Home » বিস্ফোরণ কাণ্ডের জের,এগরা যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

বিস্ফোরণ কাণ্ডের জের,এগরা যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

সময় কলকাতা ডেস্ক, ২৪ মে: গত ১৬ মে এগরার খাদিকুলে বেআইনি বাজি কারখানায় বিস্ফোরণের ঘটনায় ১১ জনের মৃত্যু হয়। ঘটনার তদন্তভার ইতিমধ্যেই সিআইডির হাতে তুলে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, এবার এগরার বিস্ফোরণ এলাকা ঘুরে দেখবেন মুখ্যমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রী যে এগরা যাবেন তা তিনি আগেই জানিয়েছিলেন। গত শুক্রবার তৃণমূলের নবজোয়ার কর্মসূচিতে ভার্চুয়াল বক্তৃতায় মুখ্যমন্ত্রী জানান, আবহাওয়া ঠিক হলেই তিনি এগরার গ্রামে যাবেন। তবে কবে যাবেন তা ঠিক ছিল না।

আরও পড়ুন   ওয়াক্সিং করে বেড়ে যাচ্ছে ‘স্ট্রবেরি লেগ’-এর সমস্যা? ভরসা রাখুন ঘরোয়া উপায়ে!

নবান্ন সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রীর এগরা যাওয়া কথা শোনা যাচ্ছে। গত এক সপ্তাহে গোটা রাজ্যে ৫-৬ টি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এগরা, বজবজ, ইংরেজবাজারে বাজি বিস্ফোরণের ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মোট ১৬ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। ইতিমধ্যেই এই বিস্ফোরণের ঘটনায় একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চ পর্যায়ের কমিটিও তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি রাজ্যজুড়ে শুরু হয়েছে বেআইনি বাজি উদ্ধার অভিযান। তারমধ্যেই এবার এগরা যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী।

প্রসঙ্গত,এগরা বিস্ফোরণ কাণ্ডে ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকারের কাছে রিপোর্ট তলব করেছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। গত মঙ্গলবার পূর্ব মেদিনীপুরের এগরাতে বাজি কারখানায় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। সেই ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ৯ জন। এবার এই ঘটনা নিয়েই রাজ্যের ডিজি ও মুখ্যসচিবকে নোটিস পাঠাল কমিশন। নোটিসে বলা হয়েছে, কী কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তা আগামী ৪ সপ্তাহের মধ্যে রিপোর্ট আকারে পাঠাতে হবে। এই ঘটনার তদন্ত করছে সিআইডি। ঘটনার পরই খাদিকুল গ্রামে যান জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের প্রতিনিধিরা। কমিশনের দাবি, গ্রামবাসীদের বক্তব্য অনুযায়ী ওই গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে বেআইনি বাজি কারখানা চলছে। মোট ১৫ জন ওই কারখানায় কাজ করত। প্রশাসনিক গাফিলতি স্পষ্ট। এই ঘটনায় সিআইডি কী পদক্ষেপ করেছে, জখমদের চিকিৎসায় কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে সব ওই রিপোর্টে জানাতে হবে রাজ্যকে।

আরও পড়ুন   গাড়িতে উঠলেই বমি! প্রতিকার কী,জেনে নিন

এদিকে, এগরা বিস্ফোরণ কাণ্ডে মূল অভিযুক্ত মৃত ভানু বাগের ছেলে পৃথ্বীজিৎ বাগ এবং খুড়তুতো ভাইকে ১০ দিনের সিআইডি হেফাজতের নির্দেশ দিল আদালত। শুক্রবার ধৃতদের কাঁথি আদালতে পেশ করে সিআইডি। ধৃতদের ১৪ দিনের হেফাজত চেয়ে আদালতে আবেদন জানায় সিআইডি। ১০দিনের হেফাজতের আবেদন মঞ্জুর করেছেন বিচারক। এগরার বাজি কারখানায় বিস্ফোরণে গুরুতর জখম হন কারখানার মালিক ভানু বাগও। পুলিশের চোখে ধুলো দিতে সঙ্গে সঙ্গেই এগরা থেকে ভানুকে কটকে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলছিল। এই হাসপাতালেই বৃহস্পতিবার রাতে মৃত্যু হয় ভানু বাগের।

About Post Author