সময় কলকাতা ডেস্ক,৯ সেপ্টেম্বর : রানিনগরে থানা ভাঙচুর ও তৃণমূল পার্টি অফিস পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার ৩১ জনকে তোলা হয় লালবাগ আদালতে।এদের মধ্যে কংগ্রেসের পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি কুদ্দুস আলি সহ চারজনকে পুলিশ হেফাজত আর বাকি ২৭ জনকে জেল হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত।
এরকমটা আশা করা যায় নি। যেদিন সারাভারত জুড়ে ইন্ডিয়া জোটের জয়জয়কার, ইন্ডিয়া জোটের দুই দল কংগ্রেস ও তৃণমূল একটি একটি করে আসন পেয়েছে সেদিনই তৃণমূল শাসিত বাংলায় রানিনগরে থানা ভাঙচুরের অভিযোগে অভিযুক্ত হল কংগ্রেস। শুধু তাই নয় তৃণমূলের পার্টি অফিসে অগ্নিসংযোগ করা হয়। তৃণমূলের পার্টি অফিসে আগুন ধরানোর নেপথ্যে কংগ্রেস বলেই অভিযোগ উঠেছে।রানিনগর ২ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সহ ৩১ জন কংগ্রেস সদস্য গ্রেফতার হলেন। এরকম ঘটনায় তৃণমূল নেতৃত্ব রীতিমত ক্ষোভ প্রকাশ করেছে।কংগ্রেসের অভিযোগ পঞ্চায়েত ভোটের সাফল্যে একটি সভার আয়োজন করে বাম – কংগ্রেস আর পুলিশ এই সভা যেন সফল না হয় সেজন্যই তৎপর ছিল। পুলিশ বলেছে তাদের আপত্তি ছিল থানা থেকে দুশো মিটার দূরে ডিজে বাজানো নিয়ে। তবে উল্লেখযোগ্য বিষয়, সাংসদ অধীর চৌধুরী সভা করে চলে যাওয়ার পরেই ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। কিসের ইঙ্গিত এই ঘটনা?
অধীর চৌধুরী বলেছেন, ” তৃণমূল কংগ্রেস ও তার দোসর পুলিশ মিলে কংগ্রেসকে ফাঁসাতে চেষ্টা করছে। ” আবার পাশাপাশি তিনি বলেছেন থানা ভাঙচুরের ঘটনাকে সমর্থন করছি না।তাঁর বক্তব্য পরিষ্কার করে দিচ্ছে, তিনি ঈশান কোণে মেঘ জমার আগেই, শক্তি জাহির করছেন। ২০২৪ সালে একজোট হয়ে লড়লে যে আসনের দর-কষাকষিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রাধান্য পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে তা তার চেয়ে ভালো কে-ই বা জানে। তাই অধীর চৌধুরী এই মুহূর্তে কংগ্রেস কর্মীদের সামাল দিতে চেষ্টা করছেন না। তিনি একথাও বলছেন না, কংগ্রেস আইন ভাঙছে। সুপরিকল্পিত রাজনৈতিকভাবে ২০২৪ লোকসভা ভোটের দিকেই পাখির চোখ করে এগোচ্ছেন অধীর রঞ্জন চৌধুরী । রাজ্যে লোকসভা ভোটে লড়তে বেশ কিছু আসন চাই তাঁর।।
আরও পড়ুন : ‘ আজ মধ্যরাত পর্যন্ত অপেক্ষা করুন ‘, শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্যকে হুঁশিয়ারি রাজ্যপালের


More Stories
ইন্দাসের ঘটনায় ককরোচের প্রশাসনকে ডেডলাইন
দেশে আইনশৃঙ্খলা নেই, কংগ্রেস নেতা খুনে ডবল-ইঞ্জিন সরকারকে দুষলেন কংগ্রেস নেতা শিসপাল সিং
শরীর ঢেকে যায় বিজ্ঞাপনে, হিউম্যান বিলবোর্ড ফালাকাটার অধীর বর্মন