Home » বইমেলার কিশোর ভারতী সন্ধ্যা

বইমেলার কিশোর ভারতী সন্ধ্যা

সময় কলকাতা ডেস্ক, ৭ ফেব্রুয়ারি: কিশোর ভারতী ৫০ পেরিয়েছে, পা রেখেছে পরিপূর্ণতায়। দীনেশচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের হাতে গড়া শিশু পেয়েছে পূর্ণ অবয়ব। আর এবছর কলকাতা বইমেলায় এসবিআই অডিটোরিয়ামে ভিড়ে ঠাসা দর্শক-শ্রোতাদের সামনে সান্ধ্যকালীন অনুষ্ঠানে একে একে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়েছে হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত, ইন্দ্রনীল সান্যাল, নচিকেতা মাহাতো কবি তন্ময় চক্রবর্তী মত সাহিত্যিক ও শিল্পীদের হাতে। যারা সম্মান পেলেন তাঁদের মধ্যে হিমাদ্রি কিশোর দাসগুপ্ত এদিনের অনুষ্ঠানের ফাঁকে তাঁর ভাবনা জানালেন সময় কলকাতাকে। বললেন পুরস্কার বাড়ায় দায়বদ্ধতা। পুরস্কার প্রাপক ইন্দ্রনীল সান্যাল জানালেন,বড়দের লেখা লিখতেই বেশি ভালোবাসেন। একইসঙ্গে জানালেন পুরস্কারের প্রতি নিজের স্পৃহার কথাও।


এদিন পুরস্কার তুলে দিলেন যারা, তারা শুধুমাত্র দিকপাল লেখক নন,তাঁরা শুধু যশস্বী নন, তাঁরা দিশা দেখিয়েছেন আধুনিক প্রজন্ম ও বাংলা সাহিত্য কে। সন্ধ্যার অনুষ্ঠানের মুগ্ধতা গায়ে মেখে নিলেন উপস্থিত দর্শক-শ্রোতা। বিদগ্ধ শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় ও সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়ের রস স্নিগ্ধ বক্তব্য ভাগ করে নিলেন অডিটোরিয়ামের প্রতিটি মানুষ। বিভিন্ন বই প্রকাশের ফাঁকে উঠে এল অনীশ দেবের মত অকালপ্রয়াত কৃতি সাহিত্যিকের কথা।

অনুষ্ঠান শেষে অন্যতম পুরস্কার প্রাপক এবং ইতিমধ্যে সাহিত্যের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে ওঠা হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত তাঁর স্বভাবসিদ্ধ স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিলেন লেখার কথা সময় বিচার করবে। প্রাপ্ত মনস্কদের জন্য বই লেখার পাশাপাশি, শিশুদের ক্ষেত্রে বই লেখায় অত্যন্ত দক্ষ হিমাদ্রি কিশোর জানিয়ে দিলেন ভালো লেখায় তৃপ্তির ক্ষেত্রে তাঁর কাছে ভালো লেখাই মূল বিবেচ্য, কোন বয়সের পাঠকের জন্য লিখছেন তা গৌণ।


পাঠককে সমৃদ্ধ করে এমন পুস্তক আর দর্শককে মুগ্ধ করে এমন শিল্প যারা উপহার দিয়ে থাকেন, তাদের জন্য সংবর্ধনার আয়োজনে ত্রুটি রাখেননি। বর্তমানে পত্র ভারতী ও কিশোর ভারতীর প্রাণপুরুষ ত্রিদিব কুমার চট্টোপাধ্যায় ও তাঁর সহযাত্রিণী চুমকি চট্টোপাধ্যায়। বইমেলার বই কেনার ফাঁকে পাঠকের বাড়তি প্রাপ্তি হয়ে থাকল এবারের বইমেলায় এস বি অডিটোরিয়ামের অবিস্মরণীয় একটি মনোজ্ঞ সন্ধ্যা।

About Post Author