স্পোর্টস ডেস্ক, সময় কলকাতা, ১৭ জুলাই: কলকাতা লিগে ছুটছে পাল তোলা নৌকা। এবার টানা তৃতীয় ম্যাচে জয় পেল বাস্তব রায়ের ছেলেরা। রবিবার মোহনবাগান মাঠে তাঁদের প্রতিপক্ষ ছিল ডালহৌসি অ্যাথলেটিক ক্লাব। কলকাতা লিগে দুরন্ত ফর্মে থাকা মোহনবাগানের সামনে কোনো রকম প্রতিরোধই গড়ে তুলতে পারল না তাঁরা। এদিন খেলার ফল মোহনবাগানের পক্ষে ৫-২। মোহনবাগানের হয়ে হ্যাটট্রিক করলেন সুহেল ভাট। এছাড়াও জোড়া গোল করেন ফারদিন আলি মোল্লা। ম্যাচের শেষে দুটি গোল করলেও ম্যাচে ফেরা হয়নি ডালহৌসির।

প্রায় চার বছর পরে ঘরের মাঠে খেলতে নামল সবুজ মেরুন ব্রিগেড। ঘরের মাঠে প্রিয় দলের খেলা দেখার জন্য সমর্থকদের উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো। এদিন মাঠে উপস্থিত ছিলেন মোহন সভাপতি স্বপন সাধন বসু বা টুটু বসু। অপেক্ষাকৃত দুর্বল দলের বিরুদ্ধে এদিন শুরু থেকেই দাপুটে ফুটবল খেলে মোহনবাগান। ফলও মেলে। ২৫ মিনিটে ম্যাচের প্রথম গোলটি করেন সুহেল ভাট। নিখুঁত প্লেসমেন্টে আগুয়ান ডালহৌসির গোলরক্ষকের পাশ থেকে বল জালে জড়ান কাশ্মীরের স্ট্রাইকার। বিরতির দুই মিনিট আগে ফের ব্যবধান বাড়ান সুহেল। ডান দিক থেকে ভেসে আসা ক্রস জালে জড়ান সুহেল। ২-০ গোলে এগিয়ে থেকেই প্রথমার্ধে মাঠ ছাড়ে মোহনবাগান।
আরও পড়ুন কে এই প্রথম অবাছাই উইম্বলডন মহিলা চ্যাম্পিয়ন ভনড্রোসোভা?

বিরতির পর সেই আগ্রাসী খেলাই দেখা গেল মোহনবাগানের। দ্বিতীয়ার্ধের মাত্র চার মিনিট পর সুহেলকে বক্সের মধ্যে ফাউল করে বিপক্ষের ডিফেন্ডার। মোহনবাগানকে পেনাল্টি দেয় রেফারি। পেনাল্টি থেকে গোল করে নিজের হ্যাটট্রিক সম্পন্ন করেন সুহেল। ম্যাচের ৬০ মিনিটে চতুর্থ গোল পায় মোহনবাগান। এক্ষেত্রেও গোলের বল তৈরি করেছিলেন সুহেল। তবে গোলটি করেন ফারদিন আলি মোল্লা। এর মিনিট ছয়েক পর বাগান গোলরক্ষকের ভুলে ব্যবধান কমায় ডালহৌসি।

আরও পড়ুন উইম্বলডনের নতুন রাজা বছর কুড়ির আলকারেজ
যদিও নির্ধারিত সময়ের পাঁচ মিনিট আগে ফের ডালহৌসির কফিনে শেষ পেরেক পুঁতে দেয় মোহনবাগান। এবারও গোলদাতা সেই ফারদিন। ম্যাচের একদম শেষ লগ্নে আরও একটি গোল শোধ করে ডালহৌসি, কিন্তু ম্যাচে ফিরতে পারেনি। ম্যাচ শেষে দেখা গেল ম্যাচের নায়ক সুহেলকে পাশে বসিয়ে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হলেন মোহন সভাপতি টুটু বসু। তিনি বলেন আগামীদিনে মোহনবাগানের ইন্ডিয়ান সুপার লিগের দলে সুহেলকে তিনি দেখতে চান।


More Stories
ইউনিটি কাপ থেকে শূন্য হাতে ফিরছে ভারত
লালহলুদের ইলিশ উৎসব ধূপগুড়িতে
আকিব নবীর হয়ে সরব বেঙ্গসরকার, তাঁর দাবি ঘরোয়া ক্রিকেট বন্ধ করে দেওয়া হোক