Home » রেশন বণ্টন দুর্নীতি মামলায় এবার ইডির নজরে আরও ৪ ফোরেক্স ব্যবসায়ী

রেশন বণ্টন দুর্নীতি মামলায় এবার ইডির নজরে আরও ৪ ফোরেক্স ব্যবসায়ী

সময় কলকাতা ডেস্ক, ১৭ ফেব্রুয়ারিঃ রেশন বণ্টন দুর্নীতি মামলার তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই যেন ঘনীভূত হচ্ছে রহস্য। রেশন বণ্টন দুর্নীতি মামলায় জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, বাকিবুর রহমান এবং শংকর আঢ্যর পর ১৪ ফেব্রুয়ারি ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছেন ব্যবসায়ী বিশ্বজিৎ দাস। জানা গিয়েছে, ধৃত বিশ্বজিতের একদিকে যেমন সোনার ব্যবসা, মানি এক্সচেঞ্চের ব্যবসা রয়েছে, তেমনই রয়েছে ইমপোর্ট-এক্সপোর্টের ব্যবসা। বিশ্বজিৎ দাসের মাধ্যবমেই বাংলাদেশে রেশন দুর্নীতির টাকা পাচার হয়েছে কি না, তা নিয়ে তদন্তে শুরু করে ইডি। তদন্তে নেমে ইডি জানতে পারে, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক আলাদাভাবে এমন কয়েকজন ব্যনবসায়ী, যাঁদের আন্তর্জাতিক ব্যরবসা ও বিদেশে ফোরেক্স-সহ অন্যা ন্যা সংস্থা রয়েছে, তাঁদের রেশন বন্টন দুর্নীতির টাকা পাচারের জন্যক বেছে নিয়েছিলেন। এরকম আরও অন্তত চারজন ব্যববসায়ীর মাধ্যামে টাকা পাচার হয়েছে।

আরও পড়ুন  হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার

ইতিমধ্যে তাঁদেরই সন্ধান চালাচ্ছেন ইডির আধিকারিকরা। এদিকে, রেশন দুর্নীতি মামলায় ধৃত বিশ্বজিৎ দাসকে শুক্রবার ব্যা ঙ্কশালের বিশেষ ইডি আদালতে তোলা হয়। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, বাংলাদেশে কাপড়ের ব্যজবসা রয়েছে বিশ্বজিতের। ঢাকায় একটি নামী কাপড় বিপণির মালিক এই ব্য্বসায়ী। আর কাপড় কেনাবেচার মাধ্যিমেও রেশন বন্টন দুর্নীতির টাকা বাংলাদেশ থেকে দুবাই হয়ে কলকাতায় এসে পৌঁছয়। দুবাইয়ে বিশ্বজিতের তিনটি সংস্থার মধ্যে সোনা লেনদেনের কারবারের সংস্থাও রয়েছে। রেশনের চাল ও গম থেকে হাতিয়ে নেওয়া বিপুল টাকা সোনার মাধ্যরমেও পাচার হয়েছে বিদেশে। বিশ্বজিতের ফোরেক্স সংস্থার মাধ্যরমেও দুর্নীতির প্রায় সাড়ে তিনশো কোটি টাকা বৈদেশিক মুদ্রায় পরিণত হয়েছে।

ইডির দাবি, এখনও পর্যন্ত রেশনে মোট ১০ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে। যার মধ্যে ২৭০০ কোটি টাকা পাচার হয়েছিল দুবাইয়ে। বিগত প্রায় এক দশক ধরে এই কারবার চলছে বলেই জানা গিয়েছে। শঙ্কর আঢ্যর সংস্থার মাধ্যমেই ওই বিপুল পরিমাণ টাকা বিদেশে পাচার করা হয় বলে দাবি ইডির। একই সঙ্গে ইডির দাবি, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক আলাদাভাবে এমন কয়েকজন ব্যলবসায়ী, যাঁদের আন্তর্জাতিক ব্যেবসা ও বিদেশে ফোরেক্স-সহ অন্যা ন্যা সংস্থা রয়েছে, তাঁদের রেশন বন্টন দুর্নীতির টাকা পাচারের জন্যে বেছে নিয়েছিলেন। প্রসঙ্গত, গত ১৪ ফেব্রুয়ারি, বুধবার সাত সকালে সল্টলেকের আই বি ব্লকের বাড়ি থেকে শংকর আঢ্য ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী বিশ্বজিৎ দাসকে গ্রেফতার করে ইডি। ধৃত বিশ্বজিতের একদিকে যেমন সোনার ব্যবসা, মানি এক্সচেঞ্চের ব্যবসা রয়েছে, তেমনই রয়েছে ইমপোর্ট-এক্সপোর্টের ব্যবসা। ইডির দাবি, এই সব সংস্থার মাধ্যমেই বিপুল পরিমাণ রেশন দুর্নীতির টাকা পাচার হয়েছে বিদেশে। রেশন দুর্নীতি মামলায় ধৃত শঙ্কর আঢ্যর পরিবারের সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করে বিশ্বজিৎ দাসের নাম উঠে এসেছে। ধৃত বিশ্বজিৎ দাসকে শুক্রবারই ব্যা ঙ্কশালের বিশেষ ইডি আদালতে তোলা হয়। আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তাঁকে ইডি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন বিচারক।

About Post Author