Home » CM Mamata Banerjee: ‘চাকরি বাতিল করা হলে হতাশ হবেন না’, চাকরিহারাদের উদ্দেশে বিশেষ বার্তা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

CM Mamata Banerjee: ‘চাকরি বাতিল করা হলে হতাশ হবেন না’, চাকরিহারাদের উদ্দেশে বিশেষ বার্তা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

সময় কলকাতা ডেস্ক, ২২ এপ্রিলঃ সোমবারই এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলার চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করেছে কলকাতা হাইকোর্ট। কলকাতা উচ্চ আদালত ২০১৬ সালে স্কুল সার্ভিস কমিশনের নিয়োগের গোটা প্যানেলই বাতিল করে দিয়েছে। এদিন মোট ২৫ হাজার ৭৫৩ জনের নিয়োগ বাতিল ঘোষণা করে দিয়েছে আদালত। এবার চাকরিহারাদের উদ্দেশে বিশেষ বার্তা দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে যাঁদের চাকরি গিয়েছে এবার তাঁদের হতাশ না হওয়ার বার্তা দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি যতদূর লড়াই করার করবেন বলে জানান তিনি। ভোটের প্রচারে উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জে রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন চাকুলিয়াতে সভা ছিল তাঁর। সভার শুরুতেই কলকাতা হাইকোর্টের রায় নিয়ে মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী। আদালতের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন মুখ্যমন্ত্রী। এরপরই চাকরি হারাদের পাশে থাকার বার্তাও দেন তিনি।

আরও পড়ুন  EL Classico: দুবার পিছিয়ে পড়েও বেলিংহামের শেষ মুহূর্তের গোলে এল ক্লাসিকো জয় রিয়াল মাদ্রিদের

এদিন সভামঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘আমরা লড়ে যাব। লড়াই করব। চাকরি বাতিল করা হলে হতাশ হবেন না। চিন্তা করবেন না। কেউ জীবনের ঝুঁকি নেবেন না। আমরা আপনাদের পাশে রয়েছি। যতদূর লড়াই করার লড়াই করব।’ এরপরই নাম না করে তমলুকের বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে কড়া ভাষায়ে আক্রমণ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘একজনকে দেখলেন না বিজেপির হয়ে ভোটে দাঁড়িয়ে গেল। তাঁর অর্ডার ছিল এটা। সুপ্রিম কোর্ট এটাকে সরিয়ে দিয়েছিল। বলেছিল নতুন ডিভিশন বেঞ্চ করে আলোচনা হোক। কিন্তু কাকে নিয়ে নতুন ডিভিশন বেঞ্চ করবেন? বিচারের বাণী নীরবে নিভৃতে কাঁদে। টোটাল রায়টাকে আমরা চ্যালেঞ্জ করছি। কারণ ২৬ হাজার চাকরি মানে প্রায় দেড় লাখ দুই লাখ পরিবার। বলছে আট বছর ধরে তাঁরা চাকরি করেছে, চার সপ্তাহের মধ্যে টাকা ফেরাতে হবে। এটা সম্ভব?’

এদিকে, হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ স্কুল সার্ভিস কমিশন। সাংবাদিক সম্মেলন করে এদিন এসএসসির চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদার জানান, ‘ এর আগে অনেকেরই চাকরি বাতিল হয়েছে। খুবই কঠোর রায়। বাকি ১৯ হাজারের বিরুদ্ধে কী অভিযোগ? কোনও নতুন তথ্য প্রমাণ নেই। তারপরও কেন ১৯ হাজার বাতিল করা হচ্ছে? মেয়াদ উত্তীর্ণর ক্ষেত্রে নবম-দশম ও একাদশ-দ্বাদশ নিয়ে যে তথ্য আমরা দিয়েছি কোর্টে, তাতে ১৮৫ ছিল র্যা ঙ্ক জাম্পিং ও তালিকা বহির্ভূত। তা হলফনামা দেওয়া আছে আদালতে। ৫ হাজার জনের সবার ব্যাপারে না হলেও বেশ কয়েকজনের ক্ষেত্রেই আমাদের সুপারিশপত্র বাতিল করার নির্দেশ এসেছিল। মাধ্যমিক বোর্ডও নিয়োগপত্র বাতিল করেছিল। তবে সেটায় সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছিল।এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সিবিআইয়ের দীর্ঘ অনুসন্ধান চলেছে। প্রায় দেড় বছর। তারা কম বেশি ৫ হাজার জনের ব্যাপারে সন্দেহ প্রকাশ করেছিল। বলেছিল, ৫ হাজারের নিয়োগ আইনসঙ্গত ভাবে হয়নি। তবে নবম-দশম, গ্রুপ সি, গ্রুপ ডিতে বেশ কিছু চাকরি বাতিল হয়। এই আমরা শীঘ্রই সুপ্রিম কোর্টে যাচ্ছি।’

About Post Author