Home » সফল সিজারিয়ান, উৎসবের আগমনে উদযাপন ধুপগুড়ি মহকুমা হাসপাতালে

সফল সিজারিয়ান, উৎসবের আগমনে উদযাপন ধুপগুড়ি মহকুমা হাসপাতালে

Oplus_131072

সানি রায়, সময় কলকাতা : মানবতাবাদী মনোবিজ্ঞানী আব্রাহাম মাসলো বলেছিলেন, কার্যত প্রতিটি মানুষের মধ্যে, এবং অবশ্যই প্রায় প্রতিটি নবজাতক শিশুর মধ্যে, স্বাস্থ্যের প্রতি একটি সক্রিয় ইচ্ছা, বিকাশের দিকে একটি আবেগ বা আত্ম-উপলব্ধির দিকে একটি ঝোঁক রয়েছে বলে ধরে নেওয়া যুক্তিসঙ্গত। এই বিকাশের জন্য উপলব্ধি যেন উৎসবের আগমনে ধুপগুড়ি মহকুমা হাসপাতাল জুড়ে।  প্রতিটি শিশু পৃথিবীর নতুন করে যে সূচনা করে উৎসব তার প্রমাণ।  সিজারিয়ান  পরিষেবা শুরু ধুপগুড়ি মহকুমা হাসপাতালে। প্রথম নবজাতকের নাম উদযাপনের সময়কে শাশ্বত করে রাখতে- উৎসব রেখেছেন খোদ মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক।  উৎসবের আগমনে উদযাপনের আবহ ধুপগুড়িতে।

উৎসবের আগমনের মধ্যে দিয়ে স্বাস্থ্য পরিষেবায় নয়া পালক ধূপগুড়ির মুকুটে! অবশেষে ধূপগুড়ি মহকুমা হাসপাতালে চালু হলো সিজারিয়ান বা ‘সিজার’ পরিষেবা। এই পরিষেবার আনুষ্ঠানিক সূচনা ঘিরে হাসপাতাল চত্বরে ছিল উৎসবের মেজাজ।গ্রামীণ হাসপাতাল থেকে মহকুমা হাসপাতালে উন্নীত হওয়ার পর থেকেই এখানে পরিকাঠামো উন্নয়নের কাজ দ্রুতগতিতে চলছে। ইতিমধ্যেই তৈরি হচ্ছে পাঁচ তলা নতুন ভবন। সেই আধুনিকীকরণের পথেই বুধবার এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ নেওয়া হলো। এদিন মোট তিনজন প্রসূতির সফল ‘ইলেক্টিভ সিজারিয়ান সেকশন’ সম্পন্ন হয়।
প্রথম সিজারে জন্ম নেওয়া পুত্রসন্তানের নাম ‘উৎসব’ রেখেছেন যিনি, জলপাইগুড়ি জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক (CMOH) ডাঃ অসীম হালদারের মুখে হাজার ওয়াটের উজ্জ্বলতা যা ছড়িয়ে পড়েছে ধুপগুড়ির প্রতিটি নিরলস চিকিৎসা কর্মীর মুখে। সাফল্য যে পথ খুঁজে পেয়েছে!এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ধূপগুড়ির বিধায়ক ডাঃ নির্মল চন্দ্র রায়, ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাঃ অঙ্কুর চক্রবর্তী সহ বিশিষ্ট চিকিৎসক ও জনপ্রতিনিধিরা।
এতদিন ছোটখাটো জটিলতা বা প্রসবকালীন অস্ত্রোপচারের জন্য এলাকার মানুষকে জলপাইগুড়ি জেলা হাসপাতালে ছুটতে হত। এখন থেকে ধূপগুড়ি মহকুমা হাসপাতালেই এই পরিষেবা মেলায় চা-বাগান ও বনবস্তি এলাকার সাধারণ মানুষ দারুণভাবে উপকৃত হবেন। ঘরের কাছে উন্নত চিকিৎসা পরিষেবা পাওয়ায় স্বস্তিতে রোগীর পরিজনেরাও। উৎসবে আগমনে স্বস্তি আর এগিয়ে যাওয়ার বার্তা। বার্তা বিকাশের।।

About Post Author