Home » মসনদে বসেই ‘পিপল ফ্রেন্ডলি গভর্নমেন্টের’ প্রতিশ্রতি পালন সিদ্দারামাইয়ার

মসনদে বসেই ‘পিপল ফ্রেন্ডলি গভর্নমেন্টের’ প্রতিশ্রতি পালন সিদ্দারামাইয়ার

সময় কলকাতা ডেস্ক, ২২ মে: নির্বাচনে জয়লাভের পর থেকেই নানান নাটকীয় অন্তর্কলহের পর কর্ণাটকের মসনদে বসেছেন সিদ্দারামাইয়া। আর ক্ষমতায় আসার পরেই ‘পিপল ফ্রেন্ডলি গভর্নমেন্টের’ প্রতিশ্রতি পালন করার ক্ষেত্রে প্রথম পদক্ষেপ করলেন তিনি। এবার বেঙ্গালুরু শহরে মুখ্যমন্ত্রীর কনভয়ের জন্য তৈরি বিশেষ যান নিয়ন্ত্রণ নীতি বা জিরো ট্রাফিক পলিসি বাতিল করলেন সিদ্দারামাইয়া। রবিবার মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া তাঁর কনভয়ের জন্য যান নিয়ন্ত্রণ নীতি বাতিল করার কথা ঘোষণা করেন। বেঙ্গালুরু পুলিশকে ইতমধ্যেই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর দফতরের পক্ষ থেকে।

আরও পড়ুন   পৈতৃক সম্পত্তি বিক্রি হয়ে যাওয়ায় কান্নায় ভেঙে পড়লেন গুগলের সিইও

নিজের টুইটার হ্যান্ডেলে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা লেখেন, ‘জিরো ট্রাফিক পলিসি বাতিল করার জন্য পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শহরে কনভয়ের যাতায়াতের জন্য অনেক সময় অন্যান্য যান নিয়ন্ত্রণ করা হয়। এতে সাধারণ মানুষের সমস্যা হয়।’ এখানে বলে রাখা ভালো, এর আগে রাজ্যের সদ্যপ্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বাসবরাজ বোম্মাইও একই পদক্ষেপ করেছিলেন। এদিকে, সিদ্দারামাইয়া ঘোষণা করেছেন যে উপহারস্বরুপ চাদর বা ফুল গ্রহণ করবেন না তিনি। বরং গুণগ্রাহীরা বই দিলে তিনি খুশি হবেন। টুইটারে তিনি লেখেন, “আপনাদের সবার ভালবাসা আমার প্রতি থাকবে এটাই আমি আশা করি।”

আরও পড়ুন   বজবজ বিস্ফোরণের ঘটনার তদন্তভার নিল সিআইডি

উল্লেখ্য, দক্ষিণে বিজেপির একমাত্র গড় কর্ণাটক দখল করেছে কংগ্রেস। এই সাফল্যের অনেকটাই সিদ্দারামাইয়ার কৃতিত্ব।প্রাথমিকভাবে,কর্নাটক বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর, ডি কে শিবকুমার ২০১৯ সালে তাদের সরকার পতনের পরে দল পুনর্গঠন সহ গত পাঁচ বছরে তাঁর কাজের উল্লেখ করে শীর্ষ পদের জন্য জোর দিয়েছিলেন এবং কংগ্রেসকে বিশাল ম্যান্ডেটের দিকে নিয়ে যান। ১০ মে বিধানসভা নির্বাচন হয়। সিদ্দারামাইয়া, গত ৪০ বছরে সম্পূর্ণ পাঁচ বছরের মেয়াদে কর্ণাটকের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। প্রকৃতপক্ষে, তিনি দেবরাজ উরসের পরে দক্ষিণ রাজ্যের ইতিহাসে দ্বিতীয় মুখ্যমন্ত্রী। ১০ মে কর্নাটক বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেস নির্ণায়ক ম্যান্ডেটে জিতেছে, ২২৪টি আসনের মধ্যে ১৩৫টি আসন তাদের দখলে। বিজেপি ৬৬টি আসন নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে এবং জেডি(এস), যা কিংমেকার হওয়ার আশা করেছিল, মাত্র ১৯টি আসনে জিতেছে।

About Post Author