Home » রাতের কদম্বগাছিতে বোমা বিস্ফোরণ , কেঁপে উঠল এলাকা

রাতের কদম্বগাছিতে বোমা বিস্ফোরণ , কেঁপে উঠল এলাকা

সময় কলকাতা ডেস্ক, ১৩ সেপ্টেম্বর :  বোমা বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল রাতের কদম্বগাছি। বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে বোমার তীব্রতায় আতঙ্ক। উত্তর চব্বিশ পরগনার এই অঞ্চলে আগেও ঘটেছে বিস্ফোরণ, কিন্তু এবারের বিস্ফোরণের তীব্রতা যেন আগের বিস্ফোরণগুলিকে ছাপিয়ে গিয়েছে । রাতে জনশূন্য থাকায় কদম্বগাছির উলায় বিস্ফোরণে প্রাণহানি না হলেও জোরালো বিস্ফোরণ ঘটানোর ক্ষমতা সম্পন্ন বোমা যে বিভিন্ন অঞ্চলে এখনও যত্রতত্র মজুত আছে, তার প্রমাণ মিলল আরেকবার। রাজনৈতিক মততেই যে এরকম ঘটনা ঘটছে  তা এই অঞ্চলে  প্রধান দুটি রাজনৈতিক দলের চাপানউতোর থেকেই স্পষ্ট। কদম্বগাছিতে পঞ্চায়েত ভোটের সময় খুন হয়েছিলেন আইএসএফ কর্মী। তথাপি উল্লেখযোগ্য যে, কদম্বগাছিতে, বিশেষত এই অঞ্চলে, আইএসএফ রীতিমত শক্তিশালী। এই অঞ্চলে সমাজবিরোধী কার্যকলাপ বাড়ার পেছনে  আইএসএফ জড়িত অভিযোগ তৃণমূলের। অন্যদিকে আইএসএফ পাল্টা তোপ দাগছে তৃণমূলের দিকে। বোমা বিস্ফোরণকে কেন্দ্র করে তৃণমূল ও আইএসএফ একে অন্যকে দোষারোপ করে চলেছে।

মঙ্গলবার গভীরে রাতে বোমা বিস্ফোরণ হয়েছে বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী। বোমা বিস্ফোরণের তীব্রতা ভূমিকম্পের সমতুল্য ছিল বলেও জানিয়েছেন এলাকাবাসী।  আনুমানিক সাড়ে বারোটা নাগাদ কদম্বগাছি অন্তর্গত উলা মাঝের পাড়া গ্রামে একটি ক্ষেতের পাশে মজুত করে রাখা বোমা বিস্ফোরণটি হয়।বিস্ফোরণের প্রাবল্য  এত বেশি ছিল যে, তার জেরে এলাকা পুরো ভূমিকম্পের মত কেঁপে ওঠে এবং যে স্থানে বিস্ফোরণ হয় মাটি চৌচির হয়ে উড়ে যায় । এলাকাবাসীর অভিযোগ এই স্থানে এর আগেও বোমা বিস্ফোরণ হয়েছে। প্রকাশ্যে  এই অঞ্চলে বোমা বাঁধা হত বলে এলাকাবাসীদের অভিযোগ।

অভিযোগ, উলা অঞ্চলে যেখানে বিস্ফোরণ ঘটেছে সেখানে মাটির তলায় থরে থরে সাজানো থাকে বোমা। আর এনিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর জারি আছে। এই অঞ্চলে সম্প্রতি রাজনৈতিকভাবে শক্তিবৃদ্ধি হয়েছে আইএসএফের। তৃণমূল ও এলাকাবাসীর একাংশের অভিযোগ যে আইএসএফের মদতেই এই ঘটনা এখানে ঘটেছে। কয়েকটি বাড়িতে সারাক্ষন বোমা তৈরি হয়।অভিযোগ,বোমার কুটিরশিল্প হয়ে উঠেছে কদম্বগাছি। কদম্বগাছির উলার বিস্ফোরণের দায় নিতে নারাজ আইএসএফ। তাদের দিকে অভিযোগের অভিমুখ  তৃণমূলের দিকে ঘুরিয়ে আইএসএফ স্থানীয় নেতৃত্ব বলছেন, শাসক দল সমাজবিরোধী যাবতীয় কার্যকলাপের নেপথ্যে।।

আরও পড়ুন :সমুদ্র সৈকত অভিযানে উদ্ধার কোটি কোটি টাকার মাদক দ্রব্য

About Post Author