Home » অনুরাগ ঠাকুরের ট্যুইট, কুস্তিগীরদের সঙ্গে ফের বসতে চায় সরকার

অনুরাগ ঠাকুরের ট্যুইট, কুস্তিগীরদের সঙ্গে ফের বসতে চায় সরকার

স্পোর্টস ডেস্ক, সময় কলকাতা, ৭ জুন: অবশেষে টনক নড়ল দিল্লি সরকারের। দিল্লির যন্তর মন্ত্ররে বসা আন্দোলনরত কুস্তিগীরদের সঙ্গে বৈঠক করতে চায় সরকার। মঙ্গলবার রাত ১২ টা ৪৭ মিনিটে একটি ট্যুইট করে এমনটাই জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর। কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর ট্যুইটে লিখেছেন, “কুস্তিগীরদের সমস্যা নিয়ে বৈঠকে বসতে আগ্রহী সরকার। আমি আবার কুস্তিগীরদের বৈঠকে বসার জন্য আমন্ত্রণ পাঠিয়েছি।” ফলে আরও একবার কুস্তিগীর সরকার বৈঠকের সম্ভাবনা তৈরি হল।

আরও পড়ুন   কৃষক নেতার অনুরোধে পদক গঙ্গায় ভাসালেন না কুস্তিগীররা, মুখ খুললেন ব্রিজভূষণ

 

চলতি বছরের শুরুতে জাতীয় কুস্তি ফেডারেশনের সভাপতি ও বিজেপি সাংসদ ব্রিজভূষণ শরণ সিংয়ের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করে দেশের কৃতি কুস্তিবিদরা। তাঁরা অভিযোগ করেছিলেন, দীর্ঘদিন ধরে দেশের মহিলা কুস্তিবিদদের যৌণ হেনস্তা করছে ব্রিজভূষণ। এই দাবিতে দিল্লির যন্তর মন্তরে আন্দোলন শুরু করে তাঁরা। এনিয়ে দেশের রাজনীতিতে ঝড় ওঠে। তাঁদের দাবি, দেশের কুস্তি ফেডারেশনের সভাপতি পদ থেকে সরাতে হবে ব্রিজভূষণকে আর তাঁকে গ্রেফতার করতে হবে। যদিও দীর্ঘদিন কেটে গেলেও তাঁদের কোনো দাবি পূরণ করেনি সরকার। ফলে তাঁরা ফের মাস খানেক আগে থেকে আন্দোলন শুরু করেন।

নয়া সংসদ ভবনের উদ্বোধনের দিন তাঁরা সংসদ ভবন অভিযানের ডাক দেন। যেই সংসদ ভবনের সভাস্থল আলো করে বসে ছিলেন ব্রিজভূষণ। অপরদিকে সংসদ ভবনের দিকে যাওয়া ভিনেশ, সাক্ষীদের উপর নির্মম লাঠি চালায় কেন্দ্রীয় গৃহমন্ত্রকের অধীনে থাকা দিল্লি পুলিশ। এই ঘটনায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়। এরই মধ্যে কেন্দ্রীয় গৃহমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠক করেন আন্দোলনকারী কুস্তিগীররা। শনিবার গভীর রাতে প্রায় আড়াই ঘণ্টার বৈঠক হয়।আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন অলিম্পিক পদকজয়ী বজরং পুনিয়া, সাক্ষী মালিক- সহ বেশ কয়েক জন। তারপর রেলের চাকরিতে যোগদান করেন সাক্ষী।

আরও পড়ুন   ‘কুস্তিগীরদের যন্তরমন্তরের সামনে বসতে দেওয়া হবে না ‘,স্পষ্ট জানিয়ে দিল দিল্লি পুলিশ

এরপরই জল্পনা শুরু হয় তাহলে শাহের সঙ্গে সেটিং হয়ে গিয়েছে। যদিও জল্পনা উড়িয়ে বজরং পুনিয়া স্পষ্ট করেন দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। এরই মধ্যে মঙ্গলবার দিল্লি পুলিশের একটি দল ব্রিজ ভূষণের উত্তরপ্রদেশের বাসভবনে হানা দেয়। সূত্রের খবর পরিবারের অনেককে জিজ্ঞাসাবাদ করেন তাঁরা। যদিও সূত্রের দাবি সেই সময় বাড়িতে ছিলেন না ব্রিজ ভূষণ। এহেন পরিস্থিতিতে ফের একবার আন্দোলনকারী কুস্তিগীরদের সঙ্গে কথা বলার আগ্রহ প্রকাশ করল সরকার। এই বৈঠক থেকে কোনো রফা সূত্র আদৌ মেলে কিনা সেটাই এখন দেখার।

About Post Author