সময় কলকাতা ডেস্ক, ২ মার্চ: ঘুম পেলে স্বাভাবিক ভাবেই আমরা ঘন ঘন হাই তুলি। কিন্তু দিনের মধ্যে প্রায়শই হাই তোলাটা মোটেও ভালো লক্ষণ নয়। ঘুমের ঘাটতি থাকলে মাথা ঝিম ঝিম বা ক্লান্ত ভাব যে শরীরে অনুভূত হবে যার কারণে দিনে বার বার হাই তুলি আমরা। কিন্তু বার বার হাই তোলা মোটেই স্বাভাবিক নয়। আর এই বার বার হাই তোলাই আপনাকে বলে দেবে আপনার দেহে কোনো জটিল রোগ বাসা বেধেছে। অফিসের নানা কাজে আমরা ল্যাপটপ কিংবা ডেস্কটপে মুখ গুজে পড়ে থাকি। এতে শরীরে ক্লান্তির ছাপ থাকছে স্পস্ট। ফলে হাই তুলছি ঘনঘন। দিনের দিনের পর এই অনিয়মই আপনার শরীরে বড়ো কোনও জটিল রোগ বয়ে আনছে। ফলে ঘন ঘন হাই তুললেই এড়িয়ে যাবেন না। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
উদ্বেগের ফলে
বাড়ি কিংবা অফিসে বসে কাজ করছেন। এক মূহূর্ত ডেস্কটপ কিংবা ল্যাপটপ ছেড়ে উঠতে পারছেন না। ভোর রাতে কিংবা মাঝ রাতে উঠে আবার আপনাকে কাজ করতে হচ্ছে। ফলে শরীরে এক প্রকার স্ট্রেস পড়ায় হাই তুলছেন ঘন ঘন। ফলে কাজেও মনযোগ দিতে পারছেন না আপনি। প্রয়োজন পড়লে এক্ষুনি চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
লিভারে সমস্যা
লিভারের সমস্যায় হাই তোলার প্রবনতা দেখা যায়। পেটের নানা সমস্যার কারণেও বার বার হাই উঠতে পারে। প্রয়োজন বুঝে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
হার্টের সমস্যা
স্ট্রোকের আগে বার বার হাই উঠতে পারে। মস্তিস্কের ভেগাস নার্ভের সম্পর্ক হাই তোলার সঙ্গে রয়েছে। এই নার্ভ আমাদের মস্তিষ্ক থেকে বেরিয়ে হৃদযন্ত্রে ও পাকস্থলীর সঙ্গে সরাসরি যুক্ত রয়েছে। তাই হার্টের কোনো সমস্যা দেখা দিলে হাই ওঠার প্রবনতা দেখা যায়।
মস্তিষ্কে সমস্যা হলে
মস্তিষ্কের সমস্যা দেখা দিলেও ঘন ঘন হাই ওঠার প্রবনতার দেখা যায়। কখনো কখনো স্ট্রোক আগে এমনটা হতে পারে। মস্তিষ্কের কোষের অত্যাধিক ক্ষতি বার বার হাই তোলার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। তাই ঘন ঘন হাই উঠতে থাকলে অবহেলা করা উচিত নয়।
ওষুধের প্রভাবে
নানান রোগে ওষুধ খাচ্ছেন। অতিরিক্ত ঔষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া শরীর নিয়ে আসে আলস্য। ফলে হাই উঠতে পারে। পারলে ওষুধ বদলে নিতে পারেন। তবে অবশ্যই চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে।
#latestbengalinews
#healthtips


More Stories
চিকিৎসক বিরুপাক্ষ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা সরকারের
স্বাস্থ্য পরিষেবায় আধুনিকীকরণে জোর দেবেন নরেশ রায়
বারাসাতে নিপায় আক্রান্ত নার্সের মৃত্যু