সময় কলকাতা ডেস্ক, ৩০ মার্চঃ চাল,ডাল,তেল,নুন,জ্বালানী থেকে শুরু করে নিত্য প্রয়োজনীয় একাধিক সামগ্রীর দাম আকাশ ছুঁয়েছে। তারই মধ্যে ফের মধ্যবিত্তের কপালে চিন্তার ভাঁজ। কারণ, আগামী এপ্রিল মাস থেকেই একলাফে দাম বেড়ে যাচ্ছে প্যারাসিটামল সহ অত্যাবশ্যকীয় প্রায় ৮০০ ওষুধের। সেইসঙ্গে বেশকিছু ওষুধ তৈরির প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রেও আসবে পরিবর্তন। এই হোলসেল প্রাইস ইনডেক্সের ওপর ভিত্তি করেই ন্যাশনাল লিস্ট অব এসেন্সিয়াল দাম বাড়তে চলেছে। ফলে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির বাজারে মধ্যবিত্তের নাভিশ্বাস ওঠার জোগাড়। যদিও ওষুধের মূল্যি নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা পাইকারি মূল্যৃসূচক বিচার করে প্রতিবছরই এই দাম বাড়ায়।পুজোর পর থেকেই ওষুধ প্রস্তুতকারকরা দাবি করে আসছিল যাতে ওষুধের দাম বাড়ে। সেই দাবি মেনেই শনিবার ন্যাশনাল ফার্মাসিটিউক্যাল প্রাইসিং অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার তরফে ওষুধ প্রস্তুতকারকদের মূল্যবৃদ্ধির অনুমতি দিয়েছে।
ন্যাশনাল ফার্মাসিটিউক্যাল প্রাইসিং অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার তরফে মূল্যবৃদ্ধির বিষয়ে জানানোও হয়েছে। এনপিপিএ জানিয়েছে, জরুরি ওষুধের তালিকায় থাকা ওষুধের দাম ০.০০৫৫ শতাংশ বাড়ছে। প্যাারাসিটামল, অ্যা জিথ্রোমাইসিন-সহ বেশ কিছু স্টেরয়েড, ভিটামিন, মিনারেল জাতীয় ওষুধের দাম বাড়ছে। যদিও এখনও পর্যন্ত এ বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনও বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়নি। মূলত জ্বর, সংক্রমণ, হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, রক্তাল্পতা সহ আরও একাধিক ওষুধের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে প্যারাসিটামল, ফেনোবারবিটোন, ফেনিটোইন সোডিয়াম, অ্যাজিথ্রোমাইসিন, সিপ্রোফ্লোক্সাসিন, হাইড্রোক্লোরাইড ও মেট্রোনিডাজলের মতো ওষুধের দাম বাড়ছে।
এর আগে গত বছর এপ্রিল মাসেই জীবনদায়ী ওষুধের দাম বেড়েছিল ১২ শতাংশ। সেসময় একলাফে অত্যাবশ্যকীয় প্রায় ৮০০ ওষুধের দাম বেড়েছিল। ২০২২ সালের অর্থবর্ষ অনুযায়ী ওষুধের দাম ১০.৭ শতাংশ বাড়ানো হয়েছিল। হোলসেল প্রাইজ ইনডেক্সের পরিবর্তনের ফলে ৮০০ টিরও বেশি ওষুধের দাম বেড়েছিল। প্যারাসিটামল ৬৫০-এর ১৫ টি ওষুধের পাতার দাম ছিল ৩০.৯১ টাকা। ১০ শতাংশেরও বেশি দাম বেড়ে ওঁই ওষুধের পাতার দামঅহয় ৩৪ টাকা। পাশাপাশি আ্যন্টিবায়োটিক ওষুধেরও দাম বেড়েছিল।
#latetstbengalinews


More Stories
১৫ আগস্ট ইনডিপেনডেন্স ডে নয়, অর্থ গুলিয়ে ফেলে নতুন সংজ্ঞা শান্তনু ঠাকুরের
নেতাজি ইস্যু : অনন্ত মহারাজকে উন্মাদ আখ্যা দিলেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত!
প্রাকৃতিক বিপর্যয় : লাইফলাইন এনএইচ ৭১৭