সময় কলকাতা ডেস্ক,৬ জানুয়ারি: নারীদের সাজে পূর্ণতা আনতে যে প্রসাধনীটি না হলেই নয়, সেটি হচ্ছে লিপস্টিক। ঠোঁটকে আকর্ষণীয় ও মোহময়ী করে তোলার জন্য লিপস্টিকের তুলনা নেই। এককথায় বলা যেতে পারে লিপস্টিক ঠোঁটের অলংকার। কিন্তু ঠোঁটের শোভা বাড়ালেও, লিপস্টিকের রয়েছে কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া। কয়েকটি ক্ষতিকারক উপাদান রয়েছে লিপস্টিকে। তবে তা খুব সামান্য মাত্রার হলেও প্রতিদিন লিপস্টিক ব্যবহার করলে এই উপাদানগুলো থেকেই ঠোঁটের ত্বকে নানারকম সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই লিপস্টিক লাগানোর আগে ও পরে নিতে হবে একটু বাড়তি সতর্কতা। আর করতে হবে ঠোঁটের নিয়মিত যত্ন।

দেখে নিন ঠোঁটে লিপস্টিক লাগানোর ক্ষেত্রে কিছু সতর্কতা-
১.লিপস্টিক লাগানোর আগে ঠোঁটে ভালো করে ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিলে এটি লিপস্টিকের ক্ষতিকারক প্রভাব থেকে অনেকটাই ঠোঁটকে রক্ষা করবে।
২.ত্বকের ধরনের সঙ্গে কোন রং ব্যবহার করা যাবে, তা দেখে নিন। ভালো ব্র্যান্ডের রেগুলার রং থেকে পছন্দ করুন। এমন একটি রং বেছে নিন, যা আপনার ঠোঁটের ন্যাচারাল টোনের সঙ্গে মিশে যায়।

৩.ম্যাট এবং লং লাস্টিং লিপস্টিক যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলুন।
৪.তাড়াতাড়ি যেসব লিপস্টিক তুলে ফেলা যায় না- তা না লাগানোই ভালো।

৫.ঘরে ফিরেই লিপস্টিক তুলে ফেলুন। তারপর ঠোঁটে ভ্যাসলিন লাগিয়ে নিন।
৬.ঠোঁট থেকে চামড়া উঠলে বা ঠোঁট শুকিয়ে গেলে সেই লিপস্টিক ব্যবহার বন্ধ করে দিন।

৭.গাঢ় রঙের লিপস্টিক এড়িয়ে চলাই ভালো।
৮.লিপস্টিক লাগানোর পর ঠোঁট জিভ দিয়ে চাটা উচিত নয়।

৯.খাবার সময় লিপস্টিক তুলে ফেলা উচিত।
১০.প্রতিদিন লিপস্টিক লাগানো ঠিক নয়। দিনে দুই বারের বেশি লিপস্টিক ব্যবহার না করার চেষ্টা করতে হবে।


More Stories
বাংলা নববর্ষের ইতিহাস
আরেক অভিনেতা প্রণবের অকালপ্রয়াণ
বেজি কি সাপের বিষে কাবু হয় না?