Home » কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে আজই খাদ্য তালিকা থেকে বাদ দিন এই তেল

কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে আজই খাদ্য তালিকা থেকে বাদ দিন এই তেল

সময় কলকাতা ডেস্ক, ৫ নভেম্বর: শরীরে কোলেস্টেরল বৃদ্ধি পেলে তা বিভিন্ন রক্তনালীতে জমতে পারে। কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে না থাকলে হার্ট অ্যাটাক, পেরিফেরাল আর্টারি ডিজিজ, স্ট্রোক সহ নানা অসুখে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। রক্তে কোলেস্টেরল এর মাত্রা বাড়তে থাকলে শরীরে দেখা দিতে পারে কঠিন রোগ। এই পদার্থ শরীরে বাড়তে থাকলে তা রক্তনালীর মধ্যে জমা হয়। ফলে রক্ত ঠিকভাবে চলাচল করতে পারেনা। রক্তচলাচল ঠিক মতো না হলে দেখা দিতে পারে হৃদরোগ,স্ট্রোকের মতো বিভিন্ন রোগের। আর এই প্রতিটি রোগের জন্য মৃত্যু হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে। বিশেষজ্ঞরা তাই বলছেন কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে কিছু তেল একেবারেই এড়িয়ে চলা ভালো। কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে আজ থেকেই ট্রান্স ফ্যাট এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাট খাদ্য তালিকা থেকে বাদ দিন। এক্ষেত্রে অলিভ অয়েল, ফ্ল্যাক্সসিড অয়েল, অ্যাভোকাডো অয়ে, আমন্ড অয়েল এবং তিল তেল খুবই ভাল। আসুন জেনে নেওয়া যাক এমন কিছু তেলের সম্পর্কে যা কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে ব্যাঘাত ঘটায়।

সূর্যমুখীর তেল
সূর্যমুখীর তেলের মধ্যে স্যাচুরেটেড ফ্যাট কম থাকলেও ভালো পরিমাণে ওমেগা ৬ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে। তবে অতিরিক্ত ওমেগা-৬ এর অতিরিক্ত ব্যবহারে প্রদাহজনিত সমস্যা অনেক বেড়ে যেতে পারে।

আরও পড়ুন     ফলক বিতর্কের মাঝেই বিশ্বভারতীর উপাচার্যের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের থানায়


নারকেল তেল
নারকেল তেলের মধ্যে স্যাচুরেটেড ফ্যাট অনেক বেশি পরিমাণে থাকে। এতে ট্রাইগ্লিসারাইডস রয়েছে, যার কিছু স্বাস্থ্যকর দিক থাকলেও এলডিএল কোলেস্টেরল যথেষ্ট পরিমাণে বাড়িয়ে দেয়।
পাম তেল
পাম তেলের মধ্যে স্যাচুরেটেড ফ্যাট অনেক বেশি পরিমাণে থাকে। যা এলডিএল কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। স্যাচুরেটেড ফ্যাট বেশি থাকায় এই তেল হৃদরোগের সম্ভাবনা বাড়ায়। এই তেলের দাম অনেক কম হওয়ায় বাইরের বিভিন্ন খাবারের দোকানে এই তেল বেশি ব্যবহার করা হয়।


ভুট্টার তেল
ভুট্টার তেলের মধ্যে রয়েছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড। যা অতিরিক্ত পরিমাণে খেলে শরীরে প্রদাহ জনিত সমস্যা হতে পারে। আর এতে দীর্ঘস্থায়ী রোগের ঝুঁকিও বাড়ে। তাই কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে আজ থেকেই এই তেল বাদ দিন।

About Post Author