Home » কয়লা পাচার মামলায় ইডির ‘হেনস্তার’ অভিযোগ তুলে সুপ্রিম কোর্টে দারস্থ অভিষেক পত্নী রুজিরা

কয়লা পাচার মামলায় ইডির ‘হেনস্তার’ অভিযোগ তুলে সুপ্রিম কোর্টে দারস্থ অভিষেক পত্নী রুজিরা

সময় কলকাতা ডেস্ক,৬ জুলাইঃ কয়লা পাচার মামলায় অহেতুক হয়রানির অভিযোগে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আগামী সোমবারই মামলার শুনানি রয়েছে। এই মামলার শুনানির তারিখ পিছোল না সুপ্রিম কোর্ট। অভিষেকের স্ত্রী রুজিরার ‘হেনস্তা’র কথা ভেবে মামলাটিকে গুরুত্ব দিয়ে দেখতে রাজি শীর্ষ আদালত। এদিকে অভিষেক পত্নী রুজিরা বিদেশযাত্রার অনুমতি চেয়ে আলাদা করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন। আগামী ১২ জুলাই সেই মামলারও শুনানি হবে বলেও জানা গিয়েছে। কয়লা পাচার মামলায় দীর্ঘদিন ধরেই ইডির নজরে রয়েছেন অভিষেক-রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর আগে একাধিকবার তাঁদের তলব করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এমনকী তৃণমূলের নবজোয়ার কর্মসূচি চলাকালীনও অভিষেক’কে দু’বার তলব করা হয়েছে। তাৎপর্যপূর্ণভাবে শেষবার বাদে প্রায় প্রতিবারই ইডির তলবে সাড়া দিয়েছেন অভিষেক। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে প্রতি বারেই তিনি দাবি করেছেন, যা যা অভিযোগ করা হচ্ছে, সবটাই ভিত্তিহীন।

এর আগে গত ৮ জুন কয়লা পাচার মামলায় অভিষেক জায়া রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তলব করেছিল ইডি। ইডির তলবে সাড়া দিয়ে এদিন নির্দিষ্ট সময়ে সিজিও কমপ্লেক্সে ইডি-র দপ্তরে হাজিরাও দিয়েছিলেন রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, ইডি-র দিল্লি অফিসের পঙ্কজ কুমার এই মামলার তদন্তকারী অফিসার। ওইদিন কয়লা পাচার মামলার তদন্ত সূত্রে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী রুজিরা নারুলা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশাপাশি রাজ্যের শ্রম ও আইনমন্ত্রী মলয় ঘটককে ইডির তলবের কথাও শিরোনামে উঠে এসেছিল। এরপর মলয়ের ঘনিষ্ঠ তথা আসানসোলের ৫৫ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর দীপা চক্রবর্তীর স্বামী শঙ্কর চক্রবর্তীকেও তলব করেছিল ইডি।

আরও পড়ুন    ভাঙড়ে অশান্তির ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজ চাইল কলকাতা হাইকোর্ট

সম্প্রতি কয়লা পাচার মামলার তদন্ত সূত্রে একাধিক জনকে নোটিস পাঠিয়েছে ইডি। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী রুজিরা নারুলা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত ১৯ জুন দিল্লিতে তলব করা হয়েছিল রাজ্যের মন্ত্রী মলয় ঘটককে। সেইসঙ্গে মলয় ঘনিষ্ঠ আরও কয়েকজনকে ইডি তলব করেছিল দিল্লিতে। এসবের মধ্যেই জুন মাসে কলকাতায় এসেছিলেন ইডির ২০ জন অফিসার। তাঁদের মধ্যে জয়েন্ট ডিরেক্টর স্তরের অফিসার ছিলেন বেশ কয়েকজন। সূত্রের খবর, সেসময় কয়লা পাচার সংক্রান্ত কলকাতায় দফায় দফায় বৈঠক করেছিলেন ইডি ডিরেক্টর সঞ্জয় মিশ্র। তারপর থেকেই ২০ জন অফিসার কলকাতায় এসেছেন।

About Post Author