Home » নিশীথ প্রামাণিকের কনভয়ে হামলার ঘটনায় কলকাতা হাইকোর্টে দ্বারস্থ সিবিআই

নিশীথ প্রামাণিকের কনভয়ে হামলার ঘটনায় কলকাতা হাইকোর্টে দ্বারস্থ সিবিআই

সময় কলকাতা ডেস্ক,৩০ মার্চঃ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের কনভয়ে হামলার ঘটনার তদন্তে পুলিশি অসহযোগিতার অভিযোগে এবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হল সিবিআই। সিবিআইয়ের দাবি,ওই মামলার নথিতে কোনওরকম হস্তান্তর করছে না কোচবিহার জেলা পুলিশ। যদিও হাইকোর্টের নির্দেশে সুপ্রিম কোর্ট এখনও পর্যন্ত কোনও স্থগিতাদেশ দেয়নি। এদিকে,গত মঙ্গলবারই নিশীথ প্রামাণিকের কনভয়ে হামলার ঘটনার তদন্তভার দেওয়া হয় সিবিআইকে। ওইদিন মামলার শুনানি চলছিল প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তবের ডিভিশন বেঞ্চে। ঘটনার দিন কী ঘটেছিল, সেই নিয়ে রাজ্যের কাছে রিপোর্ট চেয়েছিল আদালত।  এদিন এই মামলার শুনানিতে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ বলে, ‘কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর কনভয়ে হামলার ঘটনায় বৃহত্তর ষড়যন্ত্র থাকতে পারে। সেই জন্য আদালত চায় নিরপেক্ষ কোনও এজেন্সি এই ঘটনার তদন্ত করুক। সেই জন্যই তদন্তভার সিবিআইয়ের হাতে হস্তান্তর করা হচ্ছে।’

আরও পড়ুন    পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে ফের সুপ্রিম কোর্টে দারস্থ শুভেন্দু অধিকারী!


উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর কনভয়ে হামলার ঘটনায় উত্তাল হয় রাজ্য রাজনীতি। নিশীথ প্রামাণিকের কনভয়ে হামলার ঘটনায় বিজেপিকে অভিযুক্ত করে গত ২৩ মার্চ কলকাতা হাইকোর্টে রিপোর্ট পেশ করেছিল কোচবিহার পুলিশ। কোচবিহারের পুলিশ সুপারের রিপোর্টে বিজেপি কর্মীদেরকে ঘটনার জন্য দায়ী করা হয়। ওইদিন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হয়। ওইদিনই বিচারপতি মান্থার এজলাসে মামলা করেন কোচবিহারের ২৩ জন বিজেপি সমর্থক। এমনকী পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেও সিবিআই তদন্তের দাবিতে কলকাতা হাই কোর্টে মামলা করে বিজেপি।


প্রসঙ্গত,গত ফেব্রুয়ারি মাসেই কোচবিহারের দিনহাটায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের কনভয়ে হামলার ঘটনাটি ঘটে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রীর কনভয় লক্ষ্য করে বোমা, গুলি ও পাথর ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তোলে বিজেপি। পাল্টা বুড়িরহাট বাজারে তৃণমূলের একটি পার্টি অফিসে হামলা চালায় বিজেপি সমর্থকরা।

আরও পড়ুন    জিতেন্দ্র তিওয়ারির শারীরিক অবস্থার অবনতি!

অন্যদিকে বিজেপিই প্রথমে হামলা চালায় বলে পাল্টা অভিযোগ করেন রাজ্যের মন্ত্রী উদয়ন গুহ। রাজ্যে ৩৫৫ ধারা জারির দাবি তোলে রাজ্য বিজেপি। রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার থেকে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সরব হন। ওই ঘটনায় সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব ও বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চে ছিল সেই মামলার শুনানি। কেন্দ্রের দাবি, রাজ্য প্রশাসনের তরফ থেকে কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি। এদিন শুনানিতে কেন্দ্রের তরফ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়।

About Post Author