Home » চোপড়ার শিশুমৃত্যুর ঘটনায় বিএসএফের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ, রাজ্যপালের দ্বারস্থ তৃণমূলের প্রতিনিধি দল

চোপড়ার শিশুমৃত্যুর ঘটনায় বিএসএফের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ, রাজ্যপালের দ্বারস্থ তৃণমূলের প্রতিনিধি দল

সময় কলকাতা ডেস্ক, ১৩ ফেব্রুয়ারিঃ উত্তর দিনাজপুরের চোপড়ার চেতনাগাছে বিএসএফ নিয়ন্ত্রিত এলাকায় মাটি চাপা পড়ে চার শিশু মৃত্যুর ঘটনায় সরগরম রাজ্য রাজনীতি। ক্রমশ চড়ছে উত্তেজনার পারদ। চোপড়ার শিশুমৃত্যুর ঘটনায় বিএসএফের উপর চাপ বাড়াচ্ছে তৃণমূল(TMC)। মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠক করে এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে দায়ী করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। উত্তর দিনাজপুরের সীমান্তবর্তী এলাকায় চার শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যুর পরও এখনও পর্যন্ত কেন রাজ্যপাল কোনও পদক্ষেপ করলেন না, সেই নিয়ে ইতিমধ্যেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তৃণমূল।

আরও পড়ুন  OPTICAL ILLUSION: পৃথিবীর মাত্র ৫ শতাংশ মানুষ পেরেছেন নীচের দেওয়া ছবি দুটির মধ্যে ১০ সেকেন্ডের মধ্যে ৩ টি পার্থক্য খুঁজে বের করতে, আপনি পারবেন?

চোপড়ার ঘটনার মর্মান্তিক পরিণতিকে সামনে রেখে গোটা রাজ্য জুড়ে আন্দোলনে নামতে চাইছে তৃণমূল কংগ্রেস। ইতিমধ্যেই ১২ জনের প্রতিনিধিদল তৈরি করেছে শাসকদল। শিশুমৃত্যুর বিষয়টি নিয়ে রাজ্যপালের দ্বারস্থ হতে চান প্রতিনিধিদলের সদস্যরা। জানা গিয়েছে, রাজ্যপাল এই মুহূর্তে কলকাতায় নেই। সোমবারই সন্দেশখালির পরিস্থিতি পরিদর্শন করেই তিনি দিল্লিতে চলে গিয়েছেন। সূত্রের খবর, তাঁদের আবেদন মেনে ১৫ ফেব্রুয়ারি দুপুরে রাজভবনে যেতে বলা হয়েছে। রাজ্যপাল ওইদিন তাঁদের সঙ্গে দেখা করবে। প্রসঙ্গত, উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া থানার চেতনাগছ গ্রামে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে ছোট নিকাশি নালা ছিল। তা সম্প্রসারণের জন্য জেসিবি দিয়ে মাটি তোলা হচ্ছিল।

নতুন করে নালা তৈরির কাজ চলছিল। বিএসএফের অধীনে ‘নো ম্যানস ল্যান্ডে’ কেন্দ্রের সিপিডব্লিউডি রাস্তার পাশে মাটি তুলছিল। এলাকার সেই কাজ দেখতে গিয়েছিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ওই সময় ৬ থেকে ১৪ বছরের বাচ্চারা খেলছিল সেখানে। খেলতে খেলতেই নালায় পড়ে গিয়ে মৃত্যু হয় ৪ জনের। বিএসএফের চোখ এড়িয়ে কিভাবে এত বড় দুর্ঘটনা ঘটল, তা নিয়েই প্রশ্ন তুলতে থাকে তৃণমূল।চার শিশুর মৃত্যুর জন্য বিএসএফের অসাবধানতাকে দায়ী করে তোপ দাগতে শুরু করে তৃণমূল। এই ড্রেন খোঁড়ার কাজ তাঁদের উদ্যোগেই হচ্ছিল বলেই অভিযোগ ওঠে। যদিও বিএসএফ দাবি করেছে যে, নালা সম্প্রসারণের কাজের দায় তাদের নয়। এই ঘটনার পরই সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হন শাসকদলের নেতারা।

About Post Author