সময় কলকাতা ডেস্ক, ১৬ ফেব্রুয়ারি: ফের বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড রাজধানীর বুকে। বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে পাঁচটা নাগাদ ভয়াবহ আগুন লাগে দিল্লির আলিপুরের দয়ালপুর মার্কেটের রঙের কারখানায়। আগুনের তীব্রতা এতটাই বেশি যে আগুন নেভাতে বেগ পেতে হয় দমকল কর্মীদের। রঙের কারখানা ভস্মীভূত হয়ে যায়। গোটা এলাকা কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায়। ঘিঞ্জি এলাকা হওয়ায় দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী ঘটনাস্থলে এসেছে দমকলের ২২টি ইঞ্জিন। গুরুতর আহত অনেকেই। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছে। দমকল কর্মীদের প্রায় চার ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। ঘটনাস্থলে মোতায়েন ছিলেন পুলিশ ও দমকলের আধিকারিকরা।
আরও পড়ুন India vs England 2024: রোহিত-জাদেজার জোড়া শতরান, সরফরাজের অর্ধশতরান, রাজকোটে রাজত্ব ভারতের
প্রচুর ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি এখনও পর্যন্ত আগুনে পুড়ে অন্তত ১১ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। মৃতদের মধ্যে একজন পুলিশ কর্মীও রয়েছে। তবে কী করে এদিন আগুন লাগল, তা এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার বিকেলে দয়ালপুর মার্কেটের রঙের কারখানাটিতে আচমকা আগুন লেগে য়ায়। প্রচুর পরিমাণে দাহ্য পদার্থ মজুত থাকায় কয়েক মিনিটের মধ্যেই আগুন চারিদিকে ছড়িয়ে পড়তে থাকে। রঙের কারখানাটির পাশাপাশি, আশপাশের বেশ কয়েকটি বাড়ি ও দোকানেও আগুন ধরে গিয়েছিল। ওই বাড়ি ও দোকানগুলিরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই ব্যাপক আতঙ্কের সৃষ্টি হয় গোটা চত্বরজুড়ে। দ্রুত আগুনের লেলিহান শিখা বাড়তে থাকে। তড়িঘড়ি খবর পৌঁছয় দমকলে। খবর পাওয়া মাত্রই দমকলের ২২টি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছে যুদ্ধকালীন তৎপরতার সঙ্গে আগুন নেভানোর কাজে হাত লাগায়। দমকল কর্মীদের প্রায় চার ঘণ্টার চেষ্টায় রাত ৯টা নাগাদ আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। তবে ঘটনার যে দৃশ্য প্রকাশ্যে এসেছে, তা দেখেই বোঝা যাচ্ছে, এদিন আগুনের ভয়াবহতা ঠিক কতটা ছিল। যদিও এদিন ঠিক কী কারণে এই আগুন লেগেছে,তা এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি। সবটা নিয়েই তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। প্রাথমিকভাবে দমকল কর্মীদের অনুমান, কারখানায় রাখা রাসায়নিক পদার্থ থেকেই আগুন লেগেছে।


More Stories
নীতিশ জমানা শেষ, বিহারের সম্রাট নতুন মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর বুলডোজার মডেল
আশা ভোঁসলের হার্ট অ্যাটাক
মোদি ও বিজেপিকে খোঁচা : আগাম জামিন পেলেন নিয়ে নেহা সিং রাঠোর