Home » GTA Recruitment Scam: পাহাড়ে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ বহাল রাখল হাইকোর্ট

GTA Recruitment Scam: পাহাড়ে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ বহাল রাখল হাইকোর্ট

সময় কলকাতা ডেস্ক, ১৯ এপ্রিলঃ নিয়োগ দুর্নীতির তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই যেন ঘনীভূত হচ্ছে রহস্য। এবার পাহাড়ে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগে সিবিআই তদন্তের নির্দেশই বহাল রাখল কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডনের ডিভিশন বেঞ্চ। এর আগে গত ৯ এপ্রিল পাহাড়ে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিযেছিল কলকাতা হাইকোর্ট। হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চের বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসুর সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ডিভিশন বেঞ্চে মামলা করেছিল রাজ্য। সিঙ্গল বেঞ্চের ওই নির্দেশ বহাল রেখে শুক্রবার ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, পাহাড়ে নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগের তদন্ত করবে সিবিআই-ই। ইতিমধ্যেই পাহাড়ে নিয়োগ দুর্নীতি সংগঠিত করার পিছনে একজন ডিস্ট্রিক্ট ইন্সপেক্টর বা ডিআই এবং তৃণমূল ছাত্রনেতা তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্যের নামও উঠে আসছে বলে অভিযোগ।  

আরও পড়ুন    ভোট শুরুর আগেই কোচবিহারে কর্তব্যরত কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানের মৃত্যু

এর আগে দার্জিলিং ও কালিম্পং পাহাড়ের স্কুলে নিয়োগে পরীক্ষায় দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছিলেন বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্তা। বিজেপি সাংসদের অভিযোগ, স্কুলে নিয়োগের নামে আবেদনকারীদের সঙ্গে টাকা তোলা হয়েছিল। এই অভিযোগ তুলেই সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়েছিলেন বিজেপি সাংসদ। জানা গিয়েছে, ২১- এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে দার্জিলিং ও কালিম্পং জুড়ে ভুয়ো টেট পরীক্ষার ব্যবস্থা করেছিল জিটিএ। রাজ্য পেরিয়ে পাহাড়ে টেট কেলেঙ্কারির অভিযোগকে ঘিরে পাহাড়ের রাজনীতিতে নতুন করে শোরগোল পড়ে গিয়েছিল। জানা গিয়েছে ২১-এর বিধানসভা ভোটের আগে পাহাড় জুড়ে টেটের ভার্চুয়াল ইন্টারভিউয়ের ব্যবস্থা করেছিল জিটিএ। তাতে পাহাড় ও ডুয়ার্সের প্রায় ১৪ হাজার পরীক্ষার্থী ফর্ম ফিলাপ করেছিলেন।

উল্লেখ্য, পাহাড়ে শেষবারের মত ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষা হয়েছিল। সেসময় ৩২ টি কেন্দ্রে পরীক্ষা হয়েছিল। মোট ১৪ হাজার ৫০০ জন প্রার্থী পরীক্ষা দিয়েছিলেন। এমনকী কর্মসূত্রে ভিন্ন রাজ্যে থাকা যুবকরা পাহাড়ে এসে পরীক্ষা দিয়েছিলেন। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে পরীক্ষা হওয়ার পরেও সেই নিয়োগ প্রক্রিয়া এখনও পুরোপুরি সম্পন্ন হয়নি। এ বিষয়ে প্রথম অভিযোগ তুলেছিলেন তৎকালীন মোর্চার নেতা বিনয় তামাং। সেই সময় দলের সম্পাদক ছিলেন অনীত থাপা। হামরো পার্টির অজয় এডওয়ার্ডের অভিযোগ ছিল, বিধানসভা ভোটের জন্য টাকা তুলতে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছিল। এবার লোকসভা ভোটের আবহেই শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে সরব হচ্ছেন বিরোধীরা।

#GTARecruitmentScam

#পাহাড়েশিক্ষকনিয়োগদুর্নীতি

#Latestbengalinews

About Post Author