সময় কলকাতা ডেস্ক,২১ মার্চঃ অবশেষে তিহার জেলে ঠাঁই অনুব্রতর। দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালতের অনুব্রতকে ১৩ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে। গরু পাচারকাণ্ডের তদন্তে গত ৭ মার্চ অনুব্রতকে দিল্লি নিয়ে গিয়েছিলেন ইডি। তারপর থেকে ইডি হেফাজতেই ছিলেন অনুব্রত মণ্ডল। এই একই মামলায় গ্রেফতারির পর তিহাড় জেলে বন্দি রয়েছেন অনুব্রতর প্রাক্তন দেহরক্ষী সায়গল হোসেন ও হিসাবরক্ষক মণীশ কোঠারিও। দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালত অনুব্রতকে ৩ এপ্রিল ফের আদালতে হাজির করানোর নির্দেশ দিয়েছে। সূত্রের খবর,ওই দিনই অনুব্রতর সঙ্গে তাঁর হিসাবরক্ষক মণীশ কোঠারিকেও আদালতে পেশ করা হবে। এদিন অনুব্রত নিজের ওষুধপত্র সঙ্গে রাখার জন্য আবেদন জানান আদালতে। এরপরই আদালত জানান, প্রেসক্রিপশনে যে ওষুধগুলির উল্লেখ রয়েছে শুধুমাত্র সেগুলিই সঙ্গে রাখতে পারবে অনুব্রত। এমনকী জেল হাসপাতালে চিকিৎসাও করাতে পারবেন।

আরও পড়ুন সন্ধ্যার আড্ডা জমজমাট, বানিয়ে ফেলুন চিকেন পাফ
এদিকে,বুধবারের পর ফের সোমবারও স্বভাবসিদ্ধ ভাবে ইডি-র হাজিরা এড়িয়ে গেলেন কেষ্ট-কন্যা সুকন্যা মণ্ডল। এই নিয়ে দ্বিতীয়বার হাজিরা এড়ালেন সুকন্যা। সুকন্যা মণ্ডল হাজিরা না দিলে তাঁর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলেই বার্তা দিয়েছেন তদন্তকারীরা। সুকন্যা ছাড়াও গরু পাচার মামলায় দিল্লিতে ইডি-র সদর দফতরে তলব করা হয়েছিল অনুব্রত কন্যার গাড়ির চালক, তৃণমূলের ছাত্র নেতা কৃপাময় ঘোষ, অনুব্রত ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত সিদ্ধার্থ মণ্ডল ও সঞ্জীব মজুমদারকেও। এর আগে বুধবারই ইডি-র সদর দপ্তরে হাজিরা দেওয়ার কথা ছিল কেষ্ট-কন্যা সুকন্যা মণ্ডলের। কিন্তু স্বভাবসিদ্ধ ভাবে এদিনও শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে হাজিরা এড়িয়ে যান সুকন্যা। যা নিয়ে শুরু হয়েছিল জোর জল্পনা।

আরও পড়ুন সুপার কাপেই কী লাল-হলুদে শেষ সুযোগ কনস্ট্যানটাইনের?
উল্লখ্যে,গরু পাচার মামলায় অনুব্রত মণ্ডল গ্রেফতার হওয়ার পরই অনুব্রতর সম্পত্তির খোঁজে তল্লাশি করতেই উঠে আসে তাঁর মেয়ে সুকন্যা মণ্ডলের নাম। তাঁর নামে একাধিক সম্পত্তি ও কোম্পানির হদিশ মেলে। এছাড়াও সামনে আসে বোলপুরে কোটি কোটি টাকার জমির পাশাপাশি তৃণমূল নেতার একাধিক রাইস মিলের একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য। পেশায় একজন শিক্ষিকা হয়ে কি করে এত সম্পত্তির মালিক হলেন সুকন্যা, তা জানতেই অনুব্রত মণ্ডলের গ্রেফতারির পর সুকন্যাকে দিল্লিতে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল ইডি। কিন্তু সেসময় তিনি জানিয়েছিলেন, এই সব বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তাঁর বাবা ও হিসাবরক্ষকের কাছেই রয়েছে। কার্যত সেকারণেই এবার তিন জনকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করতে চান ইডি। যেহেতু,আগামী ২১ মার্চ অনুব্রতর ইডি হেফাজত শেষ হবে। তাই ২০ মার্চের মধ্যেই তাঁর মেয়েকে দিল্লিকে ফের তলব করা হয়েছে।


More Stories
আই-প্যাকের ডিরেক্টর ভিনেশ চান্দেলকে গ্রেফতার করল ইডি
মোথাবাড়ি কাণ্ডের অশান্তির নেপথ্য “খলনায়ক” মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার কিসের ইঙ্গিত?
কেন ফুল বদলালেন লিয়েন্ডার পেজ?