Home » চড়ছে আন্দোলনের পারদ! ১৬ ফেব্রুয়ারি দেশজুড়ে ভারত বনধের ডাক ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়নের

চড়ছে আন্দোলনের পারদ! ১৬ ফেব্রুয়ারি দেশজুড়ে ভারত বনধের ডাক ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়নের

সময় কলকাতা ডেস্ক, ১৪ ফেব্রুয়ারিঃ দিল্লি চলো অভিযানের পর এবার ভারত বনধ। লোকসভা ভোটের প্রাক্কালে ১৬ ফেব্রুয়ারি দেশজুড়ে ভারত বনধের ডাক সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা সহ বিভিন্ন কৃষক সংগঠনের। কৃষক নেতা রাকেশ টিকাইত জানিয়েছে, কৃষকরা বিভিন্ন ইস্যুতে ১৬ ফেব্রুয়ারি সারা দেশে গ্রামীণ বনধের সঙ্গে সঙ্গে ‘ইন্ডাস্ট্রিয়াল স্ট্রাইক’-ও চালাবে। সূত্রের খবর, মঙ্গলবার কৃষকদের দিল্লি চলো অভিযানের মাঝেই সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা ও অন্যান্য সংগঠনগুলির তরফে ভারত বনধের ডাক দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী সমস্ত কৃষকদের এই বন্ধে সামিল হতে বলা হয়েছে। শুক্রবার ভোর ৬টা থেকে বিকেল ৪টে পর্যন্ত বনধ পালন করা হবে। বনধের পাশাপাশি এদিন সমস্ত হাইওয়ে ও জাতীয় সড়কগুলিতে দুপুর ১২টা থেকে ৪টে অবধি চাক্কা জ্যাম করা হবে। পঞ্জাবে ৪ ঘণ্টার জন্য জাতীয় সড়ক বন্ধ রাখা হবে।

আরও পড়ুন   ভ্যালেনটাইন্স ডে-তে ব্যবসার কাজে সমস্যা হতে পারে, কর্মক্ষেত্রে কাজের প্রশংসা পেতে পারেন! পড়ুন রাশিফল

জানা গিয়েছে, এদিন একাধিক দাবিতে বনধের ডাক দেওয়া হয়েছে। তাঁদের দাবিগুলির মধ্যে রয়েছে শস্যের জন্য ন্যূনতম সমর্থন মূল্য (MSP) গ্যারান্টি আইনের অ-বাস্তবায়নও অন্তর্ভুক্ত। কৃষক নেতারা এ ব্যাপারে ভিন্ন শ্রমিক সংগঠন, পরিবহণ সংগঠনের সঙ্গেও বিস্তর আলোচনা করেছে। পাশাপাশি সেদিন কাজ না করতে অনুরোধ করা হয়েছে বিভিন্ন ব্যবসায়ী, দোকানদার, পরিবহণ ব্য়বসায়ী-শ্রমিকদের। ভারতীয় কিষান ইউনিয়নের (বিকেইউ) জাতীয় মুখপাত্র রাকেশ টিকাইত জানিয়েছেন, ‘ কৃষক গোষ্ঠীগুলি ছাড়াও ব্যবসায়ী এবং পরিবহণ সংগঠনকে সেই দিন আন্দোলনে সমর্থন দেওয়ার এবং ধর্মঘটে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। আগে প্রতি অমাবস্যায় কৃষকরা কৃষিজমিতে যেতেন না। ১৬ ফেব্রুয়ার আমরা অমাবস্যা পালন করব। আমাদের লড়াই ততদিন থামবে না যতদিন না নূন্যতম সহায়ক মূল্যকে আইনে পরিণত করা হচ্ছে।’

প্রসঙ্গত, লোকসভা ভোটের প্রাক্কালে আন্দোলনকারী কৃষকরা কার্যত মরিয়া হয়ে উঠেছে মোদী সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে। সর্বভারতীয় শ্রমিক সংগঠনগুলিও কৃষকদের সঙ্গে জোট বেঁধেছে। কৃষকদের বিভিন্ন সংগঠনের পাশাপাশি ব্যবসায়ী, পরিবহন ব্যবসায়ী ও কর্মীদেরও তিনি ভারত বনধে সামিল হবার আহ্বান জানানো হয়েছে। এর আগে বৃহস্পতিবার নয়ডা এবং গ্রেটার নয়ডার প্রায় ১০০ গ্রামের হাজার হাজার কৃষক সরকার কর্তৃক অধিগ্রহণকৃত জমির জন্য ক্ষতিপূরণ বৃদ্ধির দাবিতে রাস্তায় নামেন। কৃষকরা এক বছরেরও বেশি সয়ম ধরে দিল্লি তিন সীমানায় বসে লাগাতার আন্দোলন চালিয়েছিলেন কৃষকরা।এই আন্দোলনের মাধ্যমে তাঁরা তিন কৃষক আইন প্রত্যাহার করতে বাধ্য করিয়েছিলেন। এই তিন আইনকে কালা কানুন নামে আখ্য়ায়িত করেছিলেন তাঁরা। প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদি ক্ষমা চাওয়ায় তাঁরা আন্দোলন তুলে নিলেও সেই সময় কৃষকরা জানিয়েছিলেন শেষ হয়নি আন্দোলন।

About Post Author