Home » তিনদিনের জ্বরে নাবালিকার মৃত্যু, ডেঙ্গুর কারণে মৃত্যুর আশঙ্কা বাড়ছে

তিনদিনের জ্বরে নাবালিকার মৃত্যু, ডেঙ্গুর কারণে মৃত্যুর আশঙ্কা বাড়ছে

সময় কলকাতা ডেস্ক, ১৪ জুলাই : বর্ষাকাল সেভাবে শুরু হতে না হতেই বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ। তিলোত্তমা ও শহরতলি সহ রাজ্যজুড়ে জুলাই থেকে শীত পড়ার আগে পর্যন্ত ডেঙ্গুর প্রাবল্য বাড়তে থাকে। আর বর্ষার গোড়ায়  ৩-৪ দিনের জ্বরে ভুগে মৃত্যু হল বারাসাত পুরসভা এলাকার ২২ নম্বর ওয়ার্ডের প্রমোদ নগরের বছর তেরো-র নাবালিকা সায়নিকা হালদারের । ডেঙ্গুর লক্ষন নিয়ে বারাসাত হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল সায়নিকা। প্রথমে তাকে বারাসাত হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে আরজি কর হাসপাতালে স্থানান্তরিক করা হয়।বৃহস্পতিবার আরজিকর হাসপাতালেই মৃত্যু হয় বছর ১৩র সায়নিকা হালদারের।

ডেথ সার্টিফিকেট বা মৃত্যুর শংসাপত্রে মাল্টি অর্গ্যান ফেলিওরের উল্লেখ থাকলেও পরিবারের বক্তব্য, ডেঙ্গুতেই মৃত্যু হয়েছে সায়নিকার।সায়নিকার মৃত্যু এলাকায় বাড়িয়েছে উদ্বেগ ।ঘটনার কথা জানাজানি হতেই এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে তো বটেই,বারাসাত শহর জুড়ে নাগরিকদের কপালে আবার দুশ্চিন্তার ভাঁজ। বারবার মরশুমের এই সময় ডেঙ্গু দেখা দিলেও দীর্ঘমেয়াদি ভাবনার কোনও বাস্তবায়ন হয় না। পরিসংখ্যান ঘিরে ধোঁয়াশা বাড়ে। অনেক ক্ষেত্রে ডেঙ্গু ধরা পড়লেও সরকারি ভাবে মৃত্যুর কারণ ডেঙ্গু তা ধরা পড়ে না। ফলশ্রুতি এই ক্রান্তিকালে  অজানা জ্বরে মৃত্যুর সংখ্যা বাড়তে থাকে।

সায়নিকার মৃতুর কারণ যাই হোক, প্রতিবছর ডেঙ্গু যে সময় হয়  সে সময় ডেঙ্গুর উপসর্গ ও জ্বর নিয়ে ভুগতে নাবালিকার মৃত্যু রাজ্যবাসীর দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে উঠতেপারে। হয়তো সায়নিকার মৃত্যু ডেঙ্গুর আগমন বার্তার ইঙ্গিত দিচ্ছে।অথবা হয়তো নয়। তবুও এই সময় ডেঙ্গুর প্রকোপ কীরকম বাড়ে এক দেগঙ্গা ২০১৭ সালে তার প্রমান দিয়েছে। অবিলম্বে ডেঙ্গু প্রতিরোধ নিয়ে কোমর বেঁধে নামা ও স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়ানোর আসু প্রয়োজন থাকলেও পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে মেতে থাকা প্রশাসন ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলি ও জনপ্রতিনিধিদের সময় কোথায় সেদিকে নজর দেওয়ার!

আরও পড়ুন :চন্দ্রযান-৩ বিগত দুটি অভিযানের কী শিক্ষা নিয়ে কোন লক্ষ্য নিয়ে যাত্রা শুরু করছে?

About Post Author