সময় কলকাতা ডেস্ক,৪ মার্চঃ এবার থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনে হুক্কাবার নিষিদ্ধ করতে নয়া আইন আনতে চলেছে রাজ্য সরকার। শনিবার কলকাতা পুরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছেন,‘তামাকজাত দ্রব্য নিয়ে যেমন আইন রয়েছে,ঠিক তেমনই হুক্কা নিয়েও নির্দিষ্ট আইন আনতে চলেছে রাজ্য সরকার। নইলে আগামী দিনে হলিতে-গলিতে হুক্কাবার হুকা বার দেখা যাবে।’ অন্যদিকে,মধ্যপ্রদেশের ক্যাবিনেট বৈঠকেও জারি হয়েছে নতুন আবগারি নীতি। যেখানে বলা হয়েছে,শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান,মেয়েদের হোস্টেল এবং ধর্মীয় স্থান থেকে ১০০ মিটারের মধ্যে কোনও মদের দোকান থাকবে না। কার্যত রাজ্যে মদ্যপান কমাতেই মধ্যপ্রদেশ মন্ত্রিসভার তরফে আগামী এপ্রিল মাস থেকে এই নয়া নিয়ম চালু করা হচ্ছে। যদিও সরকারের তরফে এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কিছুই ঘোষণা করা হয়নি।

এদিকে,বুধবারই কলকাতা এবং বিধাননগরের হুক্কাবারগুলি চালু রাখা নিয়ে সিঙ্গল বেঞ্চের রায়ে স্থগিতাদেশ দেয়নি কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। বুধবার এই সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশই বহাল রাখে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। তিন সপ্তাহের মধ্যে কলকাতা পুরসভাকে এই ব্যাপারে যাবতীয় নথি জমা দিতে বলা হয়েছে। এই মামলার পরবর্তী শুনানি ৬ সপ্তাহ পর বলেই সূত্রের খবর।

প্রসঙ্গত,গত বছর ডিসেম্বর মাসেই কলকাতা ও বিধাননগর এলাকার সব হুক্কাবার বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম। পুলিশকে এই নির্দেশ কার্যকর করতে বলা হয়েছিল। সেই নির্দেশের বিরুদ্ধে হস্তক্ষেপ দাবি করে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল অ্যাসোসিয়েশন অফ রেস্টুরেন্ট। তাদের বক্তব্য ছিল, পুর আইনে কোথাও হুক্কা বার বন্ধ করার কথা বলা নেই। সেক্ষেত্রে কেন পুরসভার অর্ডার দেখাচ্ছে পুলিশ? যদিও হুক্কাবার চালু রাখার নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা। বিচারপতি মান্থার সিঙ্গল বেঞ্চ রায় দিয়েছিল, যেহেতু এই বিষয়ে রাজ্যের কোনও আইন নেই, তাই কলকাতা এবং বিধাননগরের কোনও হুক্কাবার বন্ধ রাখা যাবে না। এরপরই রাজাশেখর মান্থার সিঙ্গল বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে মামলা দায়ের করেছিল কলকাতা পুরসভা।


More Stories
“রাজনৈতিক প্রতিহিংসা “, জামিনের আবেদন সুজিত বসুর
কার্যত ভুল স্বীকার করে নিলেন অভিষেক, সুর নরম কল্যাণের, অভিষেক – কল্যাণ বিবাদ মিটল!
“কংগ্রেসের হাত-ছাড়া ভুল ছিল”, বিস্ফোরক অনুব্রত দুষছেন আইপ্যাককে