সময় কলকাতা ডেস্ক, ১০ সেপ্টেম্বর : সাত বছর আগে মহারাষ্ট্র ও দেশ তোলপাড় হয়েছিল পুনের যে নাবালিকার গণধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডে , সেই মামলার অন্যতম প্রধান অভিযুক্ত জেলেই আত্মহত্যা করল। রবিবার পুনের জেলে তার ঝুলন্ত দেহ দেখতে পায় কারারক্ষীরা।
আহমেদনগর কোপর্ডি ধর্ষণ ও হত্যা মামলার প্রধান অভিযুক্ত, মহারাষ্ট্রের পুনের ইয়েরওয়াদা জেলে আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে অনুমান। পুলিশ রিপোর্ট অনুযায়ী, এই মামলার অভিযুক্ত জিতেন্দ্র ওরফে পাপ্পু শিন্ডে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ।পুলিশ জানায়, রোববার সকালে কারাগারে তার ঝুলন্ত লাশ পাওয়া যায়।কারা কর্মকর্তারা সকালে বন্দীদের খোঁজ নিতে গেলে, তারা মৃতদেহটি দেখতে পান এবং তা সঙ্গে সঙ্গে নামিয়ে নেন।এই ঘটনার পরে, সমস্ত সিনিয়র শীর্ষ আধিকারিকরা ইয়েরওয়াদা জেলে পৌঁছেছেন বলে জানা গেছে।
২০১৬ সালের ১৩ জুলাই,আহমেদনগর জেলার কোপার্দি গ্রামের মারাঠা সম্প্রদায়ের এক নাবালিকাকে তিন ব্যক্তি ধর্ষণ করে খুন করে , যা রাজ্য জুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভের সূত্রপাত করে।এই মামলার প্রধান অভিযুক্ত ছিল জিতেন্দ্র ওরফে পাপ্পু শিন্ডে। জানা যায়,১৫ বছর বয়সী এক কিশোরী যে তার দাদুর সঙ্গে দেখা করে বাড়ি ফিরছিল। পথে তাকে কিছু লোক গণধর্ষণ করে এবং তারপর শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছিল।তাকে হত্যার আগে, অপরাধীরা তার অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ভেঙ্গে, তাকে গুরুতর জখম করেছিল বলে জানা গিয়েছিল।২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে, পুলিশ এই মামলায় তিন দলিত যুবককে গ্রেপ্তার করে।তাদের নাম জিতেন্দ্র শিন্ডে, সন্তোষ ভাওয়াল এবং নিতিন ভাইলুমে। এই মামলার বিচার চলছিল।।
আরও পড়ুন : পথদুর্ঘটনায় ছেলের মৃত্যু, শোকে আত্মঘাতী মা


More Stories
ভয়াবহ ভূমিধসে বিপর্যস্ত সিকিমের রিম্বি
স্বাধীনতার রক্তঝরা দিন ও বারাসাতের সুবর্ণপত্তনের সংগ্রামী ইতিহাস
ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ভূমিকা ও অবদান