সময় কলকাতা ডেস্ক, ২০ ডেস্ক: ফের বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড হাওড়ায়। সোমবার ভোর ৪টে ৫০ নাগাদ হাওড়ার ফোরশোর রোডের বিজয় শ্রী জুটমিলে ভয়াবহ আগুন লাগে। আগুনের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে আগুন নেভাতে বেশ বেগ পেতে হয় দমকল কর্মীদের। গোটা এলাকা কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায়। ঘিঞ্জি এলাকা হওয়ায় দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী ঘটনাস্থলে আসে দমকলের ৩টি ইঞ্জিন। প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হলেও এখনও পর্যন্ত হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন শহরজুড়ে উত্তুরে হাওয়ার আমেজ, এবার কি জাঁকিয়ে শীত বঙ্গে?
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন ভোরবেলা হঠাৎই হাওড়ার ফোরশোর রোডের ওই জুট মিলে আগুন লাগে। সেখান থেকে কারখানা সংলগ্ন পরপর গুদামে ছড়িয়ে পড়ে আগুন। জুটমিলে প্রচুর পরিমাণে দাহ্য পদার্থ মজুত থাকায় আগুনের লেলিহান শিখা ক্রমশ ছড়িয়ে পড়তে থাকে। আগুনের কুণ্ডলী ও ধোঁয়া দেখে আতঙ্কিত হয়ে রাস্তায় বেরিয়ে আসেন স্থানীয়রা। তড়িঘড়ি খবর দেওয়া হয় দমকলে। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে প্রথমে দমকলের ২টি ইঞ্জিন পৌঁছয়। যুদ্ধকালীন তৎপরতার সঙ্গে আগুন নেভানোর কাজে হাত লাগায় দমকল আধিকারিকরা। কিন্তু, এক ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও আগুন নিয়ন্ত্রণে না আসায় পরে আরও ১টি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে যায়।
আরও পড়ুন বিশাখাপত্তনমের মৎস্য বন্দরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, পুড়ে ছাই ৪০টি নৌকা
তবে ঘটনার যে দৃশ্য প্রকাশ্যে এসেছে, তা থেকেই স্পষ্ট যে এদিন আগুনের ভয়াবহতা ঠিক কতটা ছিল। প্রায় আড়াই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছেন দমকলকর্মীরা। তবে, কী থেকে এদিন কারখানায় আগুন লাগল, তা এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি। শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লাগতে পারে বলেই অনুমান করা হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় লক্ষাধিক টাকার বেশি বলে জানা গিয়েছে। ইতিমধ্যেই গোটা ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ। ওই জুটমিলে অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র ছিল কি না, থাকলে তা আদৌ কাজ করেছে কি না, তাও তদন্ত করা হচ্ছে।


More Stories
তারাতলা বিপর্যয় কাণ্ডে ববি হাকিমের গ্রেফতারের দাবি
মৃত্যু মিছিলে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৫ এবং কালীর “কালা কার্তুত!”
গভীর বিপাকে অরূপ বিশ্বাস, খুনের চেষ্টার অভিযোগ দায়ের