই অঞ্চলে। এই বনাঞ্চলের জলপাইগুড়ি জেলায় ডুয়ার্স বনাঞ্চলে নানান প্রান্ত শীতের সন্ধ্যায় হাতির তান্ডবে অতিষ্ট বাসিন্দারা। তাঁদের দাবি, সন্ধ্যা থেকে ভোর পর্যন্ত হাতি এসে ফসলের ক্ষতি করছে। আবার বাড়ি ঘর সব ভেঙে দিচ্ছে। এমন কি হাতির হানায় প্রাণহানির আশঙ্কাও করছেন স্থানীয়রা। তাঁদের অভিযোগ, হাতির উৎপাত থেকে মুক্তি পেতে বনকর্মীদের ফোন করলে মেলে না সাহায্য।

ডুয়ার্সের হাতি বিশারদ পার্বতী বড়ুয়ার দাবি, মানুষকে সহ অবস্থান শিখতে হবে। জঙ্গলের মধ্যে বাস করতে গেলে হাতির উপদ্রপ থাকবেই। হাতি বা অন্যান্য বন্যপ্রানী মানুষকে মারতে বের হয় না খাবারের খোঁজে তারা লোকালয়ে চলে আসে। জলপাইগুড়ির বনকর্তাদের দাবি, জঙ্গলে আরও গাছ লাগানোর প্রয়োজন আছে। সেই সঙ্গে বনদপ্তরের কর্মীও বাড়ানো প্রয়োজন। সেই কথা তারা দপ্তরের বড় কর্তাদের জানিয়েছেন। তবে মানুষের পাশাপাশি জঙ্গলে হাতির সংখ্যা বেড়ে যাওয়াতে সমস্যা বেড়েছে বলে তিনি স্বীকার করে নিয়েছেন। বন্য ও মনুষ্যের সংঘাত চিরদিনের। সরকারের সুপরিকল্পনা কমাতে পারে এই সংঘাত। তবেই একটু শান্তিতে বাঁচতে পারবে এই অঞ্চলের বাসিন্দারা।


More Stories
মোথাবাড়ি কাণ্ডের অশান্তির নেপথ্য “খলনায়ক” মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার কিসের ইঙ্গিত?
বকেয়া ডিএ-র সুখবর : কবে টাকা পাবেন সরকারি কর্মী ও পেনশনভোগীরা?
এবারের ভোট বাংলার আত্মাকে রক্ষা করার লড়াই, ব্রিগেডে বললেন প্রধানমন্ত্রী