Home » সমর্থকদের দাবি মেনেই ইস্টবেঙ্গলে চালু হল ক্রাউডফান্ডিং

সমর্থকদের দাবি মেনেই ইস্টবেঙ্গলে চালু হল ক্রাউডফান্ডিং

স্পোর্টস ডেস্ক, সময় কলকাতা, ১৮ মে: আসন্ন মরশুমে নবজোয়ারের লক্ষ্যে ইস্টবেঙ্গল। কারণ গত তিন মরশুমে আইএসেলে ব্যর্থতা ছাড়া আর কিছুই জোটেনি ভারতের অন্যতম সফল ক্লাবের কপালে। এবার তাই আগেভাগে আগামী মরশুমের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছেন ক্লাবকর্তারা।ক্লাবে নবজোয়ার আনার ক্ষেত্রে ক্রাউডফান্ডিং পদ্ধতির দ্বারস্থ হয়েছে ইস্টবেঙ্গল ।কী এই ক্রাউডফান্ডিং?

ইতিমধ্যেই কোচ হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে বেঙ্গালুরু এফসির আইএসএল জয়ী স্প্যানিশ কোচ কার্লেস কুয়াদ্রাতকে। এছাড়াও চূড়ান্ত করে ফেলা হয়েছে দুই বিদেশিকে। এবার দল গঠন থেকে দলের পরিকাঠামো উন্নয়নে সমর্থকদের দ্বারস্থ হল ইস্টবেঙ্গল।বুধবার ক্লাবের পক্ষ থেকে সহ-সভাপতি শান্তিরঞ্জন দাশগুপ্ত এক বিবৃতির মাধ্যমে জানিয়েছেন, করোনা অতিমারির পর থেকে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবকে অনেক প্রতিকূলতার মধ্যে পড়তে হয়েছে। এখন ক্লাবে বিনিয়োগকারী থাকলেও একটা সময়ে ক্লাব কর্তাদের উদ্যোগেই ক্লাবের পরিকাঠামোগত উন্নয়ন করা হয়েছে। এবার ক্লাবের পরিকাঠামো উন্নয়ন, দল গঠন সহ একাধিক কাজে সমর্থকদের পাশে থাকার আহ্বান জানালেন ক্লাব কর্তারা। আর এরকম আবহে ক্রাউডফান্ডিং পদ্ধতিকে অনুসরণ করা হয়েছে ক্লাবে । বিদেশী ক্লাবগুলিতে এই পদ্ধতি চালু থাকলেও এখনও এদেশে এই পদ্ধতির খুব একটা চলন নেই।  ক্লাবের তরফ থেকে একটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে। যেখানে অর্থ সাহায্য করতে পারবেন সমর্থকরা। ক্লাব থেকে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির নিচে একটি বেসরকারী ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট নম্বরও দেওয়া হয়েছে।

ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগানে বিশ্বজোড়া ফ্যানবেস। বিগত কিছু বছর ধরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় সমর্থকরা দাবি তুলেছিলেন ক্রাউডফান্ডিং পদ্ধতি চালু করার। এমনকি কিছুদিন আগে শিলিগুড়িতে রাস্তা উদ্বোধনের দিনও এই প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছিল ক্লাব সমর্থকদের। এবার সেই দাবিকে মান্যতা দিল ক্লাব। এক্ষেত্রে যে সমর্থকদের যেরকম সামর্থ্য, সেই অনুযায়ী অর্থ ক্লাবের অ্যাকাউন্টে পাঠাতে পারেন। বিনিময়ে ক্লাবের তরফ থেকে অর্থদাতাদের হাতে তুলে দেওয়া হবে শংসাপত্র। আর সমর্থকদের সাহায্যের অর্থ ক্লাবের পরিকাঠামোগত উন্নয়ন, দল গঠন এবং যুব দলের উন্নতিতে কাজে লাগানো হবে।

যদিও এর আগেও সমর্থকরা অর্থ সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিল প্রিয় ক্লাবের দিকে। এমনকি জানা যায় অনেক সমর্থকদের স্ত্রীয়ের গহনা বন্দক দিয়েও ক্লাবের পাশে দাঁড়াতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তখন সমর্থকদের ফিরিয়ে দিয়েছিল ক্লাব। এখন ক্লাবে এসেছে বিনিয়োগকারী সংস্থা। ভালো মানের দল গঠন থেকে পরিকাঠামোগত উন্নয়নে কোটি কোটি অর্থ লগ্নি করছে তারা। এখানে প্রশ্ন উঠছে ক্লাবে এখনও কি অর্থনৈতিক টানাপোড়েন রয়েছে? পাশাপাশি যারা বৈদেশিক ক্লাবগুলিতে ক্রাউডফান্ডিং করেন তাঁদের অনেক রকম সুযোগ সুবিধে দেওয়া হয় ক্লাবের পক্ষ থেকে। এখন ইস্টবেঙ্গল ক্লাব তাঁদের সমর্থকদের জন্য কি সুযোগ সুবিধার ব্যবস্থা করে সেদিকেই নজর সকলের।

About Post Author