Home » পঞ্চায়েত ভোটে হিংসার ঘটনায় সিবিআই তদন্তের দাবি বিজেপির সংসদীয় টিমের

পঞ্চায়েত ভোটে হিংসার ঘটনায় সিবিআই তদন্তের দাবি বিজেপির সংসদীয় টিমের

সময় কলকাতা ডেস্ক, ২৭ জুলাইঃ পঞ্চায়েত ভোটে হিংসার ও অশান্তির ঘটনায় এবার সিবিআই তদন্তের দাবি জানাল বিজেপির সংসদীয় টিম। বুধবার বিষয়টি নিয়ে দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক করেছেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ। তিনি জানান, কেন্দ্রে শাসক দল বাংলায় যে তিনটি প্রতিনিধি দল পাঠিয়েছিল, তারা সবাই পঞ্চায়েতে হিংসার ঘটনা নিয়ে গভীর তদন্তের সুপারিশ করেছে। কারণ, রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা ব্যবস্থার উপর বাংলার মানুষেরই আর ভরসা নেই। পঞ্চায়েত ভোটে বিজেপি বাংলায় তিন দফায় সংসদীয় প্রতিনিধি দল পাঠিয়েছিল।

প্রথমে টিমে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন রবিশঙ্কর প্রসাদ। পরে মহিলা সাংসদদের একটি টিম পাঠানো হয়েছিল। তার নেতৃত্বে ছিলেন সাংসদ সরোজ পাণ্ডে। এর পরই তফসিলি জাতির সাংসদদের নিয়ে একটি টিম বাংলায় পাঠিয়েছিলেন বিজেপি সভাপতি জগৎপ্রকাশ নাড্ডা। তাৎপর্যপূর্ণ হল, এই পঞ্চায়েত ভোটে তৃণমূলের সঙ্গে বাম ও কংগ্রেসের যতটা সংঘাত দেখা গিয়েছে, ততটাই সংঘাত দেখা গিয়েছে বিজেপির সঙ্গে। কিন্তু সিপিএম-কংগ্রেস কোনও কেন্দ্রীয় এজেন্সির তদন্ত দাবি করেনি। বরং বামেদের স্পষ্ট বক্তব্য, বুথ স্তরের লড়াই তাঁরা বুথেই করবেন। আদালতের ভরসায় বসে থাকবেন না।

এদিকে,পঞ্চায়েত ভোট মিটে গেলেও রাজ্যে এখনও ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনা ঘটছে। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে আরও ১০ দিন বাংলায় রেখে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের নেতৃত্বে ডিভিশন বেঞ্চ। কলকাতা হাইকোর্টে হলফনামা দিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে বলা হয়েছিল যে এক সঙ্গে সব বাহিনী প্রত্যাহার না করে তারা দফায় দফায় তা প্রত্যাহারে আগ্রহী। এ ব্যাপারে রাজ্য সরকারের আইনজীবী আদালতে জানান, অবশিষ্ট ২৩৯ কোম্পানির বাহিনীর মধ্যে ১৩৯ কোম্পানি বাহিনী ইতিমধ্যে প্রত্যাহার করা হয়ে গিয়েছে। এদিন প্রধান বিচারপতি টিএস শিব্ঞ্জানম তাঁর নির্দেশে বলেন, ‘কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকও যখন চাইছে তাহলে আরও ১০ দিন বাহিনী রেখে দেওয়া হোক।

আরও পড়ুন   মোদি সরকারের বিরুদ্ধে ‘ইন্ডিয়া’র অনাস্থা প্রস্তাবে অনুমোদন স্পিকারের

যদিও এ ব্যাপারে রাজ্য সরকার ও রাজ্য নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনীর যথাযথ সহযোগিতা প্রয়োজন। নইলে বাহিনী রেখে দেওয়ার কোনও অর্থ হয় না। যে সব জায়গায় এখনও অশান্তি রয়েছে, সেখানে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে কাজে লাগানো হোক।’ এদিকে, পঞ্চায়েত ভোটে রাজ্যে প্রায় ২০০ স্কুল বাড়ির যে ক্ষয়ক্ষতির প্রসঙ্গও শুনানির সময়ে ওঠে। প্রধান বিচারপতি বলেন, কারা এই দুবৃর্ত্ত, যারা স্কুলে ভাঙচুর করেছে? রাজ্যের এডভোকেট জেনারেল সৌমেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় আদালতে জানান, কোন কোন স্কুলে ভাঙচুর করা হয়েছে তা চিহ্নিত করা হয়েছে। অভিযুক্তদেরও চিহ্নিত করে তা হলফনামায় জানানো হয়েছে।

About Post Author