সাম্য গোস্বামী,সময় কলকাতা, ৯ সেপ্টেম্বর : দু’সপ্তাহ কাটল দত্তপুকুর বাজি কারখানায় বিস্ফোরণের। ক্ষতের দাগ এখনও দগদগে। এখনও বাজি আর বাজির মশলা উদ্ধার হয়েই চলেছে।

দত্তপুকুর থানার মোচপোল শুধু নয় বারাসাত জেলা পুলিশের অন্তর্গত বিভিন্ন জায়গায় বিন্দু বিন্দু করে সিন্ধু গড়ে উঠেছিল।তিল তিল করে তাল হয়েছিল। মজুত হয়েছিল প্রচুর বাজি আর বাজির মশলা আর তারই ফলশ্রুতিতে প্রবল বিস্ফোরণ ঘটেছিল। পুলিশ তৎপর হতেই একটার পরে একটা রহস্যের খাসমহল খুলে যাচ্ছে।
আরও পড়ুন : দীর্ঘদিন ধরে পুলিশের চোখে ধুলো দেওয়া কোন খুনী, লুঠেরা গ্যাংকে ধরল পুরুলিয়া পুলিশ?
দত্তপুকুরে বিরাট বিস্ফোরণের পরে তৎপর পুলিশ। এখন ধরপাকড় তুঙ্গে। উত্তর চব্বিশ পরগনার দত্তপুকুর থানা শনিবার উল্লেখযোগ্য সাফল্য পেল বাজি উদ্ধারে ।বাজির পরিমান কম নয়। প্রায় ৪০ থেকে ৫০ কুইন্টাল বাজি। বাজি তৈরির মশলার পরিমানও কম নয়। বিভিন্ন ধরণের কাগজের প্যাকেজিং, বারুদ, অ্যামোনিয়াম সল্ট আর কার্বনেট -এর মত দাহ্য পদার্থ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এরকম বিরাট পরিমানে বাজি বা মশলা মজুত থাকার তথ্য পুলিশের সবস্তরে যে যায় নি তা পরিষ্কার।পুলিশের এক অংশ মনে করছে, আগেই যে কোনও ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে নি সেটাই কম আশ্চর্য নয়। উল্লেখ্য,শনিবার দত্তপুকুর থানার বেরুনান-পুকুরিয়া এলাকায় গোডাউন থেকেই উদ্ধার হয় বাজি ও বাজির মশলা।নীলগঞ্জ ফাঁড়ির আওতায় থাকা বেরুনান পুকুরিয়া আরেকটি বিস্ফোরণের পটভূমি তৈরি হতে চলেছিল।
আরও পড়ুন :বারাসাতের বিজয়নগরের আতঙ্ক হয়ে ওঠা বাপ্পার ঘুষিতে প্রাণ গেল বৃদ্ধের
তবে পুলিশ আর এই বিষয়ে যে গড়িমসি করতে রাজি নয় তার প্রমাণ মিলেছে বিস্ফোরণের পরে দু’সপ্তাহ ধরে চলা পুলিশি তৎপরতা থেকে। পুলিশ বিভিন্ন ভাবে সোর্স বা ইনফরমার ব্যবহার করছে। দোকানদার থেকে সাধারণ মানুষ সর্বত্র মিশে আছে পুলিশকে তথ্য প্রদানকারীরা। কারণ কেউই আর চাইছেন না বিস্ফোরণ। কেউই যে চান না একটিও প্রাণহানি।।
আরও পড়ুন :মাকে প্রতিবেশীর সাথে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় দেখায় খুন তিনবছরের ছেলে, চার মাস পরে খুনের অপরাধ স্বীকার মায়ের


More Stories
রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও বিজেপির অভিনব বনভোজনে ডুয়ার্সে
কীভাবে ও কেন খু*ন শুভেন্দুর আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথ রথকে?
মোথাবাড়ি কাণ্ডের অশান্তির নেপথ্য “খলনায়ক” মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার কিসের ইঙ্গিত?