Home » তামিলনাড়ুর দু’টি আতসবাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত অন্তত ১৭

তামিলনাড়ুর দু’টি আতসবাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত অন্তত ১৭

সময় কলকাতা ডেস্ক, ১৮ অক্টোবর: দীপাবলির আগেই তামিলনাড়ুর বিরুধুনগর জেলার ২টি আতসবাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ। আতসবাজি কারখানায় জোড়া বিস্ফোরণের ঘটনায় অগ্নিদগ্ধ হয়ে অন্তত ১৭ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেই আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে। একইসঙ্গে এই বিস্ফোরণের জেরে বিরুধুনগর জেলার কাম্মপট্টি এবং শিবকাশী গ্রামের বহু মানুষ আহত হয়েছেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রথমে শিবকাশির এক আতসবাজির কারখানায় নমুনা পরীক্ষা করার সময় বিস্ফোরণের ঘটনাটি ঘটে। সেই ঘটনায় অন্তত আটজনের মৃত্যু হয়। এরপর ওই একই জেলার কাম্মাপট্টি গ্রামে আরও একটি আতসবাজির কারখানায় বিস্ফোরণ ঘটে। সেইসময় অন্তত ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে বলেই জানা গিয়েছে। এদিন বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে, মুহূর্তের মধ্যে আগুনের লেলিহান শিখা ছড়িয়ে পড়তে থাকে। আগুনের কুণ্ডলী ও ধোঁয়া দেখে স্থানীয়রা আতঙ্কিত হয়ে রাস্তায় বেরিয়ে পড়েন। প্রথমে স্থানীয় বাসিন্দারাই আগুন নেভানোর কাজে হাত লাগান। এরপর স্থানীয়দের তরফে খবর যায় দমকল এবং কাম্মাপট্টি থানার পুলিশের কাছে।

আরও পড়ুন   বেঙ্গালুরুতে আতসবাজির দোকানে বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড, অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত ১২

খবর পেয়েই তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছয় কাম্মাপট্টি থানার পুলিশ এবং দমকল। যুদ্ধকালীন তৎপরতার সঙ্গে আগুন নেভানোর কাজে হাত লাগায় দমকল আধিকারিকরা। তবে ঘটনার যে দৃশ্য প্রকাশ্যে এসেছে, তা থেকেই স্পষ্ট যে এদিন আগুনের ভয়াবহতা ঠিক কতটা ছিল। প্রায় কয়েক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছেন দমকলকর্মীরা। পুলিশ জানিয়েছে ওই আতশবাজির কারখানাগুলির মধ্য একটি কারখানায় বৈধ লাইসেন্স ছিল। অন্য দোকানটির লাইসেন্স ছিল, না সেটি বেআইনিভাবে চলছিল। ইতিমধ্যেই গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। উৎসবের মরশুমে মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিন। বাজি বিস্ফোরণে নিহতদের পরিবারকে ৩ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন তিনি।

About Post Author