পুরন্দর চক্রবর্তী, সময় কলকাতা, ১২ জানুয়ারি : এযেন ভেনি, ভিডি, ভিসি যার অর্থ এলাম,দেখলাম, জয় করলাম। সন্দেশখালিতে সাধারণ মানুষের কাছে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের সফরকে এভাবেই দেখা যেতে পারে। বাড়তি যোগ হয়েছে এলাকার নিপীড়িত মানুষের কাতর বিনতি। সন্দেশখালির ‘সন্দেশ জানলেন রাজ্যপাল। সন্দেশখালির ত্রস্ত মহিলাদের ” আমাদের বাঁচান ” কাতর আবেদনের উত্তরে রাজ্যপাল জানালেন সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাঁর আশ্বাস, তাঁর হতে যে ক্ষমতা আছে তা দিয়েই পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
সন্দেশখালির “সন্দেশ” বা খবর জানতে কেরালা সফর কাটছাঁট করে সন্দেশখালি যাওয়ার আগেই সন্দেশখালি নিয়ে রাজ্যের রিপোর্ট করেছিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। তার আগেই তিনি জানিয়েছিলেন, “ননসেন্স গেম চলছে, তা বন্ধ করতে গুন্ডারাজের কফিনে পেরেক পুঁততে হবে ৷” সন্দেশখালি যাওয়ার রাস্তায় ক্ষোভ বিক্ষোভের মুখে পড়ছিলেন তিনি। সন্দেশখালিতে পেলেন উষ্ণ অভ্যর্থনা,পেলেন এলাকাবাসী মহিলাদের ফুলের মালা । শুনতে পেলেন কাতর বিনতি। আশ্বাস দিলেন রাজ্যপাল।
উলুধ্বনি দিয়ে স্বাগত জানানোর পরে জানানোর পরে ত্রিমোহিনী বাজারে মহিলারা তাদের ওপরে অত্যাচারের বর্ণনা দিতে থাকেন। কয়েকজন বসে পড়েন। শেখ শাহজাহান, শিবু হাজরাদের বিভীষিকা ও আতঙ্কের কথা তুলে ধরেন রাজ্যপালের সামনে। তাদের কথা কেউ শোনে না,তাদের অভিযোগ ও পুলিশ নেয় না জানান মহিলারা। পায়ের সামনে পড়ে তাঁরা আকুতি জানালেন,কেউ কেউ অঝোরে কেঁদে ফেলেন। তাঁরা বলেন, কী অত্যাচার তাঁদের সইতে হয়। ” আমাদের বাঁচান ” কাতর আর্জি তাঁদের, “আমাদের বাঁচান “।
রাজ্যপাল মন দিয়ে সবকিছু শোনেন। শুনে জানান, সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সন্দেশখালির “সন্দেশ” জেনে কোন কোন পদক্ষেপ রাজ্যপাল নিতে উদ্যোগী হন এখন সেটাই দেখার।।
আরও পড়ুন বিজেপি প্রতিনিধিদলকে সন্দেশখালি থেকে ৬৫ কিলোমিটার দূরে আটকাল পুলিশ


More Stories
কেন ফুল বদলালেন লিয়েন্ডার পেজ?
বারাসাতে মিছিল কি তৃণমূলের শেষের শুরুর ইঙ্গিত ?
বোমা-বন্দুক আনব, তৃণমূল নেতাদের গণপিটুনির হুঙ্কার দিলীপ ঘোষের