সময় কলকাতা ডেস্ক, ২ নভেম্বর: উচ্চ শিক্ষা ও উচ্চ আয়ের আশায় অনেক ভারতবাসী পাড়ি জমান বিদেশে। যেরকম অনেক স্বপ্ন পুঁজি করে বিদেশে গিয়েছিলেন মিতকুমার প্যাটেল। উচ্চশিক্ষা লাভের জন্য বিদেশে গিয়েছিলেন তিনি। তবে নিজের স্বপ্নপূরণ হল না। সম্প্রতি এই ভারতীয় ছাত্রের দেহ উদ্ধার হয়েছে লন্ডনের টেমস নদী থেকে। গোটা ঘটনায় ইতিমধ্যে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। আত্মহত্যা নাকি খুন ঘটনায় দানা বেধেছে রহস্য।

চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে উচ্চশিক্ষার জন্য লন্ডনে গিয়েছিলেন মিতকুমার। শেফিল্ড হলম বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষার সুযোগ পেয়েছিলেন ছোট থেকে মেধাবী মিতকুমার। পড়াশুনা করার পাশাপাশি নিজের খরচ চালাতে অ্যামাজনে পার্ট টাইম কাজ করারও কথা ছিল তাঁর। লন্ডনে এক আত্মীয়ের বাড়িতে থেকে পড়াশুনা করতেন তিনি। এক কথায় বিদেশের মাটিতে নিজেকে ধীরে ধীরে মানিয়ে নিচ্ছিলেন মিতকুমার।
গত ১৭ নভেম্বর সেই আত্মীয়ের বাড়ি থেকেই নিখোঁজ হন এই তরুণ। তাঁর আত্মীয় পার্থ প্যাটেলের বয়ান অনুযায়ী, রোজ নিয়ম করে হাঁটাহাঁটির অভ্যাস ছিল মিতকুমারের। তবে ১৭ নভেম্বর হাঁটতে বেরোলেও আর ফিরে আসেননি তিনি। এমনকি রোজ বেরোনোর সময় বাড়ির চাবি নিয়ে যেতেন। পার্থের দাবি ওইদিন বাড়ির চাবিও নিয়ে বেরোননি। নির্দিষ্ট সময় পেরিয়ে গেলেও তরুণ বাড়ি না ফেরায় সন্দেহ হয় তাঁর আত্মীয়দের। তখন তাঁরা স্থানীয় পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।
অনেক খোঁজাখুঁজির পরও মিতের দেখা মেলেনি। অবশেষে ২১ নভেম্বর এক পথচারী দেখতে পান টেমস নদীতে একটি দেহ ভাসছে। তিনি তৎক্ষণাৎ পুলিশে খবর দেন। পূর্ব লন্ডনের ক্যানারি হোয়ার্ফ এলাকায় নদী থেকে ওই দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে জানা যায় ওটাই নিখোঁজ মিতকুমারের দেহ। গোটা ঘটনায় শোকস্তব্ধ লন্ডনের আত্মীয় থেকে এদেশে মিতের পরিবার। এদেশে তাঁর পিতামাতার কাছে খবর পৌঁছলে তাঁরা শোকে পাথর হয়ে যান। এখন তাঁদের চিন্তা কীকরে ছেলের দেহ সৎকারের জন্যে দেশে নিয়ে আসা যাবে। মিতকুমারের আত্মীয়ের পক্ষ থেকে দেহ দেশে ফেরানোর কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা কোনওরকম অপ্রীতিকর ঘটনার শিকার হননি মিতকুমার। যদিও গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।


More Stories
নাবালক ছাত্রের সঙ্গে যৌ*ন মিলন , গ্রেফতার হাইস্কুল শিক্ষিকা
পুলওয়ামা হামলার মাস্টারমাইন্ড হামজা বুরহান খ*তম , কে এই হামজা?
সীমান্তে চ্যাংড়াবান্ধায় জমি হস্তান্তরের সিদ্ধান্তের পরই শুরু মাপজোক