Home » চোপড়ার ঘটনাস্থল পরিদর্শনে রাজ্যপাল বোস, বিএসএফের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিলেন গ্রামবাসীরা

চোপড়ার ঘটনাস্থল পরিদর্শনে রাজ্যপাল বোস, বিএসএফের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিলেন গ্রামবাসীরা

সময় কলকাতা ডেস্ক, ২০ ফেব্রুয়ারি: উত্তর দিনাজপুরের চোপড়ার চেতনাগছে বিএসএফ নিয়ন্ত্রিত এলাকায় মাটি চাপা পড়ে চার শিশু মৃত্যুর ঘটনায় তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্রমশ চড়ছে উত্তেজনার পারদ। এহেন পরিস্থিতিতে অবশেষে মঙ্গলবার ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গেলেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস। একইসঙ্গে মৃত শিশুদের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি। পরে বৈঠক করেন বিএসএফ-এর সঙ্গে। এদিন রাজ্যপালের সঙ্গে ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী গোলাম রব্বানিও পৌঁছন চোপড়ায়।

আরও পড়ুন  OPTICAL ILLUSION: মাত্র ২০ সেকেন্ড সময়ের মধ্যে নিচের ছবি দুটি থেকে ৩ টি পার্থক্য খুঁজে বের করতে পারবেন?

চেতনাগছের ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকার ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পাশাপাশি মৃত চার শিশুর পরিজনের সঙ্গেও দেখা করেন রাজ্যপাল। মৃত শিশুদের পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস। প্রত্যেক পরিবারকে এক লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্য ঘোষণা করেন তিনি। এর আগে গত সপ্তাহেই সাংবাদিক বৈঠক করে এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে দায়ী করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। উত্তর দিনাজপুরের সীমান্তবর্তী এলাকায় চার শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যুর পরও এখনও পর্যন্ত কেন রাজ্যপাল কোনও পদক্ষেপ করলেন না, সেই নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তৃণমূল।

প্রসঙ্গত, উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া থানার চেতনাগছ গ্রামে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে ছোট নিকাশি নালা ছিল। তা সম্প্রসারণের জন্য জেসিবি দিয়ে মাটি তোলা হচ্ছিল। নতুন করে নালা তৈরির কাজ চলছিল। বিএসএফের অধীনে ‘নো ম্যানস ল্যান্ডে’ কেন্দ্রের সিপিডব্লিউডি রাস্তার পাশে মাটি তুলছিল। এলাকার সেই কাজ দেখতে গিয়েছিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ওই সময় ৬ থেকে ১৪ বছরের বাচ্চারা খেলছিল সেখানে। খেলতে খেলতেই নালায় পড়ে গিয়ে মৃত্যু হয় ৪ জনের। বিএসএফের চোখ এড়িয়ে কিভাবে এত বড় দুর্ঘটনা ঘটল, তা নিয়েই প্রশ্ন তুলতে থাকে তৃণমূল।চার শিশুর মৃত্যুর জন্য বিএসএফের অসাবধানতাকে দায়ী করে তোপ দাগতে শুরু করে তৃণমূল। এই ড্রেন খোঁড়ার কাজ তাঁদের উদ্যোগেই হচ্ছিল বলেই অভিযোগ ওঠে। যদিও বিএসএফ দাবি করেছে যে, নালা সম্প্রসারণের কাজের দায় তাদের নয়। এই ঘটনার পরই সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হন শাসকদলের নেতারা।

About Post Author