সময় কলকাতা ডেস্ক,২৫ জুলাই: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামালার তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই যেন ঘনীভূত হচ্ছে জট। এবার শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের ওএমআর শিট প্রকাশের নির্দেশের উপর স্থগিতাদেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। মঙ্গলবার সর্বোচ্চ আদালতে বিচারপতি অনিরুদ্ধ বসুর নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে মামলাটি ওঠে। এরপরই বিচারপতি এদিন নির্দেশ দেয়, নিয়োগ দুর্নীতির যাবতীয় ওএমআর শিট সুপ্রিম কোর্টে সিল বন্ধ খামে জমা দিতে হবে। এর আগে কলকাতা হাইকোর্ট শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় নির্দেশ দিয়েছিল, এসএসসি-কে ওএমআর শিট প্রকাশ করতে হবে। সেই নির্দেশের উপর সুপ্রিম স্থগিতাদেশ পড়ল। আগামী সপ্তাহে এই মামলার প্রেক্ষিতে ফের শুনানি হতে পারে বলেই জানা গিয়েছে।

এদিকে,শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি তদন্তে রাজ্যের প্রাক্তন স্কুলশিক্ষা সচিব দুষ্মন্ত নারিয়ালকে তলব করেছে সিবিআই। শনিবার সিবিআই দফতর নিজাম প্যালেসে হাজির হন প্রাক্তন শিক্ষা সচিব। ২০১৬-এর জুন থেকে ২০১৮-এর জুন মাস পর্যন্ত স্কুলশিক্ষা সচিব ছিলেন সচিব দুষ্মন্ত নারিয়াল। ওই সময়ে স্কুলে শিক্ষাকর্মী নিয়োগের মাঝপথেই বিধি বদল করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। কেনো এই বিধি বদল করা হয়েছিল সেই সময়? কারোর নির্দেশে এই বিধি বদল হয়েছিল? জানতে চায় সিবিআই।সিবিআই ইতিমধ্যে একাধিকবার বর্তমান শিক্ষাসচিব মনীশ জৈনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। পাশাপাশি বিকাশ ভবনেও প্রাথমিক, নবম-দশম, একাদশ-দ্বাদশ শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী নিয়োগে নানা নথির খোঁজে তারা তল্লাশিও চালিয়েছে।
আরও পড়ুন কয়লা পাচার মামলায় ফের ইডি-র হাজিরা এড়ালেন রাজ্যের আইনমন্ত্রী মলয় ঘটক

সিবিআই কর্তারা জানিয়েছেন, ২০১৬-এর তৃতীয় এসএলএসটি-তে শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মী নিয়োগের সময়ে চালু বিধি সম্পূর্ণ বদলে ফেলা হয়েছিল। ওই বছরের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে বলা ছিল, সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলে গ্রুপ-সি এবং ডি পদে নিয়োগের সুপারিশ করবে এসএসসি। সংশ্লিষ্ট স্কুল পরিচালন সমিতি সফল প্রার্থীদের নিয়োগপত্র দেবে। সেই মতো ২০১৭ সালে নানা পরীক্ষা হয়েছিল। ওই বছরেই সবকটি নিয়োগ পরীক্ষার ফল বেরিয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসসিসি সুপারিশ করলেও গ্রুপ সি ও গ্রুপ ডি এবং শিক্ষক পদে সফল প্রার্থীদের নিয়োগপত্র দিয়েছিল মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। যে নিয়ম তৈরি হয়েছিল ২০১৮ সালের ৮ মার্চ। এ সংক্রান্ত ব্যাপার ও তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে।


More Stories
জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ক্রিমিনাল কেস এবং প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য দাবি অধীরের
স্বাস্থ্যকর খাদ্য পরিবেশনের পাঠশালা, পড়ুয়া ব্যবসায়ীরা শিখবেন তো?
বিরোধীরা কিছুই করতে পারবে না বললেন দিলীপ