Home » রায়গঞ্জ : কৃষ্ণ -কার্তিকের জয়-পরাজয় এবং ভিক্টর সমীকরণ

রায়গঞ্জ : কৃষ্ণ -কার্তিকের জয়-পরাজয় এবং ভিক্টর সমীকরণ

উত্তম পাল ও পুরন্দর চক্রবর্তী, সময় কলকাতা,২৪ এপ্রিল :  রায়গঞ্জ নামের উৎপত্তি রাই বা রাধা থেকে নাকি রাজকীয় পরিবার থেকে তা নিয়ে নিরন্তর চর্চা রয়েছে। তবে রায়গঞ্জ নিয়ে অধুনা চৰ্চা জারি রায়গঞ্জ লোকসভা কেন্দ্রের জনতার রায় নিয়ে। ২৬ তারিখ দ্বিতীয় দফার লোকসভা নির্বাচনে বঙ্গে যে তিন লোকসভা কেন্দ্রের ভোট তার মধ্যে রায়গঞ্জের ভোট অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠতে চলেছে। কেন রায়গঞ্জের ভোট তাৎপর্যপূর্ণ হতে চলেছে তা জানতে হলে অপেক্ষা করতে হবে জুন মাসের ৪ তারিখ পর্যন্ত। তবুও এই প্রতিবেদনে রায়গঞ্জের ভোট কেন তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠতে চলেছে তার ইঙ্গিতবাহী দিকগুলি তুলে ধরার একটি প্রচেষ্টা করা হয়েছে।

শুরু করা যাক পালাবদলের তত্ত্ব দিয়ে। রায়গঞ্জ কেন্দ্র গত লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি প্রথমবার নিজের দখলে এনেছিল। পাঁচ বছরে সময় পাল্টেছে। বিদায়ী সাংসদ ও মন্ত্রী দেবশ্রী চৌধুরী নিজের নির্বাচন কেন্দ্র বদলেছেন বা বদলাতে হয়েছে। গত নির্বাচনের রায়গঞ্জ কেন্দ্রের বাম ও কংগ্রেসের দুই মহারথী মহম্মদ সেলিম বা দীপা দাশমুন্সি এবারের নির্বাচনে এই কেন্দ্রে সম্মুখসমরে নেই। যে তিনজনের মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে চলেছে তাঁরা হলেন তৃণমূলের কৃষ্ণ কল্যাণী, বিজেপির কার্তিক পাল এবং বাম সমর্থন প্রাপ্ত কংগ্রেসের ইমরান আলি রামজ যিনি লোকমুখে ভিক্টর নামেই পরিচিত। প্রথম দফার ভোটে বঙ্গের তিনটি কেন্দ্রেই ছিল সাংসদ বনাম বিধায়কের লড়াই । দ্বিতীয় দফার তিনটি কেন্দ্রের মধ্যে রায়গঞ্জ কেন্দ্রে আবার অদ্ভুত একটি বিষয় কমন বা সাদৃশ্য যুক্ত । তিন প্রার্থীই দল বদলু। তিনজনের মধ্যে অবশ্যই একজন হেভিওয়েট প্রার্থী কৃষ্ণ কল্যাণী। কারণ তিনি বিজেপির টিকিটে বিধায়ক ছিলেন। সাংসদ হওয়ার জন্য কুর্সির লড়াই তাঁকে প্রাক্তন বিধায়ক করে তুলেছে। অন্যদিকে, বছর কয়েক আগে তৃণমূল থেকে বিজেপিতে এসে ভিড়েছেন রায়গঞ্জ লোকসভা কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী কার্তিক পাল। তিনি কালিয়াগঞ্জ পুরসভার প্রাক্তন পুরপ্রধান। আবার কংগ্রেস প্রার্থী ভিক্টর ফরওয়ার্ড ব্লকের হয়ে বিধানসভা ভোটেও লড়েছেন এবং একাধিকবার জয়ী হয়েছেন । ফলে কে কোন দলে ছিলেন তা কার্যত ঘেঁটে ঘ। বিভ্রান্তি কাটলে আছে বর্তমান প্রার্থী পদ নিয়ে জটিলতা । যেখানে সাংসদ পদে পালাবদলের সম্ভাবনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে আবার সেই সম্ভাবনাও বেশ কিছু সমীকরণের ঘেরাটোপে মাঝেমাঝে অদৃশ্য হয়ে যাচ্ছে। তবুও রায়গঞ্জের লোকসভা ভোট হয়ে উঠতে চলেছে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ এখানে প্রচুর সংখ্যায় ভোটের নির্ণায়ক ইসু না থাকা সত্ত্বেও কে জিতবে সেটুকু ভোটের প্রাক মুহূর্ত পর্যন্ত বোঝা যাচ্ছে না। প্রধান তিন প্রার্থীর কে কতটা ভোট কোন দিক থেকে টানতে পারেন তা নিয়ে সম্ভাবনার পাশাপাশি রয়েছে সংশয়। বহুমুখী দিকগুলি নিয়ে এতটাই জটিলতা রয়েছে যে জোর দিয়ে বলা সম্ভব হচ্ছে না জিতবেন কে। তবে একটি বিষয় অত্যন্ত পরিষ্কার আলী ইমরান রমজ (ভিক্টর )এবার ভোটে জিতুন বা না জিতুন তিনিই হয়ে উঠবেন তৃণমূল – বিজেপির জয় পরাজয়ের নির্নায়ক ও নির্ধারক।কেন ভিক্টর এত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছেন তা বোঝার জন্য জানা দরকার রায়গঞ্জ লোকসভা কেন্দ্রের গঠনগত চিত্রকে। জানা দরকার ভিক্টরের রাজনৈতিক গ্রাফ।

প্রসঙ্গত, রায়গঞ্জ, কালিয়াগঞ্জ,ইসলামপুর গোয়ালপোখর,চাকুলিয়া,করণদিঘি, হেমতাবাদ এই সাতটি বিধানসভা কেন্দ্র রায়গঞ্জ লোকসভার মধ্যে পড়ে। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে রায়গঞ্জ ও কালিয়াগঞ্জ ছিল বিজেপির দখলে। রায়গঞ্জ কেন্দ্রে বিজেপির টিকিটে জয়ী হন এবার লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থী কৃষ্ণ কল্যাণী। অন্যদিকে, কালিয়াগঞ্জ কেন্দ্রে জয়ী হন সৌমেন রায় । ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে একমাত্র রায়গঞ্জ এবং কালিয়াগঞ্জ ছাড়া বাকি পাঁচটি কেন্দ্রে জয়ী হয় তৃণমূল। বিধানসভা কেন্দ্র চাকুলিয়ার প্রাক্তন বিধায়ক ছিলেন ভিক্টর। তিনি ছিলেন ফরওয়ার্ড ব্লকের বিধায়ক। তিনি বিজেপির ধারাবাহিক রাজনৈতিক শক্তি বৃদ্ধি ও উত্থানের মধ্যে ২০২১ সালে চাকুলিয়া বিধানসভা কেন্দ্রে ফরওয়ার্ড ব্লক প্রার্থী হিসেবে তৃতীয় স্থানাধিকারী হন। অথচ চাকুলিয়া কেন্দ্র আলাদা বিধানসভা কেন্দ্রের স্বীকৃতি পাওয়ার পরে ভিক্টর ছিলেন এই কেন্দ্রের বিধায়ক। তার আগেও পর্যন্ত অবিভক্ত থাকা গোয়ালপোখর কেন্দ্রে তিনি উপ নির্বাচনে জয়ী হন। উল্লেখ্য তাঁর বাবা মহম্মদ রমজান আলি ছিলেন গোয়ালপোখরে চারবারের বিধায়ক। ১৯৯৪ সালে তিনি খুন হয়ে যান কলকাতার এমএলএ হোস্টেলে। কিশোর ভিক্টরকে অল্প বয়স থেকেই নিজের পায়ের তলার মাটি শক্ত করতে হয়েছে। অন্য দিকে, তাঁর কাকা হাফিজ আলী সাইরানি ছিলেন তিনবারের বিধায়ক ও মন্ত্রী। অর্থাৎ সবদিক থেকেই ভিক্টরের পরিবার সম্পূর্ণভাবেই আদ্যান্ত রাজনৈতিক পরিবার। আর এই পরিবারের জল হাওয়ার মধ্যে বেড়ে ওঠা ভিক্টরের। সাম্প্রতিক সময়ে বিজেপির শক্তি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে একদা প্রিয় রঞ্জন দাসমুন্সির সঙ্গে জড়িয়ে থাকা রায়গঞ্জ কালিয়াগঞ্জ এর বৃহত্তর কংগ্রেস বলয়ে তিনি চলে যান। ২০২২ সালের অক্টোবর মাসের তিনি কংগ্রেসের যোগদান অধীর চৌধুরীর হাত ধরে। অতঃপর ২০২৪ এর সাংসদ নির্বাচনে তিনি হন বামসমর্থিত কংগ্রেস প্রার্থী। বাম ঘরানার সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ থাকা এবং কংগ্রেসের অধুনা সদস্য ও প্রার্থী হওয়ার সুবাদে বাম কংগ্রেস দুটি দল থেকেই ভালো ভোট টানবেন। নিশ্চিতভাবে জেতার স্বপ্ন নিয়েই তিনি লড়ছেন। এবার প্রশ্ন বাম কংগ্রেসের কিরকম অবস্থা ও শক্তি রায়গঞ্জ লোকসভা কেন্দ্রে? কাগজ-কলমের অঙ্ক কী বলছে? আলোচনায় ঢোকার আগে নজর রাখা দরকার রায়গঞ্জের ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের দিকে। ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের তুলনায় ২১ শতাংশ ভোট বাড়িয়ে ২০১৯ সালে ৫ লক্ষ ১১ হাজারের বেশি ভোট পেয়ে রায়গঞ্জ থেকে সাংসদ নির্বাচিত হন দেবশ্রী চৌধুরী। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কানাইয়া লাল পান ৪লক্ষ ৫১ হাজার ভোট। ৬০ হাজার ৫৭৪ ভোটে জেতেন দেবশ্রী চৌধুরী। বিজেপির উত্থানের সঙ্গে সঙ্গে দেখা যায় বঙ্গের সিপিএমের অন্যতম মুখ এবং ২০১৪ সালের সাংসদ মহম্মদ সেলিম ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে হন তৃতীয়। ২০১৪ সালে মহম্মদ সেলিম-ই আবার প্রিয় রঞ্জন দাশমুন্সী সৌজন্যে কংগ্রেস দুর্গ হিসাবে পরিচিত রায়গঞ্জ লোকসভা কেন্দ্রে প্রিয়রঞ্জন দাসমুন্সীর স্ত্রী দীপা দাসমুন্সীকে হারিয়ে দেন টানটান প্রতিদ্বন্দ্বিতার পরে। ২০০৯ সালে তৃণমূল কংগ্রেস সমর্থিত কংগ্রেস প্রার্থী হিসেবে দীপা দাস মুন্সী এই কেন্দ্রে সাংসদ হয়েছিলেন। ২০০৪ সালে ও দিনাজপুরের মানুষের কাছের ” প্রিয় দা ” এই কেন্দ্রের সাংসদ নির্বাচিত হয়েছিলেন। আবার ফিরে আসা যাক ২০১৯ সালে। ২০১৯ সালে ফোটে এই কেন্দ্রে ২০১৪ সালের চ্যাম্পিয়ন ও রানার্স সেলিম-দীপা দুজনকেই লড়তে দেখা গিয়েছিল। সেলিম তৃতীয় হন ১ লাখ ৮৩ হাজার ভোট পেয়ে। দীপা দাসমুন্সী চতুর্থ হন। তার প্রাপ্ত ভোট ছিল ৮৪ হাজারেরও কম। অর্থাৎ ২০১৯ সালে বাম কংগ্রেসের ঝুলিতে যৌথ ভোট ছিল প্রায় ২ লাখ ৬৭ হাজার। এবার ভিক্টরও বাম কংগ্রেসের ভোট টানবেন নিশ্চিতভাবে। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হচ্ছে, ভিক্টর গতবারের বাম কংগ্রেসের ২ লক্ষ ৬৭ হাজার ভোট কী অক্ষত রাখতে পারবেন? নাকি কংগ্রেস প্রার্থী হিসেবে তিনি আরও প্রবলতর প্রতিপক্ষ হিসাবে দেখা দেবেন? ভোটের প্রধান কিউলাইন বা নির্ধারক উঠবে ভিক্টরের ভূমিকা।

ভিক্টর জয়ের জন্য লড়ছেন এমনটা ধরে নিলেও বলতে হবে তিনি হারলেও তিনি হবেন ভোটের জয় পরাজয়ের প্রধান কুশিলব। আড়াই লক্ষের ওপরে তিনি ভোট পেলে তৃণমূলের সম্ভাবনা কমবে, এমনটাই রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন । এমনকি বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব মনে করে দ্বিতীয় দফায় বঙ্গের তিনটি লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যে রায়গঞ্জে গড় রক্ষা করা এবং রায়গঞ্জ লোকসভা কেন্দ্রকে নিজেদের অনুকূলে ধরে রাখা বেশ বড় প্রশ্ন। বিজেপি মনে করে, ভিক্টর যদি ভালো ভোট টানেন তাহলে তাদের প্রার্থীর জয় পেতে অসুবিধে হবে না। এবং উল্লেখযোগ্যভাবেই ইমরান আলি রামজ ওরফে ভিক্টরের সাফল্যের অনুঘটক করে উঠতে পারে মুসলিম ভোট। রায়গঞ্জ লোকসভা কেন্দ্রে মুসলিম ভোট জয় পরাজয়ের প্রধান ফ্যাক্টর কারণ রায়গঞ্জ লোকসভা কেন্দ্রের অর্ধেকের বেশি ভোট মুসলিম সম্প্রদায়ের। ১৫ বছর আগে ২০১১ সালের সেন্সাসে এই কেন্দ্রে ভোটার ৫০ শতাংশের কম থাকলেও এখন জনসংখ্যাগত চিত্র বদলেছে। ইসলামপুর, গোয়ালপোখর এবং চাকুলিয়ার মুসলিম অধ্যুষিত এলাকার মানুষ কোন দলকে সমর্থন করে এখন এটাই দেখার তবে একটি অংশ ভিক্টরের অনুগামী বলেই মনে করা হয়। কিন্তু বাম কংগ্রেসের শক্তি ক্রমশ ক্ষয় হওয়ায় মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ তাদের কাছের ভিক্টরকে কতটা কংগ্রেস প্রার্থী হিসেবে সমর্থন করবেন তা নিয়েও রয়েছে প্রশ্নচিহ্ন। মুসলিম সম্প্রদায়ের বেশিরভাগ ভোট তৃণমূলে গেলে বিজেপির অস্বস্তি বাড়বে। রাজনৈতিক মহল মনে করছে, লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্পের পাশাপাশি তাঁদের স্বার্থ রক্ষা করতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী, এরকম ধারণা থেকে বেশিরভাগ মুসলিম ভোট তৃণমূল ভোট বাক্সে পড়লে স্বাভাবিকভাবেই বিজেপির রায়গঞ্জ কেন্দ্র ধরে রাখা কঠিন হবে। তৃণমূল প্রার্থী কৃষ্ণ কল্যাণী জনদরদী প্রকল্পের পাশাপাশি বেশ কিছু প্রতিশ্রুতি রাখছেন। কার্তিক পাল আবার রায়গঞ্জে বিজেপির আসন ধরে রাখার বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী।

তবে জাতিগত ও জনগোষ্ঠীগত বিভাজনের অন্য দিকও রয়েছে। চাঁদগাঁওয়ে এই দিক অত্যন্ত প্রবল, যার প্রভাব , উত্তর দিনাজপুরের রাজবংশী জনগোষ্ঠীর মধ্যে । গত বছর ২৭ এপ্রিল রাতে সেখানে বিজেপি নেতা বিষ্ণু বর্মণের খুড়তুতো ভাই ৩৩ বছর বয়সী মৃত্যুঞ্জয়কে গুলি করে মারায় অভিযুক্ত পুলিশ। মামলা চলছে আদালতে,পরিবার সিবিআই-তদন্ত চেয়েছে । বাংলাদেশ সীমান্তের কাঁটাতারের কাছের গ্রামে নিহত রাজবংশী যুবকের বাবা রবীন্দ্রনাথ বর্মণ “তৃণমূল সরকারের পুলিশের ” দিকে আজও অঙ্গুলি নির্দেশ করেন। রাজবংশী জনজাতির মধ্যে আজও সেই ক্ষতের প্রশমন হয়নি। এই বিষয়টি তৃণমূলের বিরুদ্ধে যেতেই পারে।ধর্ম, সম্প্রদায়,জনজাতির বাইরেও কিছু ফ্যাক্টর রয়েছে এরমধ্যে বিজেপির বিপক্ষের সমীকরণ দেবশ্রী চৌধুরীর সাংসদ হিসেবে ভূমিকা। তৃণমূলের আবার অস্বস্তি একাধিক। প্রথমত, তাদের প্রাপ্য এইমসকে কল্যাণীতে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এরকম একটি আবেগজনিত ক্ষোভ রয়েছে। শিল্পপতি কৃষ্ণ কল্যাণী তৃণমূল প্রার্থী হওয়ায় তাঁর তৃণমূলে ঘর করা কতটা স্থায়ী তা নিয়েও দানা বেঁধেছে। এই বিভ্রান্তি দূরীকরণে নামতে হয়েছে খোদ মুখ্যমন্ত্রীকে। কৃষ্ণ কল্যানী যেমন জানিয়েছেন সম্মান না পাওয়ায় বিজেপি ছেড়েছেন প্রত্যাবর্তনের প্রশ্ন নেই, অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে কৃষ্ণ কল্যাণীর অবস্থান সুস্পষ্ট করতে হয়েছে।

বারংবার এই কেন্দ্রে চরকিপাক খাচ্ছেন তৃণমূল সুপ্রিমো এবং বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। কারণ উভয় দলই জানে , রায়গঞ্জের সমীকরণ এবার অত্যন্ত জটিল এবং ঘোরালো। ভোটের কার্যকরী ফ্যাক্টর গুলির সামান্যতম প্রয়োগের সুবিধা বা অপপ্রয়োগের অসুবিধে ভোটের ফল গড়ে দেবে। এখন দেখার “হাওয়ামোরগ” প্রার্থীদের কেন্দ্রে হাওয়া কোনদিকে বয়।।

About Post Author