সময় কলকাতা ডেস্ক, ১০ সেপ্টেম্বরঃ ৯ এবং ১০ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে বসেছিল জি-২০ ভুক্ত দেশগুলির শীর্ষ সম্মেলন। সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ১১০টি দেশের ১২ হাজার ৩০০ প্রতিনিধিরা। রবিবার ছিল বৈঠকের শেষ দিন। এদিনের বৈঠক থেকেই জি-২০ সম্মেলনের সমাপ্তি ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেইসঙ্গে নভেম্বর মাসে জি-২০ সম্মেলনের ভার্চুয়ালি অধিবেশন করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। সেই অধিবেশনে সব দেশকে উপস্থিত থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। জানা গিয়েছে, পরের বছর এই সম্মেলন ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত হবে। শনিবার নয়াদিল্লিতে জি-২০ সম্মেলনে নয়াদিল্লির ঘোষণাপত্র সর্বসম্মতিতে গৃহীত হয়েছে।
#WATCH | G 20 in India | Prime Minister Narendra Modi hands over the gavel of G 20 presidency to the President of Brazil Luiz Inácio Lula da Silva. pic.twitter.com/ihEmXN9lty
— ANI (@ANI) September 10, 2023
পাশাপাশি ভারতের নেতৃত্বে একাধিক চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল গ্লোবাল বায়োফুয়েলস অ্যালায়েন্স। ভারতের নেতৃত্বে গ্লোবাল ফুয়েলস অ্যালায়েন্স গঠিত হয়েছে। জি২০ সম্মেলের মাঝেই ভারতের নেতৃত্বে বেশ কয়েকটি দেশ এই গ্লোবাল বায়োফুয়েলস অ্যালায়েন্সে যোগ দিয়েছে। জি ২০ গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত ৭টি দেশ এবং ১২টি আন্তর্জাতিক সংগঠন জিবিএ-তে অন্তর্ভুক্ত হতে চুক্তি করেছে। রবিবার জি -২০ সম্মেলনের দ্বিতীয় দিন ছিল। কড়া নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছিল দিল্লিকে। এদিন সকালেই রাজঘাটে মহাত্মা গান্ধির সমাধিতে শ্রদ্ধার্ঘ অর্পণ করতে যান জি-২০ সম্মেলনে আগত রাষ্ট্রনেতারা।

রাজঘাটে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে ছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইজেন, এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাঙ্কের প্রেসিডেন্ট মাসাতিসুগু আসাকাওয়া, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনক, আইএমএফ-র ম্যানেজিং ডিরেক্টর ক্রিস্টালিনা জিওরগিভা, রাষ্ট্রপুঞ্জের সেক্রেটারি জেনারেল আন্তেনিও গুতেরাস, বিশ্ব ব্যাঙ্কের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান টেড্রোস আধানম গ্রেবেয়াসিস, জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা, কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সহ অন্যান্য নেতৃত্ব। রাজঘাটে যাওয়ার আগে এদিন সকাল সাতটা নাগাদ ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনক ও তাঁর স্ত্রী অক্ষতা মূর্তি যান দিল্লির অক্ষরধাম মন্দিরে। সকাল থেকেই মন্দির চত্বরে আঁটোসাঁটো করা হয়েছিল নিরাপত্তার ব্যবস্থা।
আরও পড়ুন চন্দ্রবাবু নাইডু তদন্তে সহযোগিতা করছেন না,অন্ধ্র পুলিশ

সূত্রের খবর, শনিবারই জি-২০ সম্মেলনের ঘোষণাপত্রে উল্লেখিত হয়েছে একাধিক বিষয়। ভারতের জি ২০ শীর্ষ সম্মেলনের প্রথম দিনই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জানান, সব সদস্যের সমর্থন নিয়ে আফ্রিকান ইউনিয়নকে জি ২০-র স্থায়ী সদস্য করা হচ্ছে। যদিও আমেরিকার সভাপতিত্ব নিয়ে আপত্তি তুলেছে চিন। জানা গিয়েছে, ভারতের পর ২০২৪ সালে জি-২০ সভাপতিত্ব গ্রহণ করবে ব্রাজিল। তারপর ২০২৫ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা সভাপতিত্ব গ্রহণ করবে। আগামী ২০২৬ সালে জি-২০-র সভাপতিত্ব গ্রহণ করার কথা আমেরিকার। জি-২০ সম্মেলন শুরুর আগেই বাইডেন প্রশাসনের তরফে জানানো হয়, ২০২৬ সালে জি-২০-র সভাপতিত্ব গ্রহণ করবে আমেরিকা। জি-২০ সদস্যগুলি প্রতি বছর পালা করে সভাপতিত্ব গ্রহণ করে।


More Stories
জামাইকার বিরুদ্ধে লড়াই করে হারল ভারত
নাবালিকা ধ*র্ষণ-হ*ত্যার ঘটনায় পুলিশের হাসিঠাট্টা
আবার বাড়ল পেট্রোল, ডিজেলের দাম