সময় কলকাতা ডেস্ক,১২ নভেম্বর : কালীপুজোর শহর বারাসাত আবার করোনা কাল এবং করোনা ফিরে আসার ভীতি কাটিয়ে উৎসবের মরশুমে স্বমহিমায়। পায়োনিয়ার অ্যাথলেটিক ক্লাব, কেএনসি রেজিমেন্ট , সন্ধানী এবং নবপল্লী অ্যাসোসিয়েশন, নবপল্লী ব্যায়াম সমিতিতে কালীপুজোর সন্ধ্যা ও রাতে উপচে পড়া ভিড়। তবে জনসমুদ্রের নিরিখে সবাইকে ছাপিয়ে গিয়েছে “আমরা সবাই”।
বারাসাতে অন্য ঐতিহ্যশালী ক্লাব গুলির তুলনায় কালীপুজোর আয়োজনে বয়সে নবীন হলেও আমরা সবাই শুরু থেকেই চমক দিয়ে চলেছে।ইলোরার ১৬ নম্বর গুহা কৈলাশা মন্দির থিম হলেও “আমরা সবাই” ক্লাব তাদের সপ্তম বর্ষে এবছর পুজোমণ্ডপে ইলোরার কৈলাশা সহ মোট দুটি মন্দির,গুহা ১৬ ও ১০কে যথাক্রমে বাইরে এবং ভেতরে ফুটিয়ে তুলেছে সুনিপুন দক্ষতা- সহকারে। এখানের কর্ণধার অরুণ ভৌমিক বলছেন, জনতার ঢল তাঁদের শিল্প চেতনার প্রকাশের সাফল্য প্রমাণ করছে। বারাসাতে আরও তিনদিন পুজো মণ্ডপ দর্শনের অনুমতি থাকলেও শনিবার থেকেই বারাসাতের কালীপুজোর দর্শনার্থীদের ভিড় মূলত আমরা সবাইকে ঘিরে। ১২ নম্বর জাতীয় সড়কের ফায়ার ব্রিগেড থেকে ৫০০ মিটার দূরে এই পুজোর মণ্ডপ, আলোকসজ্জা, শিল্প ভাবনা ও প্রতিমা সবকিছুই অনন্য সাধারণ।
অন্য পুজো গুলির মধ্যে পায়োনিয়ার অ্যাথলেটি ক্লাবের হ্যারি পটারের যাদু নগরী, নবপল্লী ব্যায়াম সমিতির চোখ ধাঁধানো আলোকসজ্জা, সন্ধানীর ইন্দোনেশিয়ার মন্দির দর্শক টানতে বাধ্য। কেএনসি রেজিমেন্ট সৃষ্টি স্থিতি বিনাশের প্রতীক ত্রিদেব তাদের থিমে তুলে ধরেছে। নবপল্লী অ্যাসোসিয়েশনের নিবেদন বদ্রীনাথ। সবমিলিয়ে বারাসাত আবার শ্যামাপুজোয় আলোকোজ্জ্বল।।
আরও পড়ুন বঙ্গ জুড়ে আলো আনছেন উত্তরের শ্যামা উমারা


More Stories
বাংলা নববর্ষের ইতিহাস
চিকিৎসকের বঙ্গসংস্কৃতির উদযাপন নববর্ষে
দোল উৎসব : রাঙিয়ে দিয়ে যাও