Home » নীতি আয়োগের বৈঠক বয়কট দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের

নীতি আয়োগের বৈঠক বয়কট দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের

সময় কলকাতা ডেস্ক, ২৭ মে: নীতি আয়োগের বৈঠকে গরহাজিরের সংখ্যা ক্রমশ বেড়েই চলেছে। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পর এবার দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। শনিবার নীতি আয়োগের বৈঠকে যোগ দেবেন না আরও দুই মুখ্যমন্ত্রী। বৈঠক বয়কট করে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল ও পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মানও। চিঠিতে কেজরিওয়াল জানান, সহযোগিতাপূর্ণ যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো এখন একটা উপহাস মাত্র। সুতরাং, নীতি আয়োগের বৈঠকে যোগ দেওয়া অর্থহীন। এর আগে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী নীতি আয়োগের বৈঠকে যোগ দেওয়ার কথা জানিয়েও তা বাতিল করেন। তবে শনিবারের নীতি আয়োগের বৈঠক একাধিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ বলে দাবি কেন্দ্রের।

এদিকে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, কেজরিওয়ালের পর নীতি আয়োগের বৈঠকে যোগ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রীর কে চন্দ্রশেখর রাও। ওইদিন তিনি দিল্লি গেলেও নীতি আয়োগের বৈঠকে থাকবেন না। কেজরিওয়ালের সঙ্গে বৈঠক করবেন বলেই সূত্রের খবর। তবে, ২০২৪-এর লোকসভা ভোটের আগে কেন্দ্র বিরোধী সুর চড়াতে চাইছে শাসক দল। এই আবহেই এবার দিল্লিতে নীতি আয়োগের বৈঠকে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অববিন্দ কেজরীওয়াল সহ ভগবন্ত মান, নীতীশ কুমার এবং কে চন্দ্রশেখর রাও,এমকে স্ট্যালিন, পিনারাই বিজয়ন, অশোক গেহলটও।

আরও পড়ুন   অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কনভয়ে হামলার ঘটনায় আটক ৪

ইতিমধ্যেই নবান্ন কেন্দ্রকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছে, নীতি আয়োগের বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিনিধি হিসেবে রাজ্যের অর্থমন্ত্রীর চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য হাজির থাকবে। আর অর্থমন্ত্রীকে সহযোগিতা করার জন্য মুখ্যসচিব ও অর্থসচিব থাকবে। কিন্তু শুক্রবার চিঠিতে মারফত কেন্দ্রের তরফে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়, মুখ্যমন্ত্রী ওই বৈঠকে উপস্থিত থাকলেই ভালো হয়। যদিও কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ রাজ্য সরকার। অন্যদিকে,মুখ্যমন্ত্রী নীতি আয়োগের বৈঠকে যোগ না দেওয়ার কারণে রাজ্যের বিরোধী দল প্রশ্ন তুলেছে, নীতি আয়োগের বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন যাচ্ছেন না? দলের মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য শুক্রবার বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের সবকিছু। তাঁর বদলে ওই বৈঠকে অন্য কেউ যাবেন তা খুবই অন্যায়। দুধের স্বাদ কি ঘোলে মেটে?’ এ প্রসঙ্গে সিপিএম রাজ্য সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য সুজন চক্রবর্তীর বলেন, ‘রাজ্যের পাওনা আদায় করার জন্য যদি সরব হতে হয়, তাহলে নীতি আয়োগের বৈঠকে যোগ দেওয়া সবার আগে প্রয়োজন।’

About Post Author